img

এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণ কবে থেকে, আবেদন করবেন যেভাবে

প্রকাশিত :  ০৮:১৯, ১০ আগষ্ট ২০২৬

এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণ কবে থেকে, আবেদন করবেন যেভাবে

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরদিন থেকেই ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে। আগামী ১১ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে এ আবেদন চলবে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত। অনলাইনে নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবেন।

গত শনিবার (৮ আগস্ট) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এর ফল প্রকাশের পর ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হবে।

এ জন্য https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd -এ গিয়ে নির্ধারিত স্থানে রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর পূরণ করতে হবে এবং বোর্ড ড্রপ ডাউন থেকে বোর্ড নির্বাচন করতে হবে। অতঃপর সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর মোবাইল ফোন নম্বর দিতে হবে।

পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশ হলে এ নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে। পরবর্তী স্ক্রিনে শিক্ষার্থীর বিষয় ভিত্তিক ফলাফল দেখা যাবে। এক বা একাধিক বিষয়ে ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য বিষয়গুলো নির্বাচন করে ‘ফি প্রদান করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।

প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা হারে ফি প্রযোজ্য হবে। দ্বিপত্র বিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয় পত্রের আবেদন করতে হবে। পরবর্তী স্ক্রিনে প্রদেয় ফিয়ের পরিমাণ দেখা যাবে। বিকাশ, নগদ, সোনালী সেবা-এর মাধ্যমে ফি পরিশোধ করা যাবে। ফি পরিশোধের বিস্তারিত ধাপগুলো ওপরে দেওয়া পোর্টালের ‘হেয়’ বাটনে ক্লিক করে দেখে নেওয়া যাবে। ফি পরিশোধ করে আবেদনের পোর্টালে এসে ‘জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। ফি দিয়ে একবার আবেদন জমা দেওয়ার পরে আরো বিষয় যুক্ত করতে চাইলে একইভাবে তা করা যাবে। তবে এ ক্ষেত্রে নতুনভাবে মোবাইল ফোন নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

এ ছাড়া ফি পরিশোধের আগেই যদি আবেদন পরিবর্তন বা পরিমার্জনের প্রয়োজন হয়, সে ক্ষেত্রে ‘মুছে ফেলুন’ বাটনে ক্লিক করে নির্বাচিত বিষয়গুলো (যেগুলোর জন্য এখনো ফি দেওয়া হয়নি) প্রত্যাহার করা যাবে এবং নতুন করে বিষয় নির্বাচন করা যাবে।

তবে একবার ফি জমা দিলে আবেদনকৃত বিষয়গুলো আর বাতিল করা যাবে না এবং কোনো অবস্থাতেই ফি ফেরত দেওয়া হবে না। ম্যানুয়াল কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। 

img

মন খুলে গান গাওয়া যায়, পরীক্ষায় নম্বর দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত :  ০৮:২২, ১০ আগষ্ট ২০২৬

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। গতবারের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে প্রায় ৬ শতাংশ। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

ফলাফলের এই নিম্নমুখী প্রবণতা নিয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমে যাওয়ার পেছনে পরীক্ষার মান, মূল্যায়ন পদ্ধতি কিংবা শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির ঘাটতি—কোন বিষয়গুলো বেশি প্রভাব ফেলেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ফলাফল ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সেখানে উঠে আসে এই তথ্য।

পরীক্ষায় পাসের হার কমে যাওয়া নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘মন খুলে গান গাওয়া যায়, পরীক্ষায় নম্বর দেওয়া যায় না।’

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই মন্তব্য করেন।

শিক্ষকরা খাতা মূল্যায়ন ও নম্বর প্রদানে এবার কঠোর অবস্থান নিয়েছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, মন খুলে গান গাওয়া গেলেও নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে তেমন উদারতা দেখানোর সুযোগ নেই।

এ বছর গড় পাসের হার আগের বছরের তুলনায় নিম্নমুখী। পরিসংখ্যান বলছে, শূন্য শতাংশ পাসের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এবার শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠান দাঁড়িয়েছে ৫৭টিতে, গত বছর যা ছিল ৪৮টি। 

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে এ সংখ্যা এবার ২২৬টি, যেখানে ২০২৫ সালে ছিল মাত্র ৮৬টি। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে গত বছর কোনো প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাসের হার না থাকলেও এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯টিতে।

শিক্ষা এর আরও খবর