img

সীমান্ত নিরাপত্তায় বিজিবির ড্রোন প্রশিক্ষণ স্কুলের যাত্রা শুরু

প্রকাশিত :  ০৮:০৮, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সীমান্ত নিরাপত্তায় বিজিবির ড্রোন প্রশিক্ষণ স্কুলের যাত্রা শুরু

ঢাকা, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬: বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, তথ্যনির্ভর ও প্রযুক্তিসক্ষম করার লক্ষ্যে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর “Shimanto School of Surveillance and Drone Warfare (SSSDW)” প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম শুরু করা হয়। 

আজ (০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ, এম.পি, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে SSSDW এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এ সময় সম্মানিত মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, ওএসপি, বিএসপি, এসইউপি, বিজিবিএম, এনডিসি, পিএসসি, এমফিল বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও, বিজিবি সদর দপ্তর বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সরাইল রিজিয়ন কমান্ডার, SSSDW-এর ভারপ্রাপ্ত কমান্ড্যান্ট ও চীফ ইন্সট্রাক্টর, সিলেট অঞ্চলের সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শুভ উদ্বোধন ঘোষণার পর মাননীয় মন্ত্রী ফটোসশনে অংশগ্রহণ করেন। এরপর তিনি SSSDW এর Complex & Display Cen পরিদর্শন করেন। এসময় ভারপ্রাপ্ত কমান্ড্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ সালাহ উদ্দীন, পিএসসি কর্তৃক সিলেটে প্রতিষ্ঠিত SSSDW এর বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও সুবিধাদি, বিজিবিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ড্রোন সংক্রান্ত আভিযানিক প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা সম্পর্কে মন্ত্রী মহোদয়কে অবহিত করেন। 

এরপর প্রশিক্ষণ মাঠে বিজিবির দক্ষ ও প্রশিক্ষিত ড্রোন পাইলটদের অংশগ্রহণে অপারেশনাল সক্ষমতা ও ড্রোনের আভিযানিক প্রয়োগ এর নিম্নবর্নিত Drone Maneuver মহড়া প্রদর্শিত হয়ঃ

ক। ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে বিজিবি\'র সিক্সম্যান পেট্রোল টিম এর আভিযানিক মহড়া।

খ। চোরাচালান বিরোধী অপারেশনে বিজিবি কর্তৃক ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে চোরাকারবারী আটকের মহড়া।

গ। পুশইন প্রতিরোধে ড্রোন এর কার্যকরী ব্যবহার সংক্রান্ত মহড়া।

ঘ। এন্টি ড্রোন সিষ্টেম ব্যবহার করে অপরিচিত ড্রোন নিয়ন্ত্রনের একটি মহড়া।

ঙ। সবশেষে বিজিবি কতৃক ড্রোন ফ্লাই পাস্ট মহড়ার আয়োজন করা হয় যেখানে বিজিবিতে সংযোজিত ম্যাভিক ড্রোনের মহড়া প্রদর্শন করেন।

-প্রেস বিজ্ঞপ্তি

জাতীয় এর আরও খবর

img

বাংলাদেশের এলএনজি জাহাজ হরমুজ পার হতে সমস্যা হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে ইরানি রাষ্ট্রদূত

প্রকাশিত :  ০৯:৩৩, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশের এলএনজি বহনকারী জাহাজ হরমুজ প্রণালী পার হতে কোনো সমস্যায় পড়বে না বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহনাবাদি। একই সঙ্গে মক্কা প্যাক্টের সদস্য দেশগুলোর জাহাজও হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচল করতে পারবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইরানি রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন।

জলিল রহিমি জাহনাবাদি বলেন, ‘বাংলাদেশের এলএনজি বহনকারী জাহাজ হরমুজ প্রণালী পার হতে কোনো সমস্যা নেই। মক্কা প্যাক্টের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জাহাজও হরমুজ প্রণালী পার করতে পারবে।’

সম্প্রতি হরমুজ প্রণালী ঘিরে নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে এলএনজি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কাতারএনার্জি বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশে এলএনজি সরবরাহের ক্ষেত্রে ‘ফোর্স মেজর’ বা চুক্তিগত দায়মুক্তির সময়সীমা সেপ্টেম্বরের পরও বাড়িয়েছে।

এ অবস্থায় বাংলাদেশের এলএনজি জাহাজের হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচল নিয়ে ইরানের রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সাক্ষাৎ শেষে মক্কা প্যাক্টে ইরানের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা নিয়েও কথা বলেন ইরানি রাষ্ট্রদূত।

তিনি বলেন, ইরান মক্কা প্যাক্টকে নিজেদের বিরুদ্ধে কোনো উদ্যোগ হিসেবে দেখছে না। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধে ইরান শুধু যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাম্পে হামলা করেছে, কোনো ইসলামি রাষ্ট্রে হামলা করেনি বলেও দাবি করেন তিনি।

জলিল রহিমি জাহনাবাদি বলেন, ‘আমরা মক্কা প্যাক্টকে আমাদের বিপক্ষে দেখছি না। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে আমরা শুধু আমেরিকার ক্যাম্পে আক্রমণ করেছি, ইসলামিক কোনো রাষ্ট্রকে নয়।’

ইরানকে আনুষ্ঠানিকভাবে মক্কা প্যাক্টে আমন্ত্রণ জানানো হলে তাতে অংশ নেওয়ার আগ্রহের কথাও জানান তিনি। তাঁর ভাষায়, ‘মক্কা প্যাক্টে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানালে ইরান গ্রহণ করবে।’

সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ককে নিয়ে গঠিত মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য অংশগ্রহণ নিয়েও বর্তমানে আলোচনা চলছে। বাংলাদেশ এ বিষয়ে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

জাতীয় এর আরও খবর