img

নাজমুলের সেঞ্চুরিতে দাপুটে জয় বাংলাদেশের

প্রকাশিত :  ১৭:৫৭, ১৩ মার্চ ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ০১:৫৯, ১৪ মার্চ ২০২৪

নাজমুলের সেঞ্চুরিতে দাপুটে জয় বাংলাদেশের

অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরিতে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কাকে ৬ উইকেটে হারিয়ে দাপুটে জয় পেল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। এই জয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেল স্বাগতিকরা। 

টার্গেট তাড়া করতে নেমে ২৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে যায় বাংলাদেশ। সেই অবস্থা থেকে দলকে গর্ত থেকে টেনে তুলেন অধিনায়ক শান্ত।

চতুর্থ উইকেটে সাবেক অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সঙ্গে ৬২ বলে ৬৯ রানের জুটি গড়েন শান্ত। ৩৭ বলে চার বাউন্ডারি আর এক ওভার বাউন্ডারিতে ৩৭ রান করে ফেরেন রিয়াদ। 

১৫.৩ ওভারে ৯২ রানে ৪ উইকেট পতনের পর সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে জুটি গড়ে তুলেন শান্ত। পঞ্চম উইকেটে তারা ১৭৫ বলে ১৬৫ রানের অনবদ্য জুটি গড়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। 

অধিনায়ক শান্ত আর মুশফিকের অনবদ্য জুটিতে ৩২ বল আগেই ৬ উইকেট হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। দলের জয়ে ১২২ বলে ১৩টি চার আর দুটি ছক্কার সাহায্যে ক্যারিয়ার সেরা ১২২* রান করেন শান্ত।

ওয়ানডেতে এটাই তার সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। এর আগে গত বছরের ১১ মে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেন ১১৭ রানের ইনিংস। গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর লাহোরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলেন ১০৪ রানের ইনিংস।

শান্ত আজ প্রথম ৫০ বলে ৮টি চার আর এক ছক্কার সাহায্যে ফিফটি পূর্ণ করেন। আর তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন ১০৮ বলে।

শান্তর সঙ্গে দারুণ জুটি গড়ে ব্যাটিং করে যান মুশফিকুর রহিম। তিনি ৮৪ বলে ৮টি চারের সাহায্যে ৭৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। 

বুধবার চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ৪৮.৫ ওভারে ২৫৫ রানে অলআউট হয় শ্রীলংকা।

দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৭ রান করেন জানিত লিয়ানাগে। এছাড়া ৫৯ রান করেন লংকান অধিনায়ক কুশাল মেন্ডিস।

বাংলাদেশ দলের হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন তানজিদ হাসান তামিম ও তাসকিন আহমেদ। একটি করে উইকেট নেন পেস বোলার শরিফুল ইসলাম ও স্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজ।

খুলনাকে হারিয়ে প্রথম জয়ের স্বাদ নিল সিলেট

img

আমরা কাউকে ভয় পেতে আসিনি: হামজা

প্রকাশিত :  ০৭:৩৪, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাকার্তায় আজ বিকেলে লাওস-ব্রুনাই ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠছে ফিফা আসিয়ান কাপের। আগামীকাল বিকেল ৩টায় মালয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। প্রতিযোগিতার ডিভিশন-১-এ বাংলাদেশের হয়ে খেলছেন হামজা চৌধুরী ও জামাল ভূঁইয়ারা।

প্রতিপক্ষদের বেশিরভাগই র‍্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকলেও তাদের নিয়ে ভয় পাচ্ছেন না হামজা। বরং শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে খেলাকে অভিজ্ঞতা অর্জনের বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন শেফিল্ড ইউনাইটেডের এই ফুটবলার। একই সঙ্গে এসব ম্যাচে নিজেদের সামর্থ্যও যাচাই হয়ে যাবে বলে মনে করেন তিনি।

আসিয়ান কাপে অংশ নিতে গত ২০ সেপ্টেম্বর ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় পৌঁছায় বাংলাদেশ দল। পরদিন হামজা চৌধুরী ইংল্যান্ড থেকে সরাসরি জাকার্তায় গিয়ে দলের সঙ্গে যোগ দেন। গতকাল দলের সঙ্গে অনুশীলন শেষে গণমাধ্যমে প্রতিক্রিয়াও জানিয়েছেন তিনি। এমন বড় একটি টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পেরে বেশ আনন্দিত হামজা। এই আসর থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন করে দেশকে গর্বিত করতে চান তারকা এ ফুটবলার, ‘আমরা এখানে কাউকে ভয় পেতে আসিনি। আমরা জানি, আমাদের সামর্থ্য কতটুকু। এটি আমাদের জন্য শেখার সুযোগ। আমরা এখানে যতটা সম্ভব অভিজ্ঞতা অর্জন করতে এসেছি এবং আশা করি, আমাদের দেশকে গর্বিত করতে পারব।’ 

ইন্দোনেশিয়ায় আতিথেয়তা ও সুযোগ-সুবিধা নিয়েও সন্তুষ্ট হামজা। স্থানীয় মানুষের বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ এবং ফুটবলের জনপ্রিয়তায় তিনি মুগ্ধ, ‘এখানকার মানুষ খুব বন্ধুত্বপূর্ণ, অত্যন্ত দয়ালু। এখানে ফুটবলের বিশাল জনপ্রিয়তা রয়েছে এবং সুযোগ-সুবিধাও বেশ ভালো। আমি আগামী শুক্রবার মাঠে নামার জন্য মুখিয়ে আছি।’ 

প্রতিপক্ষ দলগুলো সম্পর্কেও ইতিবাচক হামজা। তাদের র‍্যাঙ্কিং, খেলোয়াড়দের মান এবং কোচের প্রশংসা করেন তিনি। তাঁর বিশ্বাস, আগামী বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে এই দলগুলো বেশ ভালো করবে। শেফিল্ডের এই তারকা বলেন, ‘তাদের র‍্যাঙ্কিং বেশ ভালো। তাদের দলে দারুণ মানসম্পন্ন খেলোয়াড় রয়েছে। খুব ভালো কোচও আছেন, বিশেষ করে পরবর্তী বিশ্বকাপে বাছাইপর্বে তারা যদি বিশ্বকাপে যাওয়ার দৌড়ে না থাকে, তাহলে আমি অবাকই হব।’ 

আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের তিন প্রতিপক্ষ ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান র‍্যাঙ্কিং ১১৮, মালয়েশিয়া ১৩৬তম এবং সিঙ্গাপুরের অবস্থান ১৪৮তম। ইংল্যান্ড থেকে আসার পথে বিমানে হামজার দেখা হয়েছে ইন্দোনেশিয়ার তরুণ ফুটবলার অ্যালকান ব্যাগটের সঙ্গে। তিনি ইংল্যান্ডের চ্যাম্পিয়নশিপের ক্লাব মিলওয়ালে খেলেন। তাঁর বিপক্ষে খেলার অপেক্ষায় আছেন হামজা। ব্যাগট তরুণ ও সম্ভাবনাময় হিসেবে বর্ণনা করেন তিনি। বাংলাদেশ দলের অনুশীলন নিয়েও সন্তুষ্ট হামজা। ইন্দোনেশিয়ার অনুশীলন মাঠ, হোটেল ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধারও বেশ প্রশংসা করেছেন তিনি, ‘অনুশীলনের জন্য আমরা দারুণ মাঠ পেয়েছি। আমরা এটি উপভোগ করেছি। মূল স্টেডিয়াম এখনও দেখিনি। আশা করছি, সেটিও ভালো হবে। হোটেল অসাধারণ, সবাই ভীষণ বন্ধুত্বপূর্ণ। আমরা সময়টা উপভোগ করছি।’


খেলাধূলা এর আরও খবর