img

রিপাবলিকানদের হটিয়ে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা

প্রকাশিত :  ০৫:০৩, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

রিপাবলিকানদের হটিয়ে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা

বড় রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে। সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি। চারটি আসন পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করেছে ডেমোক্র্যাটরা। গত বছরও দলটির জন্য এমন জয়কে প্রায় অসম্ভব বলে মনে করা হচ্ছিল।

এই জয়ের ফলে আগামী ২০২৭ সালে সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হিসেবে আবারও দায়িত্ব নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমারের। একই সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর নজরদারি, প্রশাসনিক ও বিচার বিভাগীয় নিয়োগ এবং আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা পেতে যাচ্ছে দলটি।

সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে ডেমোক্র্যাটদের অন্তত চারটি আসন বাড়ানোর প্রয়োজন ছিল। নির্বাচনে নর্থ ক্যারোলাইনা, সাউথ ক্যারোলাইনা, টেক্সাস ও ওহাইওতে রিপাবলিকানদের হারিয়ে সেই লক্ষ্য পূরণ করেছে তারা।

নর্থ ক্যারোলাইনায় সাবেক গভর্নর রয় কুপার রিপাবলিকান প্রার্থী মাইকেল হোয়াটলিকে পরাজিত করেন। সাউথ ক্যারোলাইনায় শিশু চিকিৎসক অ্যানি অ্যান্ড্রুজ হারান রিপাবলিকান ডারলিন গ্রাহামকে। টেক্সাসে অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধি জেমস টালারিকো পরাজিত করেন অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটনকে। আর ওহাইওতে সাবেক সিনেটর শেরড ব্রাউন জয়ী হন।

নির্বাচনের ফলাফলকে ট্রাম্পের জন্য রাজনৈতিক প্রত্যাখ্যান হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা। নির্বাচনী প্রচারে অক্টোবরজুড়ে রিপাবলিকান প্রার্থীদের পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছিলেন তিনি। তবে তার জনপ্রিয়তা কমে যাওয়া রিপাবলিকান প্রার্থীদের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

নিউইয়র্কের আইনসভায় প্রথম ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত নারী আবের কাওয়াস

প্রকাশিত :  ০৬:১৮, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৮:৩৬, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের আইনসভার নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত আবের কাওয়াস। এর মধ্য দিয়ে তিনি অঙ্গরাজ্যটির আইনসভায় নির্বাচিত প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরা নারী হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন।

নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটের ১২ নম্বর আসনে ৭৫ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হন কাওয়াস। ভোট গণনার ৯০ শতাংশ শেষে নিউইয়র্ক টাইমস তার বিজয় ঘোষণা করে।

কাওয়াসের নির্বাচনী স্লোগান ছিল ‘মর্যাদায় বিনিয়োগ, ধ্বংসের বিরুদ্ধে লড়াই’। তিনি সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা, উন্নত গণপরিবহন, সাশ্রয়ী আবাসন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, অভিবাসীদের অধিকার রক্ষা এবং যুদ্ধে অর্থায়ন বন্ধের পক্ষে প্রচার চালান। তার প্রতি সমর্থন জানান নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি, সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স ও কংগ্রেস সদস্য রাশিদা তালাইব।

রাজনীতিতে আসার আগে ১৫ বছরের বেশি সময় শ্রমিক, অভিবাসী ও ফিলিস্তিনিদের অধিকার নিয়ে কাজ করেছেন কাওয়াস। নিউইয়র্কের অলাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন বন্ধের উদ্যোগেও যুক্ত ছিলেন তিনি।

ব্রুকলিনে ফিলিস্তিনি অভিবাসী বাবা-মায়ের ঘরে জন্ম ও বেড়ে ওঠা কাওয়াস অভিবাসীদের অধিকার রক্ষার পক্ষে কাজ করেন। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা আইসিইর সঙ্গে নিউইয়র্কের স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা বন্ধের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।

ফিলিস্তিনিদের অধিকার নিয়ে সরব কাওয়াস ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নিউইয়র্ক সফরের বিরুদ্ধেও বিক্ষোভ করেছিলেন। ওই কর্মসূচিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হলেও পরে ছেড়ে দেওয়া হয়।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর