img

বিশ্বকাপের টিকিট পেল পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দল

প্রকাশিত :  ০৮:২৬, ১৮ এপ্রিল ২০২৫

বিশ্বকাপের টিকিট পেল পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দল

ভারতে আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠেয় ওয়ানডে বিশ্বকাপের টিকিট হাতে পেয়েছে পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দল। ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে টানা চার জয়ে বিশ্বকাপে খেলা নিশ্চিত করেছে তারা। 

বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডকে ৮৭ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে পাকিস্তান। ছয় দলের বাছাইপর্বে এটি স্বাগতিক দলের চতুর্থ জয়। এর আগে স্কটল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড ও শক্তিশালী ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েছে পাকিস্তান। 

এদিন শুরুতে ব্যাট করে পাকিস্তান ৬ উইকেটে ২০৫ রান তোলে। দলটির হয়ে তিনে নামা সিদ্রা আমিন ১০৫ বলে ৮০ রানের ইনিংস খেলেন। ফাতিমা সানা ৫৯ বলে ৬২ রান যোগ করেন। থাইল্যান্ড ১১৮ রানে অলআউট হয়। রামিন শামিম, ফাতেমা সানা ও নাশ্রা সাধু তিনটি করে উইকেট নিয়ে থাইল্যান্ডকে ধসিয়ে দেন। 

ভারতে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে আট দল অংশ নেবে। এর মধ্যে ছয় দল সরাসরি বিশ্বকাপে খেলা নিশ্চিত করেছে। ওই ছয় দল হলো স্বাগতিক ভারত, শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা। 

বাছাইপর্ব থেকে দুই দল যাবে বিশ্বকাপে। এর মধ্যে পাকিস্তানের বিশ্বকাপে খেলা নিশ্চিত হয়ে গেল। বাকি একটি জায়গার লড়াইয়ে আছে বাংলাদেশ, ওয়েষ্ট ইন্ডিজ ও স্কটল্যান্ড। বাংলাদেশ রবিন রাউন্ড গ্রুপে শেষ ম্যাচ খেলবে স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে। ওই ম্যাচে জিতলে বিশ্বকাপে খেলা নিশ্চিত হয়ে যাবে নিগার সুলতানা জ্যোতির দলের। 

অন্য ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ থাইল্যান্ডের মুখোমুখি হবে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ বড় ব্যবধানে জিতলে এবং পাকিস্তানের কাছে বাংলাদেশ হারলে নেট রান রেটের প্যাচে পড়ে যাবে বাংলাদেশ। একইভাবে আয়ারল্যান্ডকে যদি স্কটল্যান্ড হারিয়ে দেয় তারাও বিশ্বকাপে খেলার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে দাঁড়াবে। এই তিন দলের মধ্যে থেকে পয়েন্টে এগিয়ে থেকে নয়তো নেট রান রেটের হিসাবে একদল বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে। এর মধ্যে আজ মাঠে নামছে আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড। 

img

অস্ট্রেলিয়ার ‘আশ্রয়’ ত্যাগ করে ইরানে ফিরছেন আরও ৩ ফুটবলার

প্রকাশিত :  ০৭:১০, ১৫ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:১৮, ১৫ মার্চ ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ায় মানবিক ভিসা নিয়ে থেকে যাওয়া ইরানি নারী ফুটবল দলের আরও তিনজন সদস্য দেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আজ রোববার অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক এই তথ্য জানান। এতে প্রথমে সাতজন আশ্রয় নিলেও এখন মাত্র তিনজন অস্ট্রেলিয়ায় আছেন।

বার্ক বিবৃতিতে বলেন, ‘গভীর রাতে ইরানি নারী ফুটবল দলের তিনজন সদস্য বাকি দলের সঙ্গে ইরানে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ান কর্মকর্তাদের কাছে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানোর পর তাদের বারবার বিকল্প নিয়ে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।’

ইরানি দল গত ফেব্রুয়ারিতে নারী এশিয়ান কাপের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় এসেছিল। ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর আগেই তারা পৌঁছেছিলেন।

২৬ সদস্যের দল থেকে প্রথমে ছয়জন খেলোয়াড় ও একজন সাপোর্ট স্টাফ সদস্য মানবিক ভিসা নিয়ে থেকে যান। ৯ মার্চ বাকি দল সিডনি থেকে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে চলে যায়। এরপর একজন মত বদলে দেশে ফেরেন। শনিবার রাতে আরও তিনজন সিডনি থেকে কুয়ালালামপুরের পথে রওনা দেন। বাকি দলটি তখন থেকে কুয়ালালামপুরেই অপেক্ষা করছিল।

ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, সর্বশেষ ফেরা তিনজনের মধ্যে দুজন খেলোয়াড় ও একজন সাপোর্ট স্টাফ সদস্য। এই তিনজন ‘পরিবার ও মাতৃভূমির উষ্ণ আলিঙ্গনে ফিরছেন’ বলে সংবাদ সংস্থাটি বিবৃতিতে জানায়।

প্রথম ম্যাচের আগে জাতীয় সংগীত না গাওয়ায় খেলোয়াড়দের ইরানে ফিরলে বিপদের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ায় ইরানি প্রবাসী গোষ্ঠী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও তাদের সাহায্য করার জন্য অস্ট্রেলিয়া সরকারকে আহ্বান জানিয়েছিলেন।

তবে ইরানের তাসনিম সংবাদ সংস্থা খেলোয়াড়দের দলে ফেরাকে ‘আমেরিকান-অস্ট্রেলিয়ান প্রকল্পের লজ্জাজনক ব্যর্থতা এবং ট্রাম্পের আরেকটি পরাজয়’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।