img

টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই স্বীকৃতি পেতে তথ্যের অপব্যবহার করেছে ভারত: দেবপ্রিয়

প্রকাশিত :  ১০:৫৪, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই স্বীকৃতি পেতে তথ্যের অপব্যবহার করেছে ভারত: দেবপ্রিয়

বাংলাদেশের টাঙ্গাইল শাড়ির ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেতে ভারত তাদের আবেদনে অসত্য তথ্য উপস্থাপন ও তথ্যের অপব্যবহার করেছে বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

শনিবার ‘টাঙ্গাইল শাড়িকে পশ্চিমবঙ্গের ভৌগোলিক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি: প্রক্রিয়া, পরিস্থিতি ও বাংলাদেশের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি। 

অন্যদিকে ‘বেঙ্গল মসলিন’-এর জিআই পণ্যের আবেদনের প্রেক্ষিতে জার্নাল প্রকাশ করেছে ভারত। এ বিষয়ে দ্রুততার সঙ্গে বাংলাদেশকে আপত্তি জানাতে হবে বলে জানান দেবপ্রিয়। 

এই অর্থনীতিবিদ বলেন, বাংলাদেশ উচ্চতর মধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করতে যাচ্ছে। সেজন্য মেধা সম্পদের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। টাঙ্গাইলের মতো বিষয়গুলোর সুরাহা করতে হবে।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, টাঙ্গাইল শাড়ি নিয়ে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় আলোচনার সময় শেষ হয়ে গেছে। এখন আমাদের ভারতের আদালতে আইনি লড়াই চালাতে হবে। এছাড়া মসলিন ভারতের জিআই পণ্য হিসেবে এখনো নিবন্ধিত হয়নি। এ নিয়েও আপত্তি জানাতে হবে। 

তিনি বলেন, ৫০ হাজার শাড়ি প্রতি সপ্তাহে ভারতে যাচ্ছে। তারা যদি আমাদের শাড়ি তৈরি করে তবে আমাদের ঐতিহ্যগত সুনাম নষ্টের পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতিও হচ্ছে। কেননা আমাদের কাপড়, আমাদের তাঁতি, আমাদের মিল ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ভারতের আবেদনে বলা হয়, হিন্দুরা ভারতে চলে যাবার সঙ্গে সঙ্গে টাঙ্গাইল শাড়িও নিয়ে যায়। আসলে তা সত্য নয়। প্রচুর মুসলমান তাঁতি টাঙ্গাইলে রয়েছে যারা শাড়ির কাজ করে। এতে তথ্যের অপব্যবহার ও অসত্য তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।


জাতীয় এর আরও খবর

img

আমাকে দেখলে তো লোকে সংবিধান বলে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত :  ০৮:১৪, ২০ অক্টোবর ২০২৬

সংবিধানে ধর্মীয় বৈষম্য নিষিদ্ধ এবং প্রত্যেক নাগরিকের নিজ নিজ ধর্ম পালনের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ‘আমাকে দেখলে তো লোকে সংবিধান বলে। সংবিধানে যা আছে, আমরা তা বাস্তবায়ন করেছি এবং ভবিষ্যতেও করব।’

সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এবারের দুর্গাপূজায় সর্বোচ্চ ছুটি, নিরাপত্তা ও আনন্দ-সম্প্রীতি নিশ্চিত করা হয়েছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধানে ধর্মের ভিত্তিতে বৈষম্য না করার পাশাপাশি ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিএনপি সরকার এসব অধিকার নিশ্চিত করছে।

সংবিধানের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘আমাকে দেখলে তো লোকে সংবিধান বলে। তাহলে সংবিধান থেকে কিছু বলি, অনুচ্ছেদ ২৮-এ ধর্মের ভিত্তিতে বৈষম্য না করার কথা বলা হয়েছে, অনুচ্ছেদ ৪১-এ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের স্বাধীনতা নিশ্চিতের কথা বলা হয়েছে। বিএনপি সরকার এই সবকিছু নিশ্চিত করছে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘যারা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ভোটব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করেছেন, সেই আওয়ামী লীগই হিন্দুদের জমি দখল করে রেখেছে।’

বাংলাদেশের সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদে ধর্মসহ নির্দিষ্ট কিছু পরিচয়ের ভিত্তিতে বৈষম্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অন্যদিকে, ৪১ অনুচ্ছেদে আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের ধর্ম পালন, প্রচার ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের অধিকার স্বীকৃত হয়েছে।

ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার প্রসঙ্গ তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার সংবিধানের এসব অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে।

জাতীয় এর আরও খবর