img

বিসিবির গেম ডেভলপমেন্ট চেয়ারম্যান হলেন আসিফ আকবর

প্রকাশিত :  ১১:৩৯, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিসিবির গেম ডেভলপমেন্ট চেয়ারম্যান হলেন আসিফ আকবর

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) গেম ডেভলপমেন্ট চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেলেন আসিফ আকবর। এই দায়িত্ব তিনি পেয়েছেন ইশতিয়াক সাদেকের স্থলাভিষিক্ত হয়ে, যিনি বিসিবির পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। 

গত ২২ ফেব্রুয়ারি বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভায় আসিফকে গেম ডেভেলপমেন্টের দায়িত্ব দেওয়া হয়। যদিও এখনো এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, বিসিবির একটি সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। 

এর আগে সবশেষ বিসিবি নির্বাচনে ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব থেকে কাউন্সিলরশিপ নিয়ে নির্বাচন করে পরিচালক পদ পেয়েছিলেন ইশতিয়াক সাদেক। তবে দায়িত্বের কয়েক মাসের মাথায় তার পদত্যাগ নিয়ে বিভিন্ন গুঞ্জন রটে। ইশতিয়াক নিজে অবশ্য জানিয়েছিলেন, সময় স্বল্পতার কারণে গেম ডেভেলপমেন্টের দায়িত্ব ঠিকভাবে সামলাতে পারছেন না, আর সে কারণেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত তার।

যদিও ইশতিয়াকের সেই পদত্যাগপত্র এখনও গ্রহণ করেনি বিসিবি। অন্যদিকে পরিচালক নির্বাচিত হওয়ার পর বিসিবির বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের দায়িত্ব পান আসিফ। এবার তার দায়িত্ব আরও বাড়লো। 

img

দেবীবরণে অংশ নিয়ে বিতর্কে নুসরাত জাহান, দিলেন কড়া জবাব

প্রকাশিত :  ১১:২২, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত জাহান বিজয়া দশমীতে দেবীবরণে অংশ নিয়ে নতুন করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন । লালপাড় সাদা শাড়িতে মণ্ডপে তার এই আচার পালনের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।

বিজয়া দশমীর দিনে এক পূজামণ্ডপে লালপাড় সাদা শাড়িতে সেজে দেবীবরণ সম্পন্ন করেন নুসরাত। তার সেই বিশেষ মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দি করেন অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত। পরে সেই ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

পোস্টটি সামনে আসার পর থেকেই নেটিজেনদের একাংশ তাকে কটাক্ষ করতে শুরু করে। তাদের বক্তব্য, অন্য ধর্মের মানুষ হয়ে কেন তিনি হিন্দু ধর্মের রীতিনীতি পালন করছেন? নুসরাতের ধর্মীয় নিষ্ঠা নিয়েও নানা প্রশ্ন তোলেন সমালোচকরা। এর আগেও বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে তার উপস্থিতি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।

তবে এই সমালোচনার মুখে চুপ থাকেননি অভিনেত্রী। নিজের ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও পছন্দের কথা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন তিনি। নুসরাতের মতে, উৎসবের আনন্দ কোনো একটি নির্দিষ্ট পরিচয়ের মধ্যে আটকে রাখা যায় না। নিজের পছন্দমতো ধর্মীয় রীতিনীতি নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের অধিকার সবারই রয়েছে এবং অন্যের মন্তব্যের কারণে নিজের বিশ্বাস বদলে ফেলতে তিনি রাজি নন।

দেবীবরণ কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া এই ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্মীয় পরিচয়, ব্যক্তিগত বিশ্বাস এবং উৎসব পালনের স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সূত্র: দ্য ওয়াল