img

ডিএসইর শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে বিএসইসির কমিটি

প্রকাশিত :  ১০:১৩, ১৩ আগষ্ট ২০২৬

ডিএসইর শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে বিএসইসির কমিটি

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আর্থিক অব্যবস্থাপনা, করপোরেট সুশাসনের ঘাটতি, অনিয়মিত নিয়োগ ও সিকিউরিটিজে লেনদেনে সম্পৃক্ততার অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছে পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এ বিষয়ে একটি আদেশও জারি করেছে কমিশন। 

অনুসন্ধান কর্মকর্তাদের আদেশ জারির তারিখ থেকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে অনুসন্ধান সম্পন্ন করতে হবে।

সম্প্রতি জারি করা এসংক্রান্ত এক আদেশে কমিশন জানিয়েছে, পুঁজিবাজারের বৃহত্তর স্বার্থ এবং স্টক এক্সচেঞ্জের সুষ্ঠু প্রশাসন নিশ্চিত করতে এ অনুসন্ধান পরিচালনা করা প্রয়োজন।

কমিশনের আদেশে বলা হয়েছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের একজন শেয়ারহোল্ডার সদস্যের উত্থাপিত অভিযোগে ব্যাপক আর্থিক অব্যবস্থাপনা, করপোরেট সুশাসনের অভাব এবং অনিয়মিত নিয়োগের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা অনুসন্ধানের আওতায় আনা হয়েছে।

এ ছাড়া ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা, মহাব্যবস্থাপকসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা সিকিউরিটিজে লেনদেন বা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হবে। শীর্ষ কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্য বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পুঁজিবাজারের এমন কোনো ব্যবসায় যুক্ত আছেন কি না, যেখানে কর্মকর্তাদের সঙ্গে আস্থাভিত্তিক সম্পর্ক রয়েছে, তা-ও অনুসন্ধান করা হবে।

শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়োগ ও পুনর্নিয়োগের ক্ষেত্রেও অনুসন্ধান হবে। বিশেষ করে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সংশ্লিষ্ট কমিটি, মনোনয়ন ও পারিশ্রমিক কমিটি এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালকের ভূমিকা পরীক্ষা করা হবে।

চুক্তিভিত্তিক পদ, উপদেষ্টা এবং শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়োগ ও পুনর্নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, সেটিও অনুসন্ধানের বিষয় হিসেবে রাখা হয়েছে।

কমিশনের আদেশে আরো বলা হয়েছে, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯-এর ধারা ১৯ অনুযায়ী গোপনীয়তা রক্ষার বিধান ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা ও শীর্ষ কর্মকর্তারা যথাযথভাবে মেনে চলেছেন কি না, তা পরীক্ষা করা হবে।

অনুসন্ধান পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের তিন কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন পরিচালক এ এস এম মাহমুদুল হাসান, অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ শামসুর রহমান এবং সহকারী পরিচালক মো. মতিউর রহমান।



অর্থনীতি এর আরও খবর

img

চলতি মাসে আরও ৫ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার

প্রকাশিত :  ১৪:০১, ১৩ আগষ্ট ২০২৬

চলতি আগস্ট মাসে আরও পাঁচ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করবে সরকার। এসব কার্গোতে মোট প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (এমএমবিটিইউ) গ্যাস থাকবে। 

বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) পরিচালক (অর্থ) একেএম মিজানুর রহমান বলেন, ‘গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখতে আগস্ট মাসে আরও ৫ কার্গো এলএনজি নিশ্চিত করা হয়েছে। এগুলো স্পট মার্কেট, দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় কেনা হয়েছে।’

তিনি বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশ তিন ধরনের উৎস থেকেই নিয়মিত এলএনজি আমদানি করছে। গড়ে প্রতিটি কার্গোতে প্রায় ৩২ লাখ এমএমবিটিইউ এলএনজি থাকে।

মিজানুর রহমান আরও জানান, আগস্ট মাসে মোট ৯ কার্গো এলএনজি আমদানি করা হবে। ইতোমধ্যে ৪ কার্গো দেশে পৌঁছেছে। বাকিগুলো এ মাসেই চলে আসবে। আমদানি করা ৯ কার্গোতে মোট এলএনজির পরিমাণ রয়েছে ২ কোটি ৮৮ লাখ এমএমবিটিইউ।

পেট্রোবাংলা সূত্র জানিয়েছে, আগস্ট মাসের জন্য দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় ১, স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় ৫ এবং স্পট মার্কেট থেকে ৩ কার্গো এলএনজি কেনা হয়েছে। বাকি চালানগুলো ১৭, ২১, ২৩, ২৭ ও ৩০ আগস্টের দেশে পৌঁছাবে।

এর আগে গত জুলাই মাসে দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তি এবং স্পট মার্কেটের মাধ্যমে মোট ১১ কার্গো এলএনজি আমদানি করা হয়েছে। যার পরিমাণ ছিল প্রায় ৩ কোটি ৫২ লাখ এমএমবিটিইউ।

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) তথ্য অনুযায়ী, কাতারভিত্তিক কাতার অ্যানার্জি এবং ওমান সরকারের জ্বালানি ও পণ্য বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান ওকিউ ট্রেডিং দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে এলএনজি সরবরাহ করে থাকে।

এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক ওকিউ ট্রেডিং স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় বাংলাদেশকে এলএনজি সরবরাহ করছে।

উল্লেখ্য, প্রতি মাসে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে সরকার স্পট মার্কেট থেকেও এলএনজি কার্গো সংগ্রহ করে থাকে।


অর্থনীতি এর আরও খবর