img

বেড়িবাঁধের বরাদ্দের এক টাকাও লুটপাট হতে দেব না: নাহিদ ইসলাম

প্রকাশিত :  ১৪:৫৯, ১২ জুলাই ২০২৬

বেড়িবাঁধের বরাদ্দের এক টাকাও লুটপাট হতে দেব না: নাহিদ ইসলাম

চট্টগ্রামের আনোয়ারা বেড়িবাঁধ নির্মাণে বরাদ্দকৃত অর্থের এক টাকাও অপচয় বা লুটপাট হতে দেওয়া হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামের আনোয়ারার সবচেয়ে বড় সমস্যা উপকূলীয় বেড়িবাঁধ। এই বেড়িবাঁধ নির্মাণের নামে অতীতে হাজার হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ দেওয়া হলেও আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তা লুটপাট করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরেও বাঁধ নির্মাণে বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আমরা আপনাদের কথা দিচ্ছি, এবারের বাজেটের একটি টাকাও কাউকে দুর্নীতি, লুটপাট হতে দেব না। 

নাহিদ ইসলাম বলেন, সংসদে বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরে দ্রুত কাজ বাস্তবায়নের দাবি জানানো হবে ।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের গহিরা দোভাষী বাজার এলাকায় বন্যা ও জলাবদ্ধতায় পানিবন্দী মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ শেষে উপকূলীয় বেড়িবাঁধের অবস্থা নিয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, পুরো বাংলাদেশের মানুষ চট্টগ্রামের মানুষদের নিয়ে উদ্বিগ্ন। এসময় সারা দেশের মানুষের প্রতি সক্ষমতা অনুযায়ী চট্টগ্রামবাসীদের পাশে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামের মানুষ খুবই কষ্টে আছে। তারা দীর্ঘ সময় ধরে পানি বন্দি আছেন।  সরকার অবহেলা হোক আর যে কারণেই হোক, সামাল দিতে পারছে না। এখন দোষারোপ করে লাভ নেই। মূল জিনিস হল মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় দল-মত নির্বিশেষে সামর্থ্যবান ব্যক্তি, ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষকে একযোগে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি । 


 

জাতীয় এর আরও খবর

img

শেখ হাসিনার দেশে ফিরে সরাসরি আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর

প্রকাশিত :  ১১:৫৬, ১২ জুলাই ২০২৬

গণঅভ্যুত্থাানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ফিরে সরাসরি আত্মসমর্পণের কোনো আইনি সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। রোববার (১২ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি স্পষ্ট করেন যে, শেখ হাসিনা চাইলেই সাধারণ নাগরিকদের মতো স্বাধীনভাবে দেশে ফিরতে পারবেন না।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারত সরকারের নিয়ন্ত্রণে নির্বাসনে রয়েছেন। তিনি যদি দেশে ফিরতে চান, তবে অবশ্যই বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতা ও কূটনৈতিক আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আসতে হবে। তিনি যখনই দেশের মাটিতে পা রাখবেন, তখনই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে এবং সরাসরি কারাগারে পাঠানো হবে।

ট্রাইব্যুনালের চলমান মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে চিফ প্রসিকিউটর জানান, ২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে হত্যাকাণ্ডের মামলার তদন্ত শেষ হয়েছে। আগামী ২১ জুলাই এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে। এছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত নৃশংসতা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রধান ১০টি মামলার তদন্ত কাজ এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। খুব দ্রুতই এই প্রতিবেদনগুলো আদালতে পেশ করা হবে।

অর্থাৎ, শেখ হাসিনার দেশে ফেরা এবং আত্মসমর্পণ—উভয় ক্ষেত্রেই আইনি ও কূটনৈতিক জটিলতা রয়েছে এবং দেশে ফেরার সঙ্গে সঙ্গেই তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের এই শীর্ষ আইন কর্মকর্তা।


জাতীয় এর আরও খবর