img

সিলেট নগর থেকে ৪০ দিনে ৭৮ ‘ছিনতাইকারী’ গ্রেপ্তার

প্রকাশিত :  ০৮:৩৪, ১০ এপ্রিল ২০২৬

 সিলেট নগর থেকে ৪০ দিনে ৭৮ ‘ছিনতাইকারী’ গ্রেপ্তার

ছিনতাইকারী সন্দেহে সিলেট নগর থেকে গত ৪০ দিনে ৭৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (গণমাধ্যম) মো. মনজুরুল আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সিলেট মহানগর পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে ১ মার্চ থেকে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত মহানগরীর বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ৭৮ জন ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ছিনতাই দমনে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ। পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরীর নির্দেশনায় ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে ব্যাপক অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানের অংশ হিসেবে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। সিলেটকে একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।

সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

‘মণিপুরী, চাকমা, গারো—আমরা সবাই জাতিসত্তায় বাংলাদেশী’

প্রকাশিত :  ১৬:১২, ২৯ মে ২০২৬

কমলগঞ্জের খাসিয়া পুঞ্জি পরিদর্শনে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

মাগুরছড়া খাসিয়া পুঞ্জিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানকে ফুলেল সংবর্ধনা ও শুভ

সংগ্রাম দত্ত: মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মাগুরছড়া খাসিয়া পুঞ্জি পরিদর্শন করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। শুক্রবার (২৯ মে) বিকেলে তিনি পর্যটন নগরী শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং স্থানীয় সংস্কৃতি ও জীবনধারা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান বৃহত্তর সিলেট আদিবাসী ফোরামের চেয়ারপার্সন পিডিশন প্রধান সুছিয়াং। এ সময় খাসি সোশ্যাল কাউন্সিলের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন খাসিয়া পুঞ্জির প্রধান (মান্রী), প্রতিনিধি এবং আদিবাসী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে কমলগঞ্জের মণিপুরী ললিতকলা একাডেমিতে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় যোগ দেন মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। সেখানে মণিপুরী, চাকমা, গারোসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যরা তাকে শুভেচ্ছা জানান। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, “মণিপুরী, চাকমা, গারো—আমরা সবাই জাতিসত্তায় বাংলাদেশী। এ দেশের বহুমাত্রিক সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য আমাদের শক্তি।”

তিনি আরও বলেন, দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর স্বীকৃতির ক্ষেত্রে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণীয়। “বিএনপি সরকারই দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলোকে ‘বাংলাদেশী’ পরিচয়ের স্বীকৃতি দিয়েছে,” বলেন তিনি।

মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন। পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চল ও সমতলের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সমন্বিত উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা স্থানীয় সংস্কৃতিনির্ভর পরিবেশনা উপভোগ করেন এবং উপস্থিত বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময় করেন।


সিলেটের খবর এর আরও খবর