img

বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটে কারখানা বন্ধের প্রতিবেদন নাকচ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত :  ১৭:০২, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটে কারখানা বন্ধের প্রতিবেদন নাকচ প্রধানমন্ত্রীর

বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে ৯২টি কিংবা ২০০ থেকে ৩০০টি কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার যে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, তা নাকচ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে ময়মনসিংহ-৬ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল হাসানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ প্রতিবেদন নাকচ করেন।

নুরুল হাসানের প্রশ্নটি ছিল- আমরা পত্রপত্রিকা এবং বিভিন্নভাবে দেখছি যে, বিশেষ করে বিদ্যুৎ এবং গ্যাস সংকটের কারণে কেউ বলছে ৯২টি আর কেউ বলছে আরও বেশি ২০০-৩০০ কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বা হয়ে গেছে। কতগুলো কারখানা বন্ধ হয়েছে এবং কতদিন নাগাদ সেটা আবার চালু করা হবে?

উত্তরে প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেদনে উল্লেখ করা সংখ্যাগুলো সঠিক নয়, উল্লেখ করে বলেন, ‘আপনি যদি একটু বেশি তথ্য নিতেন, তাহলে দেখতেন-আপনি যে ৯৫টি কারখানা বন্ধের কথা বলেছেন, সেই তথ্যের সূত্র যারা ব্যবহার করেছিলেন, তারা পরের দিনই দুঃখ প্রকাশ করে বলেছিলেন, তাদের তথ্য সম্পূর্ণ ভুল ছিল।’

তিনি বলেন, ‘প্রতিবেদনটিতে সম্ভবত ২০২২ সালের কোনো পুরোনো সংবাদ বা তথ্য ব্যবহার করা হয়েছিল। পরে ওই প্রতিবেদন প্রত্যাহার করে দুঃখ প্রকাশ করা হয়।’

এর আগে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের প্রথম ৩০ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বের জন্য নির্ধারিত ছিল।


জাতীয় এর আরও খবর

img

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাড়ছে এলএনজি আমদানি ও সরবরাহ: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত :  ১৩:০৬, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৩:২০, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশে এলএনজি আমদানি ও সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে এ তথ্য জানান তিনি।

সংসদে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের মহেশখালীর গভীর সমুদ্রে কুতুবদিয়া এলাকায় একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের বিষয়ে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। প্রস্তাবিত এই টার্মিনালের মাধ্যমে ডিসেম্বর ২০২৮ সালের মধ্যে এলএনজি সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশে এলএনজি আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। এর মাধ্যমে দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি আরও উন্নত করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

এদিকে, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জ্বালানি চাহিদা পূরণে পায়রা ও মোংলা বন্দর এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে আরও দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের প্রস্তাব নিয়ে কাজ চলছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জ্বালানি চাহিদা পূরণের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এসব টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনালগুলো স্থাপন করা হলে দেশের সামগ্রিক জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হবে। একই সঙ্গে গ্যাসের সংকটও অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জাতীয় এর আরও খবর