img

রিয়াদের আরও একটি বাসার সন্ধান, মিলল নগদ টাকা

প্রকাশিত :  ০৮:৫৬, ৩১ জুলাই ২০২৫

রিয়াদের আরও একটি বাসার সন্ধান, মিলল নগদ টাকা

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বহিষ্কৃত নেতা আবদুর রাজ্জাক বিন সোলাইমান রিয়াদ। এবার তার আরেকটি গোপন আস্তানার সন্ধান পেয়েছে পুলিশ।

রাজধানীর বাড্ডায় অবস্থিত ওই বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে নগদ ২ লাখ ৯৮ হাজার টাকা। পুলিশ জানায়, রিয়াদ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির আরও প্রমাণ সংগ্রহে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে।

পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, “আমরা রিয়াদের চাঁদাবাজির নেটওয়ার্ক খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। বাড্ডার বাসা থেকে টাকার উদ্ধার সেই তদন্তেরই অংশ।”

এর আগে  সোমবার রাতে বৈষ্যম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান রিয়াদের নাখালপাড়ার বাসায় অভিযান চালানো হয়। এ অভিযানে দুই কোটি ২৫ লাখ টাকার চেক উদ্ধার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। একইসঙ্গে প্রায় ২০ লাখ টাকার এফডিআর নথি উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, গত ২৬ জুন আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আব্দুল কালাম আজাদের গ্রিন রোডের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যান রিয়াদ ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী। মব তৈরির হুমকি দিয়ে তাঁর গলায় জুতার মালা পরানোর ভয় দেখানো হয়। এরপর আজাদের কাছ থেকে পাঁচ কোটি টাকার চেক ও একটি জমির দলিল নেন রিয়াদ। 

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট আরেকটি সূত্রে জানা যায়, সাবেক এমপির ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে পাঁচ কোটি টাকার যেসব চেক নেওয়া হয় সেগুলো আগস্টে ব্যাংকে জমা দেওয়ার কথা ছিল। এ ছাড়া ‘নিট জোন প্রাইভেট লিমিটেড’ নামের প্রতিষ্ঠান থেকে চেক ইস্যু করা হয়। তবে চেক কারও নামে দেওয়া হয়নি। শুধু সই ও টাকার অঙ্ক লেখা ছিল।

গত ২৬ জুলাই গুলশানে সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের বাসায় চাঁদাবাজির অভিযোগে রিয়াদসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। রিয়াদসহ চারজন এখন সাত দিনের রিমান্ডে রয়েছে। 

রিমান্ডে থাকা অন্য তিনজন হলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঢাকা মহানগর শাখার আহ্বায়ক ইব্রাহীম হোসেন মুন্না, সদস্য সাকাদাউন সিয়াম ও সাদাব। 

বাংলাদেশ এর আরও খবর

img

খুলনা সিটি মেডিকেলে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১২ ইউনিট

প্রকাশিত :  ১৮:৪২, ১১ জুন ২০২৬

খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। 

খবর পেয়ে ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে ফায়ার সার্ভিসের ১২ ইউনিট।

এদিকে আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে থাকা রোগী ও তাদের স্বজনরা আতঙ্কিত হয়ে বাইরে ছুটে আসছেন। অনেকে এখনো হাসপাতালের মধ্যে আটকে আছেন। ফায়ার সার্ভিসের সদস্য আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

হাসপাতালের একটি সূত্র জানিয়েছে, জেনারেটর থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। পরে আগুন হাসপাতালের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, রাত ৯টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিটি মেডিকেলের নিচতলায় আগুনের খবর পাওয়া যায়। এর ৫ মিনিটের মাথায় ঘটনাস্থলে যায় ফায়ার সার্ভিস। বর্তমানে ১২টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল ইসলাম বলেন, আমাদের ১২টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। তবে আগুনের ঘটনায় রাত ১১টা পর্যন্ত হতাহতের বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া, আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে আগুনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছে ফায়ার সার্ভিস। তাদের সঙ্গে পুলিশ ও স্থানীয়রা আগুন নেভানোর কাজে অংশ নিচ্ছেন। হাসপাতালে থাকা রোগী ও তাদের স্বজনরা আগুন লাগার পর আতঙ্কিত হয়ে বাইরে ছুটে এসেছেন।


বাংলাদেশ এর আরও খবর