img

ফিলিস্তিনকে এবার স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনা কানাডার

প্রকাশিত :  ০৫:৩১, ৩১ জুলাই ২০২৫

ফিলিস্তিনকে এবার স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনা কানাডার

ফ্রান্স ও ব্রিটেনের পর এবার ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার কথা ভাবছে কানাডা। দেশটির প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সম্মেলনে কানাডা আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেবে।

আজ বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান মার্ক কার্নি। খবর বিবিসি’র। 

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির ভাষ্যমতে,  এই স্বীকৃতি কিছু বিষয়ের ওপর নির্ভর করবে। সেগুলো হলো—ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষকে নিজেদের শাসন ব্যবস্থায় মৌলিক সংস্কার আনার, হামাসকে বাদ দিয়ে ২০২৬ সালে সাধারণ নির্বাচনের আয়োজন করার এবং এই ভূখণ্ডকে নিরস্ত্রীকরণের প্রতিশ্রুতি দিতে হবে। 

বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে মার্ক কার্নি বলেন, ফিলিস্তিনের গাজায় মানুষের দুর্দশা অসহনীয়। দ্রুত এর অবনতি হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম সম্মেলনে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে কানাডার।

এদিকে, সেপ্টেম্বরে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে বলে কয়েক দিন আগে জানিয়েছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। পরে ইসরায়েল কিছু শর্ত না মানলে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার কথা বলেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। 

ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের ঘোষণার পর থেকেই মার্ক কার্নির ওপর চাপ বাড়ছিল। এরই মধ্যে গত মঙ্গলবার তাকে উদ্দেশ করে একটি চিঠি লেখেন কানাডার প্রায় ২০০ জন সাবেক রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিক। তাতে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার আহ্বান জানানো হয়। 

চিঠিতে বলা হয়, দখলকৃত পশ্চিম তীর ও গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ড কানাডার স্বার্থ ও মূল্যবোধকে ক্ষুণ্ন করেছে।

প্রসঙ্গত, জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য দেশের মধ্যে বর্তমানে প্রায় ১৫০টি দেশই আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

পশ্চিমবঙ্গের পর এবার কুরবানি নিয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করল উত্তর প্রদেশ

প্রকাশিত :  ০৮:৪৮, ২৫ মে ২০২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পর এবার উত্তর প্রদেশে ঈদুল আজহার নামাজ ও কুরবানি নিয়ে নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেছেন, খোলা জায়গায় বা জনসমাগমস্থলে কুরবানি দেওয়া যাবে না। সেইসঙ্গে রাস্তা বন্ধ করে কোনোভাবেই ঈদের নামাজ পড়া যাবে না। সেইসঙ্গে ‘নিষিদ্ধ পশু’ কুরবানির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথাও জানিয়েছেন তিনি।

রোববার (২৪ মে) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠকে উত্তর প্রদেশ সরকার এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, জনসমাগমস্থল বা খোলা জায়গায় পশু কুরবানি করতে দেওয়া হবে না। পূর্ব-নির্ধারিত স্থানে কুরবানির অনুমতি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। উৎসব ঘিরে কোনো নতুন রীতি বা প্রথা চালু করা যাবে না বলে মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, নামাজ শুধুমাত্র প্রচলিত ও নির্ধারিত স্থানেই আদায় করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই নামাজের জন্য সড়ক বন্ধ করার অনুমতি দেওয়া যাবে না বলেও স্পষ্ট নির্দেশ দেন তিনি।

এছাড়া বৈধ কসাইখানাগুলোতেও নির্ধারিত ধারণক্ষমতার বেশি পশু রাখা যাবে না বলে জানান যোগী আদিত্যনাথ। উৎসব চলাকালে নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশও দেন মুখ্যমন্ত্রী।

এর আগে পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকার পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে গবাদিপশু কুরবানি ও জবাইয়ের নিয়মে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। এসব জটিল বিধিনিষেধের কারণে রাজ্যজুড়ে পশু বেচাকেনায় বড় ধরনের স্থবিরতা নেমে এসেছে এবং মুসলিম ও হিন্দু খামারি ও ব্যবসায়ীরা ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়েছেন।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর