img

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লা সীমান্তে পৃথক অভিযানে ৭০ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় অবৈধ মালামাল জব্দ করেছে বিজিবি

প্রকাশিত :  ১৩:২০, ১২ এপ্রিল ২০২৬

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লা জেলার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করে ৭০ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ মালামাল জব্দ করেছে।

অদ্য ১২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ বিভিন্ন বিওপির টহলদল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার গোসাইস্থল, কাজিয়াতলী, চন্ডিদার, কসবা, মঈনপুর, মাদলা ও খাদলা এলাকা এবং কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া, বুড়িচং ও আদর্শ সদর উপজেলার সালদানদী, শশীদল, শংকুচাইল ও খারেরা সীমান্ত এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করে।

উক্ত অভিযানে ভারতীয় শাড়ি, বাজি, জিরা, বাসমতি চাল, ফুসকা, চিংড়ি মাছের রেণু, জনসন বেবি পাউডার, সাবান, রেডবুল এনার্জি ড্রিংকস, মশার কয়েল এবং অকটেনসহ বিভিন্ন প্রকার ভারতীয় অবৈধ মালামাল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত এসব মালামালের আনুমানিক সিজারমূল্য ৭০,০৪,১২০/- (সত্তর লক্ষ চার হাজার একশত বিশ) টাকা।

জব্দকৃত মালামালসমূহ যথাযথ আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কাস্টমস অফিসে জমা প্রদানের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ ব্যাপারে সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম, এএসসি জানান, “বিজিবি হবে সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক\"- বিজিবি মহাপরিচালকের এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি চোরাচালান প্রতিরোধে সর্বদা তৎপর রয়েছে। এ লক্ষ্যে সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযানিক কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

img

‘বাচ্চা কান্দে ক্যান’ বলে মুখ চেপে ধরে হত্যার অভিযোগ

প্রকাশিত :  ১২:২৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

\'এতো ভোরে তোর বাচ্চা কাঁন্দে ক্যান। কান্না থামা, নাইলে মাইরা ফালামু\'- এমন কথা বলে তিন মাসের শিশুর মুখ চেপে ধরে মায়ের সামনে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সৎবাবার বিরুদ্ধে।

আজ শুক্রবার ভোরে ঢাকার দারুস সালাম থানার বর্ধনবাড়ী এলাকায় একটি বাসায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।

শিশুটির মা রাজিয়া খাতুন দারুস সালাম থানায় স্বামী অপূর্বর (২২) বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। শুক্রবারই তাকে আদালতে পাঠানো হয়। আদালত কারাগারে পাঠিয়েছেন তাকে।

পুলিশ জানিয়েছে, রাজিয়া খাতুনের প্রথম স্বামীর ঘরে দুই সন্তান। বড় মেয়ে তার সাভারে নানীর কাছে থেকে। সপ্তাহখানেক আগে তিন মাসের ছেলেকে কোলে নিয়ে অপূর্বের সঙ্গে রাজিয়ার দ্বিতীয় বিয়ে হয়। অবশ্য অপূর্বর এটি প্রথম বিয়ে। তারা বর্ধনবাড়ী এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। অপূর্ব মাদকাসক্ত এবং এলাকায় খুচরা মাদক বিক্রি করেন।

দারুস সালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম জাকারিয়া সমকালকে বলেন, শুক্রবার ভোরে শিশুটি বিছানায় মায়ের পাশে কান্নাকাটি করছিল। এ সময় ঘুম থেকে জেগে উঠে অপূর্ব স্ত্রীকে শিশুর কান্না থামাতে বলে। কান্না না থামালে শিশুকে মেরে ফেলার বলে হুমকি দেন। শিশুটির কান্না থামছিল না। এ সময় অপূর্ব হাত দিয়ে তার মুখ চেপে ধরে। একপর্যায়ে দম বন্ধ হয়ে শিশুটির মৃত্যু হয়।

ওসি জাকারিয়া আরও বলেন, শিশুটির মা রাজিয়ার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে অপূর্বকে আটক করে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় আনে। শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।