img

বিদেশি চুক্তি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার আমাদের সঙ্গে আলোচনা করেনি: জামায়াত আমির

প্রকাশিত :  ০৯:৫৮, ০৬ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১০:০৩, ০৬ মার্চ ২০২৬

বিদেশি চুক্তি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার আমাদের সঙ্গে আলোচনা করেনি: জামায়াত আমির

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় করা বিদেশি চুক্তিগুলো করার সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে কোনো আলচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, বড় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে চুক্তির বিষয়ে।

আজ শুক্রবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে জামায়াত আমির বলেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সরকার কয়েকটি চুক্তি সম্পাদন করেছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এ ধরনের কোনো চুক্তি নিয়ে সরকার আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি।

তিনি আরো বলেন, আমরা বহুবার দাবি জানিয়েছিলাম যে সংসদ না থাকার কারণে সরকার বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতে যেভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করেছে, ঠিক সেভাবেই আন্তর্জাতিক চুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতেও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তৎকালীন সরকার আমাদের সেই দাবিগুলোকে আমলে নেয়নি। অতএব, এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট এবং এখানে কোনো ধরনের ধোঁয়াশা তৈরি করার সুযোগ নেই।

সম্প্রতি নতুন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সাবেক সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান বলেছেন, ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ আমাদের প্রধান দুটি দলের প্রধানের সঙ্গে নির্বাচনের আগেই কথা বলেছে।

তারা এতে সম্মতি দিয়েছিলেন। সুতরাং এমন না যে এ চুক্তি আমরা অন্ধকারে রেখেছি। 

img

যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে পাঠানো নতুন প্রস্তাবে যা বলেছে ইরান

প্রকাশিত :  ১৭:৫৬, ০২ মে ২০২৬

ইরান এবার যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে  সংশোধিত একটি নতুন প্রস্তাব পাঠিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার  মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের মাধ্যমে এই প্রস্তাব ওয়াশিংটনের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

আজ শনিবার (২ মে ) বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইরানি কর্মকর্তা জানান, নতুন প্রস্তাবে হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা পরবর্তী ধাপে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

ইরানের ওই কর্মকর্তা বলেন, একটি সম্ভাব্য সমঝোতার পথ সুগম করতেই পারমাণবিক ইস্যুকে আলোচনার শেষ পর্যায়ে রাখা হয়েছে। তার ভাষায়, \'জটিল বিষয়গুলো পরে আলোচনা করলে অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা সহজ হয়।\'

প্রস্তাবে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, চলমান সংঘাত বন্ধে শক্তিশালী গ্যারান্টি থাকতে হবে—যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ভবিষ্যতে আর কোনো হামলা চালাবে না বলে নিশ্চয়তা দেবে। এর বিনিময়ে ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের নৌ অবরোধ তুলে নেবে।

এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা হোসেন নৌসাবাদী যুক্তরাষ্ট্রের কড়া সমালোচনা করে দেশটিকে \'বিশ্বখেকো\' বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি ও উন্নয়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কমানো জরুরি।

শনিবার ইসনা নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন,\' ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক সম্পদের প্রতি বিদেশিদের দীর্ঘদিনের আগ্রহ রয়েছে, যা আমাদের ইতিহাস ও পরিচয়ের অংশ।\' 

তিনি আরও বলেন, অতীতে যেমন পর্তুগাল, নেদারল্যান্ডস ও ইংল্যান্ডকে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তেমনি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির বিরুদ্ধেও প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।