img

বগুড়া-৬ উপনির্বাচন : দ্বিগুণ ভোটে বিজয়ী বিএনপির বাদশা

প্রকাশিত :  ১২:৫৭, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৬:১৩, ০৯ এপ্রিল ২০২৬

বগুড়া-৬ উপনির্বাচন : দ্বিগুণ ভোটে বিজয়ী বিএনপির বাদশা

বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে বড় জয় পেয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা। তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত চূড়ান্ত ফলাফলে এই তথ্য জানা গেছে।

ফলাফল অনুযায়ী, আসনের মোট ১৫১টি কেন্দ্রে রেজাউল করিম বাদশা পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৩১ ভোট।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) পেয়েছেন ৫৭ হাজার ১৫৯ ভোট। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী আল আমিন তালুকদার (ফুলকপি প্রতীক) পেয়েছেন ৫২৬ ভোট।

জেলা নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, এবারের উপনির্বাচনে ৪৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। এর আগে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ করা হয়।

নির্বাচনে ৩ হাজার ৭৩৬টি পোস্টাল ব্যালটের মধ্যে জমা পড়েছিল ১ হাজার ৬৮টি ভোট। পোস্টাল ব্যালটেও আধিপত্য ধরে রেখেছেন ধানের শীষের প্রার্থী; তিনি পেয়েছেন ৭১৬ ভোট।

মাঠের পরিস্থিতি সম্পর্কে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ফজলুল করিম জানান, পুরো নির্বাচনী এলাকায় পরিবেশ স্বাভাবিক ছিল এবং কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবির পাশাপাশি স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনাবাহিনী এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা দায়িত্ব পালন করেছেন।

ভোট গ্রহণ শেষে কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল একীভূত করার পর রাতে চূড়ান্ত বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়।

img

‘বাচ্চা কান্দে ক্যান’ বলে মুখ চেপে ধরে হত্যার অভিযোগ

প্রকাশিত :  ১২:২৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

\'এতো ভোরে তোর বাচ্চা কাঁন্দে ক্যান। কান্না থামা, নাইলে মাইরা ফালামু\'- এমন কথা বলে তিন মাসের শিশুর মুখ চেপে ধরে মায়ের সামনে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সৎবাবার বিরুদ্ধে।

আজ শুক্রবার ভোরে ঢাকার দারুস সালাম থানার বর্ধনবাড়ী এলাকায় একটি বাসায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।

শিশুটির মা রাজিয়া খাতুন দারুস সালাম থানায় স্বামী অপূর্বর (২২) বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। শুক্রবারই তাকে আদালতে পাঠানো হয়। আদালত কারাগারে পাঠিয়েছেন তাকে।

পুলিশ জানিয়েছে, রাজিয়া খাতুনের প্রথম স্বামীর ঘরে দুই সন্তান। বড় মেয়ে তার সাভারে নানীর কাছে থেকে। সপ্তাহখানেক আগে তিন মাসের ছেলেকে কোলে নিয়ে অপূর্বের সঙ্গে রাজিয়ার দ্বিতীয় বিয়ে হয়। অবশ্য অপূর্বর এটি প্রথম বিয়ে। তারা বর্ধনবাড়ী এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। অপূর্ব মাদকাসক্ত এবং এলাকায় খুচরা মাদক বিক্রি করেন।

দারুস সালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম জাকারিয়া সমকালকে বলেন, শুক্রবার ভোরে শিশুটি বিছানায় মায়ের পাশে কান্নাকাটি করছিল। এ সময় ঘুম থেকে জেগে উঠে অপূর্ব স্ত্রীকে শিশুর কান্না থামাতে বলে। কান্না না থামালে শিশুকে মেরে ফেলার বলে হুমকি দেন। শিশুটির কান্না থামছিল না। এ সময় অপূর্ব হাত দিয়ে তার মুখ চেপে ধরে। একপর্যায়ে দম বন্ধ হয়ে শিশুটির মৃত্যু হয়।

ওসি জাকারিয়া আরও বলেন, শিশুটির মা রাজিয়ার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে অপূর্বকে আটক করে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় আনে। শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।