img

মাধবপুরে সালিশ বৈঠকে সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত, আহত ২০

প্রকাশিত :  ০৭:৫৯, ০৮ এপ্রিল ২০২৬

 মাধবপুরে সালিশ বৈঠকে সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত, আহত ২০

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুরে জমিসংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মোহাম্মদ আলী (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোহাম্মদ আলীর মৃত্যু হয়। তিনি উপজেলার বুল্লা গ্রামের বাসিন্দা রুস্তম আলীর ছেলে।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা জানান, বুল্লা গ্রামের মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে একই গ্রামের কামাল মিয়ার দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সোমবার একটি সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। তবে বৈঠকের একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।

কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।

গুরুতর আহত মোহাম্মদ আলীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হলে মঙ্গলবার তিনি মারা যান।

img

‘বাচ্চা কান্দে ক্যান’ বলে মুখ চেপে ধরে হত্যার অভিযোগ

প্রকাশিত :  ১২:২৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

\'এতো ভোরে তোর বাচ্চা কাঁন্দে ক্যান। কান্না থামা, নাইলে মাইরা ফালামু\'- এমন কথা বলে তিন মাসের শিশুর মুখ চেপে ধরে মায়ের সামনে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সৎবাবার বিরুদ্ধে।

আজ শুক্রবার ভোরে ঢাকার দারুস সালাম থানার বর্ধনবাড়ী এলাকায় একটি বাসায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।

শিশুটির মা রাজিয়া খাতুন দারুস সালাম থানায় স্বামী অপূর্বর (২২) বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। শুক্রবারই তাকে আদালতে পাঠানো হয়। আদালত কারাগারে পাঠিয়েছেন তাকে।

পুলিশ জানিয়েছে, রাজিয়া খাতুনের প্রথম স্বামীর ঘরে দুই সন্তান। বড় মেয়ে তার সাভারে নানীর কাছে থেকে। সপ্তাহখানেক আগে তিন মাসের ছেলেকে কোলে নিয়ে অপূর্বের সঙ্গে রাজিয়ার দ্বিতীয় বিয়ে হয়। অবশ্য অপূর্বর এটি প্রথম বিয়ে। তারা বর্ধনবাড়ী এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। অপূর্ব মাদকাসক্ত এবং এলাকায় খুচরা মাদক বিক্রি করেন।

দারুস সালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম জাকারিয়া সমকালকে বলেন, শুক্রবার ভোরে শিশুটি বিছানায় মায়ের পাশে কান্নাকাটি করছিল। এ সময় ঘুম থেকে জেগে উঠে অপূর্ব স্ত্রীকে শিশুর কান্না থামাতে বলে। কান্না না থামালে শিশুকে মেরে ফেলার বলে হুমকি দেন। শিশুটির কান্না থামছিল না। এ সময় অপূর্ব হাত দিয়ে তার মুখ চেপে ধরে। একপর্যায়ে দম বন্ধ হয়ে শিশুটির মৃত্যু হয়।

ওসি জাকারিয়া আরও বলেন, শিশুটির মা রাজিয়ার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে অপূর্বকে আটক করে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় আনে। শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।