img

৪ লাখ টাকা পর্যন্ত জমায় আবগারি শুল্ক লাগবে না

প্রকাশিত :  ১২:৪২, ১১ জুন ২০২৬

৪ লাখ টাকা পর্যন্ত জমায় আবগারি শুল্ক লাগবে না

অর্থমন্ত্রী ব্যাংকে জমা উত্তোলনে কর ছাড় বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন। তিন লাখ টাকার পরিবর্তে চার লাখ টাকা পর্যন্ত স্থিতির ওপর কোনো কর না নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সাথে একটি ঋণের বিপরীতে একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলা হলেও একবারই শুল্ক কাটার প্রস্তাব করেছেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র আমানতকারীদের স্বস্তি দিতে শুল্ক অব্যাহতির সীমা বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া ব্যাংকিং ব্যবস্থায় একটি ঋণ হিসাবের বিপরীতে একাধিক ডিল বা অ্যাকাউন্ট খোলা হলে প্রতিটির বিপরীতে আবগারি শুল্ক কাটা হয়। এখন একবারই কাটা হবে।

২০২৫–২৬ অর্থবছরের আগ পর্যন্ত জমা স্থিতির পরিমাণ এক লাখ টাকা পার হলেই আবগারি শুল্ক কাটা হতো। আর আমানতের ওপরই কেবল আবগারি শুল্ক কাটা হয় তেমন না। আমানত, ঋণ বা অন্য যে কোনো ধরনের জমার ভিত্তিতে বছরে একবার আবগারি শুল্ক বা এক্সাইজ ডিউটি কেটে সরকারি কোষাগারে জমা করে ব্যাংকগুলো।

আবগারি শুল্কের বাইরে আমানতে অর্জিত মুনাফার ওপর আলাদা কর নেয় সরকার। এক্ষেত্রে যাদের রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র রয়েছে তাদের ১০ শতাংশ এবং যাদের নেই তাদের ১৫ শতাংশ হারে শুল্ক দিতে হয়। এর বাইরে ব্যাংকগুলো সার্ভিস চার্জসহ বিভিন্ন ধরনের ফি নিয়ে থাকে।

 

img

দুর্বল ব্যাংক পুনর্গঠনে ৪০ হাজার কোটি টাকার ব্যয়ের ঘোষণা

প্রকাশিত :  ১২:৫২, ১১ জুন ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৫:৩১, ১১ জুন ২০২৬

২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের ব্যাংক ও আর্থিক খাতে সুশাসন ও শৃঙ্খলা জোরদারের লক্ষ্যে ‘ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি ব্যবস্থা’ চালুর প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘ঋণ কেলেঙ্কারি’ ও আর্থিক সংকটে দুর্বল হয়ে পড়া ব্যাংকগুলোর সক্ষমতা পুনরুদ্ধারে এ উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী জানান, দুর্বল ব্যাংকগুলোর পুনর্গঠন, প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে পুনর্মূলধনীকরণ এবং ব্যবস্থাপনা সংস্কারের মাধ্যমে আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা ফেরানো হবে। এ জন্য চলতি অর্থবছরে সরকার প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, ব্যাংক ও আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে আমানতকারীদের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি পুঁজিবাজার সংস্কারের মাধ্যমে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী দাবি করেন, গত দুই দশকে ব্যাংকিং খাতে মূলধন পর্যাপ্ততার অনুপাত কমে ঋণাত্মক পর্যায়ে নেমেছে এবং বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধিও কমেছে, যা আর্থিক খাতের স্থবিরতার ইঙ্গিত দেয়।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, মূলধন পর্যাপ্ততা ও করপোরেট গভর্ন্যান্স শক্তিশালী করা হবে, যাতে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘমেয়াদে টেকসই ও প্রতিযোগিতামূলক হতে পারে।

এছাড়া নারী, তরুণ উদ্যোক্তা ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য অর্থায়নের সুযোগ বাড়িয়ে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথাও জানান অর্থমন্ত্রী।

সবশেষে তিনি বলেন, সরকার ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে সরে এসে বিনিয়োগভিত্তিক ও টেকসই অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তুলতে কাজ করছে।