img

শ্রীমঙ্গলে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে দুইজন গ্রেপ্তার

প্রকাশিত :  ১৮:২৯, ১৫ মার্চ ২০২৫

শ্রীমঙ্গলে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে দুইজন গ্রেপ্তার
সংগ্রাম দত্ত: মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের অভিযানে অবৈধ ভাবে বালু মাটি উত্তোলনের অপরাধে  দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে।

বৃহস্পতিবার ( ১৩ মার্চ)  রাত ০২:৪৫ ঘটিকায় শ্রীমঙ্গল থানার এএসআই মোঃ আবু তালেব সঙ্গীয় ফোর্সসহ শ্রীমঙ্গল থানাধীন ০৩নং শ্রীমঙ্গল ইউপির অন্তর্গত দক্ষিণ ভাড়াউড়া সাকিনস্থ ২ নম্বর পুল মৌলভীবাজার - শ্রীমঙ্গলগামী পাকা রাস্তা হইতে অবৈধ ভাবে বালু মাটি উত্তোলন করার অপরাধে আসামী লামুয়া গ্রামের মোঃ কাশিম মিয়া (৩২) (ট্রাক ড্রাইভার), পূর্ব মাইজদি গ্রামের মোঃ জমশেদ মিয়া (৩০) (ট্রাক ড্রাইভার)  উভয় থানা-শ্রীমঙ্গল, জেলা-মৌলভীবাজার দ্বয়কে গ্রেফতার করেন। ঐ সময়ে ঘটনাস্থল হতে একটি তিন টনি হলুদ রংয়ের ডায়না ট্রাক গাড়ী, যাহার রেজিঃ নং-ঢাকা মেট্রো-ড-১৪-০৯৯০ এবং ট্রাকে রক্ষিত ১২০ ঘনফুট বালু মাটি, মূল্য আনুমানিক ১৮০০/-টাকা,  একটি ০৩ টনি হলুদ রংয়ের ডায়না ট্রাক গাড়ি, যাহার রেজিঃ নং-ঢাকা মেট্রো-ড-১১-০০৪০ এবং ট্রাকে রক্ষিত ১২০ ঘনফুট বালু মাটি, মূল্য আনুমানিক ১৮০০/- টাকা উদ্ধার করিয়া জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করেন।

গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় অবৈধ ভাবে শ্রীমঙ্গল উপজেলার বিভিন্ন সরকারি ছড়া, জমি এবং হাইল হাওড় হইতে সরকারি অনুমতি ব্যতীত চাষযোগ্য ভূমির উপরের স্তরের বালু মাটি কর্তন করিয়া ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশ বিনষ্ট করছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করে  পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

জগন্নাথপুরে বৃষ্টিতে বেড়িবাঁধে ফাটল, আতঙ্কে কৃষক

প্রকাশিত :  ০৭:৩৩, ১৬ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৮:০৫, ১৬ মার্চ ২০২৬

সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলায় গত দুই রাতের বৃষ্টিতে কয়েকটি ফসল রক্ষা বেড়িবাঁধে ফাটল ও ধস নামার লক্ষণ দেখা দিয়েছে। এতে আতঙ্কে আছে বলে জানিয়েছে স্থাণীয় স্থানীয় কৃষকরা ।

কৃষকদের অভিযোগ, ফসল রক্ষার নামে দায়সারা বেড়িবাঁধ নির্মাণ সংস্কার কাজ করছে সংশ্লিষ্টরা। চৈত্রের শুরু হয়ে গেলেও এখনও পুরোপুরিভাবে শেষ হয়নি অধিকংশ বেড়িবাঁধের কাজ। ফলে হাওরের বোরো ধান তুলা নিয়ে শঙ্কায় দিন কাটছে কৃষকদের।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার নলুয়ার হাওরের ১১ নম্বর প্রকল্পে দ্বিতীয় দফা সময় বৃদ্ধির (১৫ দিন আবেদনের পরও) শনিবার পর্যন্ত মাটির কাজ শেষ হয়নি। ৩ নম্বর প্রকল্প, আশারকান্দি ইউনিয়নের ৯৪ নম্বর প্রকল্পে ফাটল দেখা দিয়েছে। তাছাড়া মিরপুর ইউনিয়নে অবস্থিত জামাইকাটা হাওরের একটি গুরুত্বপূর্ণ বেড়িবাঁধে ফাটল ও ধস দেখা দেওয়ায় চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন কৃষকরা।

কৃষকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দায়সারা বাঁধ নির্মাণ করে বরাদ্দকৃত অর্থ লুটপাট করা হয়েছে। এই বেড়িবাঁধ নিয়ে আমরা আতংকে রয়েছি। যদি বাঁধ ভেঙে হাওরে পানি ঢুকে পড়ে তবে হাজার হাজার কৃষকের স্বপ্ন তলিয়ে যাবে। আমরা এখন রাতে ঘুমাতে পারছি না। জামাই কাটাসহ হাওরের বিভিন্ন বেড়িবাঁধের কাজ ভালো হয়নি। দ্রুত এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে হবে।

এ অবস্থায় উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর অকাল বন্যার আশঙ্কায় হাজার হাজার হেক্টর জমির বোরো ফসল নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

জামাইকাটা হাওরের ৩৬ নং প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির মাধ্যমে ০.০৫৮ কি.মি. দৈর্ঘ্যর বাধঁ নির্মান / মুখ বন্ধ করন কাজের জন্য ৮ লক্ষ ছয় লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। স্হানীয় কৃষক তানভির মিয়া জানান, ৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দের মধ্যে ৩ লক্ষ টাকারও কাজ হয়নি। দায়সারা বাঁধ নির্মাণের ফলে সামান্য বৃষ্টিতে বাঁধ ধসে পড়েছে।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মো. গয়াছুর রহমান বলেন, আমি কোন ফাটল বা ধস দেখতে পাইনি। এই হাওরে আমার নিজের অনেক জমি রয়েছে। কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি এখনো। বাঁধের ত্রুটি মেরামত করে দিবো।

জগন্নাথপুর উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ সহকারী প্রকৌশলী শাহ ফরিদ মিয়া জানান, জামাই কাটা হাওরে বেড়িবাঁধে ফাটল শুনেছি। এছাড়াও ৩ ও ৯৪ নম্বর প্রকল্পে সামান্য ফাটল দেখা দিয়েছে। সেগুলো মেরামত করা হয়েছে। ১১ নম্বর প্রকল্পের অসমাপ্ত কাজ শেষ করতে কাজ চলমান রয়েছে।

জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরকত উল্লাহ জানান, সময়ে সময়ে হাওরের ফসল রক্ষা বেড়িবাঁধের কাজ তদারকি করছি আমরা। আশা করছি কোন সমস্যা হবে না ।

সিলেটের খবর এর আরও খবর