img

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথের সমর্থন চায় বাংলাদেশ

প্রকাশিত :  ০৪:৪২, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথের সমর্থন চায় বাংলাদেশ

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সম্মিলিত সমর্থন চেয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু সহনশীলতা, জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তাসহ বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যৌথ উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড’ কার্যকর করা এবং কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বিনিয়োগ বাড়াতে সমন্বিত কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার রাজধানী সেন্ট জনসে আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অব অ্যান্টিগুয়ায় (এইউএ) অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের (সিএফএএমএম) রিট্রিট অধিবেশনে বক্তব্য দেন হুমায়ুন কবির।

বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ক্রমবর্ধমান জটিল বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু সহনশীলতা, জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তা এবং উদীয়মান প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোকে নতুন করে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ডের কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

একই সঙ্গে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বিনিয়োগ প্রবাহ বাড়াতে সমন্বিত কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির বলেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সম্মিলিত সমর্থন প্রয়োজন।

১ থেকে ৪ নভেম্বর অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডায় অনুষ্ঠেয় কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের সম্মেলনে (সিএইচওজিএম) বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিতে দেশটি সফর করছেন ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

জাতীয় এর আরও খবর

img

বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা ও সংঘাত বাড়ছে, সতর্ক করলেন রাজা চার্লস

প্রকাশিত :  ১৭:৫১, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামরিক সংঘাত এবং আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি দুর্বল হয়ে পড়ার বিষয়ে সতর্ক করেছেন ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লস। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ ধ্বংস এবং প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনকে বর্তমান সময়ের বড় সংকট হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডায় ২৮তম কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের সম্মেলনের (সিএইচওজিএম) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন ব্রিটিশ রাজা।

চার্লস বলেন, ‘আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি ও ব্যবস্থাগুলো যখন চরম পরীক্ষার মুখে, তখন নৃশংস সংঘাত আমাদের বিশ্বকে গ্রাস করছে। এসব সংঘাত মানুষের জীবন ধ্বংস করছে এবং বিশ্বজুড়ে দীর্ঘস্থায়ী নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।’

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশের ধ্বংস এবং প্রযুক্তির দ্রুত রূপান্তর একসঙ্গে মানবজাতির সামনে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এসব সংকটকে তিনি ‘আমাদের সময়ের সংকট’ হিসেবে অভিহিত করেন।

বিশ্বের অভিন্ন সমস্যাগুলো মোকাবিলায় কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করার আহ্বান জানান ব্রিটিশ রাজা। তার মতে, অংশীদারত্ব, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের মাধ্যমে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে এই সংস্থা।

বক্তব্যে আটলান্টিক মহাসাগর পেরিয়ে পরিচালিত দাস ব্যবসার ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার নিয়েও কথা বলেন তৃতীয় চার্লস। তিনি স্বীকার করেন, দাস ব্যবসার দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব এখনো ক্যারিবীয় অঞ্চলসহ কমনওয়েলথের বিভিন্ন দেশের সমাজে রয়ে গেছে।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ইতিহাসের সেই লজ্জাজনক অধ্যায় আমার হৃদয়কে আতঙ্কিত করে এবং আমার আত্মাকে গভীর ব্যক্তিগত বেদনায় পূর্ণ করে।’

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

জাতীয় এর আরও খবর