img

সেনাবাহিনীর আরও ৬ উচ্চ পদে রদবদল

প্রকাশিত :  ১৫:২১, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সেনাবাহিনীর আরও ৬ উচ্চ পদে রদবদল

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে আরও ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সেনা সদর দপ্তর থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

\r\n

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এর আগে রবিবার সেনাবাহিনীর উচ্চ পর্যায়ে আরো ৮টি পদে রদবদল আনা হয়েছিল।

বদলি হওয়া সেনা কর্মকর্তারা হলেন ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের (এনডিসি) কমান্ড্যান্ট লে. জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হককে কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) করা হয়েছে। কিউএমজির দায়িত্ব পালন করা আসা লে. জেনারেল ফয়জুর রহমানের স্থলাভিষিক্ত হবেন লে. জেনারেল শাহীন। লে. জেনারেল ফয়জুরকে এনডিসিতে বদলি করা হয়।  

এ ছাড়া সামরিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের (এমআইএসটি) মেজর জেনারেল মো. নাসিম পারভেজের চাকরি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

মেজর জেনারেল মোহাম্মদ হোসেন আল মোরশেদকে ১৯ পদাতিক ডিভিশন থেকে সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল (এজি) করা হয়েছে। 

এ ছাড়া অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা মেজর জেনারেল মোহাম্মদ হাকিমুজ্জামানকে এমআইএসটির কমান্ড্যান্ট করা হয়। ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ কামরুল হাসানকে লজিস্টিক এরিয়ার জিওসি হিসবে বদলি করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ২২ ফেব্রুয়ারি  ৮ সেনা কমকর্তাকে বদলি করা হয়।

বদলিতে চিফ অব জেনারেল স্টাফ বা সিজিএস পদে নিয়োগ পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমান। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের বর্তমান প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসানকে রাষ্ট্রদূত করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়। এই পদে আসেন মেজর জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান।

জাতীয় এর আরও খবর

img

কৃষক ভালো থাকলে সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত :  ১০:২৫, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, কৃষক ভালো থাকলে সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকবে । মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

কৃষকদের বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, পহেলা বৈশাখ এখন সামাজিক অনুষ্ঠানে রূপ নিলেও এটি মূলত কৃষকদের সঙ্গে সম্পর্কিত। সেজন্য আজ এই কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করেছি।

প্রাথমিকভাবে ২২ হাজার কৃষক পাচ্ছেন এ কার্ড জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাঁচ বছরে পর্যায়ক্রমে ২ কোটি ৭৫ লাখ চাষি কৃষক কার্ড পাবেন। নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতির মধ্যে এটি অন্যতম। এছাড়া কৃষি ঋণ ১০ হাজার পর্যন্ত মওকুফ করেছি প্রথম সপ্তাহে। ১২ লাখ কৃষক এই সুবিধা পেয়েছেন।

তিনি বলেন, কৃষিনির্ভর এলাকায় কৃষির সঙ্গে সম্পর্কিত কলকারখানা গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে কৃষকরা আরও দাম পেতে পারেন। কৃষিপণ্যের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে গতকাল বসেছি। বিভিন্ন দেশ এবং দেশীয় ব্যবসায়ীরা কোল্ডস্টরেজ তৈরিতে আগ্রহী। এ বিষয়ে সরকার উদ্যোগী।

এখন দেশ পুনর্গঠনের সময় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সরকার জনগণের সরকার। লক্ষ্য দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন, দেশের উন্নয়ন। সবাই নিজের দেশকে ভালো দেখতে চায়। আমরা সেই লক্ষ্য অর্জন করতে চাই। এর জন্য জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‘সারাদেশে খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হবে কৃষক ও কৃষির সুবিধার্থে। ভূগর্ভস্থ পানির দিকে নজর দিতে হবে। কারণে এটি কমতে শুরু করেছে। তাই যেনো সেটাকে বাঁচানো যায়, এর উদ্যোগ নেবে সরকার’।

 


জাতীয় এর আরও খবর