img

তাইজুলের ৬ উইকেট, শুরুতেই শেষ জিম্বাবুয়ে

প্রকাশিত :  ০৭:২৯, ২৯ এপ্রিল ২০২৫

তাইজুলের ৬ উইকেট, শুরুতেই শেষ জিম্বাবুয়ে

বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২২৭ রানে অলআউট হয়েছে জিম্বাবুয়ে। আজ সফরকারী দলকে কোনো রান করতে না দিয়েই উইকেট তুলে নেন তাইজুল।

চট্টগ্রামে বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এ ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে প্রথম দিন শেষে ৯০ ওভারে ৯ উইকেটে ২২৭ রান করেছিল জিম্বাবুয়ে। 

আজ ম্যাচের দ্বিতীয় দিনের প্রথম বলেই ব্লেসিং মুজারাবানিকে আউট করে জিম্বাবুয়ের ইনিংসের ইতি টানেন বাংলাদেশ স্পিনার তাইজুল ইসলাম। 

জিম্বাবুয়ে ব্যাটারকে উইকেটরক্ষক জাকের আলীর ক্যাচ বানান বাঁহাতি স্পিনার। প্রথম আউট দিতে না চাইলেও বাংলাদেশী ফিল্ডারদের কড়া আবেদনের প্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত বদল করেন আম্পায়ার। অর্থাৎ প্রথম ইনিংসে ২২৭ রানেই অলআউট হলো জিম্বাবুয়ে। ৬০ রানে ৬ উইকেট নিয়ে ইনিংসটিকে স্মরণীয় করে রাখলেন তাইজুল।

মুজারাবানি ২ রান করেন। ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন উইকেটরক্ষক টাফাডজোয়া সিগা। 

বাংলাদেশের তাইজুল ২৭ দশমিক ১ ওভার বোলিং করে ৬০ রানে ৬ উইকেট নেন। এছাড়া নাইম হাসান ২টি ও তানজিম হাসান ১টি উইকেট নেন। 

সংক্ষিপ্ত স্কোর : 

জিম্বাবুয়ে : ২২৭/১০, ৯০.১ ওভার (উইলিয়ামস ৬৭, ওয়েলচ ৫৪, তাইজুল ৬/৬০)।

খুলনাকে হারিয়ে প্রথম জয়ের স্বাদ নিল সিলেট

img

৯২ বছর পর নকআউটে মিশর, অপেক্ষায় ইরান

প্রকাশিত :  ০৬:১৭, ২৭ জুন ২০২৬

ইতিহাস গড়ার দোরগোড়ায় পৌঁছেও শেষ রক্ষা হলো না ইরানের। ভিএআরের নিষ্ঠুর সিদ্ধান্তে স্বপ্ন ভেঙে গেল তাদের। আর সেই সুযোগে তিন ম্যাচে পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠল মিশর।

অন্যদিকে, ম্যাচের শেষ মুহূর্তে গোল বাতিল হওয়ায় ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়া ইরানকে এখন টুর্নামেন্টে টিকে থাকার জন্য অন্য দলগুলোর ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে।

ম্যাচের মাত্র পাঁচ মিনিটেই এগিয়ে যায় মিশর। সালাহ বক্সের ভেতর থেকে তার চেনা বাঁ-পায়ের কার্লিং শট নেন, সেটি সেভ হয়ে যায়। কিন্তু রিবাউন্ড বল পান সাবের। তার দুর্বল শট অসংখ্য পায়ের ফাঁক গলে এবং গোলরক্ষকের হাত ফসকে লাইন পার হয়ে যায়। এটি মিশরের ইতিহাসে বিশ্বকাপের দ্রুততম গোল।

এরপর পেনাল্টি পায় ইরান। তারেমি চালাকি করে আবদেলমোনেমের পা থেকে বল নেওয়ার চেষ্টা করলে মিশরীয় ডিফেন্ডার বলের বদলে ইরানি স্ট্রাইকারকে ফাউল করেন। রেফারি পেনাল্টি দেন। তারেমি গোলরক্ষকের বাম দিকে কিক নেন, কিন্তু শোবেইর দুর্দান্ত ডাইভে বলটি আটকে দেন।

তবে ১৫ মিনিটেই সমতা ফেরায় ইরান। এজাতোলাহি বক্সের ভেতর শট নেন, শোবেইর সেভ করেন। কিন্তু রিবাউন্ড বল পান রেজাইয়ান এবং তিনি সবচেয়ে কঠিন কোণ থেকে বলটি জালে জড়ান। প্রথম ম্যাচেও গোল করা রামিন রেজাইয়ান আবার ত্রাতা হলেন ইরানের জন্য। এটি ইরানের ইতিহাসে বিশ্বকাপের দ্রুততম গোল।

দ্বিতীয়ার্ধে ইরান ইতিহাসের একেবারে কাছে চলে গিয়েছিল। ফ্রি কিক থেকে ভেসে আসা বলটি মিশর ঠেকালে সেটি জালে জড়ান খালিলজাদে। কিন্তু বাধ সাধল ভিএআর। দেখা গেল, শটের সময় খালিলজাদে ছিলেন অফসাইডে। গোল বাতিল হলো, স্বপ্নও ভাঙল ইরানের।

শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলে ড্র হয় ম্যাচটি। তিন ম্যাচে তিন ড্র করে তিন পয়েন্ট নিয়ে এখন মিরাকলের অপেক্ষায় ইরান। আর মিশর পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠল।