img

সংরক্ষিত আসন: আলোচনায় থেকেও বিএনপির মনোনয়ন পাননি যারা

প্রকাশিত :  ১১:১৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬

সংরক্ষিত আসন: আলোচনায় থেকেও বিএনপির মনোনয়ন পাননি যারা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সংরক্ষিত আসনে ৩৬ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে । তালিকায় অনেক তরুণ, ত্যাগী ও অভিজ্ঞরা স্থান পেয়েছেন। তবে মনোনয়ন ফরম কেনার পর আলোচনায় থেকেও বাদ পড়েছেন অনেক প্রার্থী।

সোমবার রাজধানীর নয়াপল্টন দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।

দলীয় সূত্র জানায়, মোট এক হাজার ২৫টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়। এর মধ্যে প্রায় ৯০০ জন তাদের মনোনয়ন ফরম জমা দেন।

মনোনয়ন ফরম বিক্রির সময় থেকে এবার সবচেয়ে আলোচনায় ছিল কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা ও বেবী নাজনীনের নাম। অন্যদিকে জুলাই যোদ্ধা হিসেবে পরিচিত ফারজানা সিঁথিও ছিলেন আলোচনায়।

তবে চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পাননি তারা। মনোনয়ন ফরম কিনেছিলেন মডেল মেঘনা আলম ও ছোট পর্দার অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক। তালিকায় নেই তাদের নামও।

অন্যদিকে রাজনৈতিক অজ্ঞনে আলোচনায় থাকা অনেক প্রার্থীর নামও বাদ পড়েছে।

এদের মধ্যে রয়েছেন- জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি ও মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাস, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সহধর্মিণী ও মহিলা দলের সহসভাপতি নাজমুন নাহার বেবী। মহিলা দলের কৃষিবিষয়ক সম্পাদক সেলিনা হাফিজ।

বাদ পড়া তালিকায় রয়েছেন দীর্ঘ দিনের বিএনপির রাজনীতি করা অনেক নেতার স্ত্রী ও নেত্রীদের নাম। তারা হলেন- বিএনপির প্রয়াত নেতা মওদুদ আহমদের স্ত্রী হাসনা জসিমউদ্‌দীন মওদুদ, খিলগাঁও মডেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের শিক্ষক রোকেয়া চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর স্ত্রী সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ, সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া।

সংবাদ সম্মেলনে রিজভী জানান, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দিতে জাতীয় কমিটির সদস্যরা দুই দিনব্যাপী সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন।

সাক্ষাৎকার শেষে মনোনয়ন বোর্ড ৩৬ জনকে মনোনীত করেছে।

img

সংরক্ষিত আসন: বিএনপির এমপি হচ্ছেন ‘আওয়ামী লীগ নেত্রী’ সুবর্ণা

প্রকাশিত :  ১১:১৬, ২০ এপ্রিল ২০২৬

বিএনপি আজ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে । মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে আওয়ামী লীগের এক নেত্রীকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

আলোচিত সুবর্ণা ঠাকুর গোপালঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক। বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ার পর তিনি দাবি করছেন, আওয়ামী লীগের কমিটিতে অনুমতি না নিয়েই তার নাম রাখা হয়েছিল।

কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ৩০ নভেম্বর কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পরের বছর ১ জানুয়ারি কমিটির পূর্ণাজ্ঞ তালিকা প্রকাশ করা হয়। গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাবুদ্দিন আজম স্বাক্ষরিত ওই তালিকার ২৭ নম্বরে বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আছে সুবর্ণা ঠাকুরের নাম।

বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় চলছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুবর্ণা ঠাকুর কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কমিটিতে আমার স্ব-ইচ্ছায় নাম ছিল না। অনুমতি ছাড়াই কমিটিতে পদ দেওয়া হয়েছিল।

আওয়ামী লীগের কোনো রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলাম না।’

তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও কর্মসূচিতে সুবর্ণা ঠাকুরের উপস্থিতি দেখা গেছে।

গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক মণ্ডলীর এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সুবর্ণা ঠাকুর উপজেলা আওয়ামী লীগের পদে ছিলেন। এখন তিনি অস্বীকার করে থাকলে ঠিক করছেন না। নতুন পদ-পদবী পাওয়ার জন্য তিনি দলের সঙ্গে প্রতারণা করছেন।

বাংলাদেশ এর আরও খবর