img

জাসদ ইউরোপীয় ইউনিয়ন কমিটির তীব্র প্রতিবাদ

প্রকাশিত :  ১৪:৩৯, ১৮ এপ্রিল ২০২৫

জাসদ ইউরোপীয় ইউনিয়ন কমিটির তীব্র প্রতিবাদ

বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রাক্তন তথ্যমন্ত্রী জনাব হাসানুল হক ইনুকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাজানো এক সম্পূর্ণ মিথ্যা মামলায় কারাবন্দী করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ট্রাইব্যুনালের নামে চলমান প্রহসনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে জাসদ ইউরোপীয় ইউনিয়ন কমিটি।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের ইউরোপীয় ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি মতিউর রহমান মতিন ও সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন এক বিবৃতিতে বলেন, বাংলাদেশের প্রখ্যাত সমাজতান্ত্রিক রাজনীতিবিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রাক্তন তথ্যমন্ত্রী জনাব হাসানুল হক ইনুকে চরম মৌলবাদী ও প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীর মদদপুষ্ট ড. ইউনুসের নেতৃত্বাধীন তথাকথিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাজানো এক সম্পূর্ণ মিথ্যা মামলায় কারাবন্দী করা হয়েছে। আমরা মনে করি, এই মামলা শুধু বীর মুক্তিযোদ্ধা ইনুর ব্যক্তিগত উপর নির্যাতন নয়, বরং এটি বাংলাদেশের প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক ও সমাজতান্ত্রিক রাজনীতির উপর একটি গভীর আঘাত। এই রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ট্রাইব্যুনালের নামে চলমান প্রহসনের বিরুদ্ধে আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

বিবৃতিতে তারা আরো বলেন, বিশ্বব্যাপী মানবতাবাদী, গণতান্ত্রিক ও সমাজতান্ত্রিক দল ও ব্যক্তি বিশেষের প্রতি আমাদের আহ্বান—এই অন্যায় ও স্বৈরাচারী অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন এবং সংহতি প্রকাশ করুন।



কমিউনিটি এর আরও খবর

img

শ্রীমঙ্গলে হামলায় আহত রাজমিস্ত্রির মৃত্যু, গ্রেপ্তার ১

প্রকাশিত :  ১৪:৩৫, ২৬ জুন ২০২৬

সংগ্রাম দত্ত: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় চায়ের দোকানে হামলার শিকার হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক রাজমিস্ত্রির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

নিহত মো. সোহেল মিয়া (৪০) উপজেলার ২ নম্বর ভুনবীর ইউনিয়নের গোপালপুর (আলিশারকুল) গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মরহুম ফুল মিয়ার ছেলে এবং পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে সিন্দুরখান–সুন্দরগঞ্জ সড়কের পাশে নিজের চায়ের দোকানে অবস্থান করছিলেন সোহেল মিয়া। এ সময় পূর্ববিরোধের জেরে একই গ্রামের ইসমাইল মিয়া (৩২), মৃত ফজর আলীর ছেলে, তার ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ। হামলার একপর্যায়ে একটি কাঁচের পানির গ্লাস দিয়ে সোহেলের মাথায় আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন।

স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গল ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকেরা তার মাথায় পাঁচটি সেলাই দিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি পাঠিয়ে দেন। পরে বাড়িতে গিয়ে তিনি বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করলে তাকে আবার হাসপাতালে নেওয়া হয়। দ্বিতীয়বার হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আব্দুর রাজ্জাক গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, হাসপাতালে দ্বিতীয়বার আনার পর চিকিৎসকেরা চিকিৎসা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় সোহেল মিয়া মারা যান। পরে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে থানায় নিয়ে আসে।

ঘটনার পরপরই ওসি (তদন্ত) আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে এসআই মামুনসহ পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ইসমাইল মিয়াকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হামলার কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত জানতে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।


কমিউনিটি এর আরও খবর