img

সোনালী যুগের অভিনেতা জাভেদ আর নেই

প্রকাশিত :  ০৭:০২, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

সোনালী যুগের অভিনেতা জাভেদ আর নেই

বাংলা সিনেমার সোনালী যুগের জনপ্রিয় অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন। অবশেষে আজ মারা গেছেন তিনি (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৮২ বছর। 

আজ  বুধবার (২১ জানুয়ারি) সংবাদমাধ্যমকে অভিনেতা জাভেদের মৃত্যর খবরটি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান।

তিনি বলেন, ‘জাভেদ ভাই দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। আজ চিরবিদায় নিয়ে চলে গেলেন। 
\r\nসবাই জাভেদ ভাইয়ের আত্মার শান্তির জন্য দোয়া করবেন। 

\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n

১৯৬৪ সালে উর্দু ছবি \'নয়ি জিন্দেগি\' দিয়ে নায়ক হিসেবে অভিষেক হয় জাভেদের। তবে ১৯৬৬ সালে \'পায়েল\' সিনেমার পর দর্শকপ্রিয়তা বাড়তে থাকে এই নায়কের। এই সিনেমায় তার নায়িকা ছিলেন শাবানা।
\r\n 
\r\nএছাড়া তিনি ছিলেন একজন নৃত্য পরিচালকও। তার আসল নাম রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস। নৃত্য পরিচালনা দিয়ে চলচ্চিত্র জগতে অভিষেক ঘটলেও পরবর্তিতে নায়ক হিসেবে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন শতাধিক চলচ্চিত্রে। তিনি তার অনেক কাজের মধ্যে ‘নিশান’ চলচ্চিত্রের জন্য বেশি পরিচিত।
\r\n 
\r\nজাভেদ ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন। পরে তিনি স্বপরিবারে সেখান থেকে পাঞ্জাবে চলে আসেন। ব‍্যক্তি জীবনে তিনি ১৯৮৪ সালে  চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীকে বিয়ে করেন।

img

দেবীবরণে অংশ নিয়ে বিতর্কে নুসরাত জাহান, দিলেন কড়া জবাব

প্রকাশিত :  ১১:২২, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত জাহান বিজয়া দশমীতে দেবীবরণে অংশ নিয়ে নতুন করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন । লালপাড় সাদা শাড়িতে মণ্ডপে তার এই আচার পালনের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।

বিজয়া দশমীর দিনে এক পূজামণ্ডপে লালপাড় সাদা শাড়িতে সেজে দেবীবরণ সম্পন্ন করেন নুসরাত। তার সেই বিশেষ মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দি করেন অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত। পরে সেই ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

পোস্টটি সামনে আসার পর থেকেই নেটিজেনদের একাংশ তাকে কটাক্ষ করতে শুরু করে। তাদের বক্তব্য, অন্য ধর্মের মানুষ হয়ে কেন তিনি হিন্দু ধর্মের রীতিনীতি পালন করছেন? নুসরাতের ধর্মীয় নিষ্ঠা নিয়েও নানা প্রশ্ন তোলেন সমালোচকরা। এর আগেও বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে তার উপস্থিতি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।

তবে এই সমালোচনার মুখে চুপ থাকেননি অভিনেত্রী। নিজের ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও পছন্দের কথা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন তিনি। নুসরাতের মতে, উৎসবের আনন্দ কোনো একটি নির্দিষ্ট পরিচয়ের মধ্যে আটকে রাখা যায় না। নিজের পছন্দমতো ধর্মীয় রীতিনীতি নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের অধিকার সবারই রয়েছে এবং অন্যের মন্তব্যের কারণে নিজের বিশ্বাস বদলে ফেলতে তিনি রাজি নন।

দেবীবরণ কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া এই ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্মীয় পরিচয়, ব্যক্তিগত বিশ্বাস এবং উৎসব পালনের স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সূত্র: দ্য ওয়াল