img

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের পদ ছাড়ছেন তুলসী গ্যাবার্ড

প্রকাশিত :  ১৮:১২, ২২ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের পদ ছাড়ছেন তুলসী গ্যাবার্ড

পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ড। শুক্রবার (২২ মে) এক ঘোষণায় তিনি জানিয়েছেন, স্বামীর ক্যানসার আক্রান্ত হওয়ার কারণে পারিবারিক দায়িত্ব পালন ও তাকে সময় দেওয়ার জন্য তিনি আগামী জুন মাসের শেষে এই গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে দায়িত্ব অব্যাহতি নিচ্ছেন।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের টুইন টাওয়ার হামলার পর মার্কিন কংগ্রেস জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের পদটি সৃষ্টি করে। এটি মার্কিন সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল পদগুলোর একটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সাবেক কংগ্রেস সদস্য তুলসী গ্যাবার্ডকে ডোনাল্ড ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতে গত বছরের জানুয়ারিতে এই পদে মনোনীত করেছিলেন।

স্বামীকে ক্যানসার রোগ থেকে পুনরুদ্ধারে সহায়তা ও তার পাশে থাকার জন্য তুলসী গ্যাবার্ড এমন কঠিন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন বলে জানা গেছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছিলেন। জুন মাসের শেষ নাগাদ তিনি তার দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

তার এই আকস্মিক পদত্যাগের ঘোষণায় মার্কিন রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা মহলে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে ব্যক্তিগত সংকটের মুখে তার এই সিদ্ধান্তকে সবাই শ্রদ্ধার সঙ্গে দেখছেন।

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

ইরান এখন চুক্তি করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে: ট্রাম্প

প্রকাশিত :  ১৭:১০, ২২ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৯:২৫, ২২ মে ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান এখন 'চুক্তি করতে মরিয়া' হয়ে উঠেছে। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির চাপেই তেহরান আলোচনায় আগ্রহ দেখাচ্ছে। 

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বক্তব্যের শুরুতেই মার্কিন সামরিক শক্তির শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরে বলেন, আমাদের কাছে এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং সেরা সামরিক বাহিনী রয়েছে। এ সময় তিনি ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক সংকট এবং ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রশাসনের সাম্প্রতিক কৌশলগত পদক্ষেপ ও সামরিক তৎপরতার প্রসঙ্গ টেনে আনেন।

ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রভাব উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, ইরান এখন একটি চুক্তি করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। তবে সামনে কী ঘটে, তা আমাদের দেখতে হবে। তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে জানান যে, ইরানের ওপর মার্কিন প্রশাসন সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করেছে এবং দেশটির ওপর অত্যন্ত জোরালো আঘাত হানা হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই কঠোর পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, আমাদের সামনে এটি করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প বা উপায় ছিল না। কারণ ইরান কোনো অবস্থাতেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা অর্জন করতে পারে না। আমরা তাদের এটি কোনোভাবেই করতে দেব না।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞার যে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই বক্তব্য তারই ইঙ্গিত বহন করে। পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করে ইরানকে একটি নতুন ও কঠোর চুক্তিতে বাধ্য করাই যে ওয়াশিংটনের মূল লক্ষ্য, ট্রাম্পের এই হুশিয়ারিতে তা আবারও স্পষ্ট হলো।

সূত্র: আল-জাজিরা

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর