img

‘শোধরায়নি’ আবু ত্বহা আদনান, ‘গোপন প্রেম’ নিয়ে ফের স্ট্যাটাস স্ত্রীর

প্রকাশিত :  ১০:৪৮, ১১ অক্টোবর ২০২৫

‘শোধরায়নি’ আবু ত্বহা আদনান, ‘গোপন প্রেম’ নিয়ে ফের স্ট্যাটাস স্ত্রীর

আবু ত্বহা মোহাম্মদ আদনানের স্ত্রী সাবিকুন নাহার সারাহ বলেছেন, আমার বিছানায় বসে প্রেম করেন এক এয়ার হোস্টেস নারীর সঙ্গে। তিনি মাশাআল্লাহ। সেন্টারে কাজ আছে বলে রাত ৩টায় বাসায় আসেন। এসে আবার জানান তিনি তার প্রেমিকার সাথে কথা বলেন। তিনি যা-ই করেন, তা আবার গোপনের ধার ধারেন না। কারণ তিনিই সবচেয়ে বড় বলে জানান আবু ত্বহাপত্নী।

শনিবার সকালে (১১ অক্টোবর) তিনি এ বিষয়ে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। রংপুরের আলোচিত ইসলামি বক্তা আবু ত্বহা মোহাম্মদ আদনানকে নিয়ে এর আগে গত ২ অক্টোবর রাতে স্ত্রী সাবিকুন নাহার সারাহ একই পোস্ট করেছিলেন। যেটা ঘিরে শুরু হয় আলোচনার ঝড়। পরে ৬ অক্টোবর আবু ত্বহা মোহাম্মদ আদনান ফেসবুক পোস্টে স্ত্রীর অভিযোগের ব্যাখ্যা দেন। তখন সেই পোস্টটি সরিয়ে ফেলেন স্ত্রী। সেই পোস্টের জন্য ক্ষমাও চান তিনি। 

তবে আজ সকালে পুনরায় এ বিষয়ে পোস্ট করলে আলোচনা নতুন মোড় নেয়। আবু ত্বহার স্ত্রী সাবিকুন নাহার সারাহর পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো—

‘এয়ার হোস্টেসদের মেবি সেলিব্রিটি পছন্দ, আর সেলিব্রিটিগণও মেবি এয়ার হোস্টেস ডিজার্ব করে।

আপনাদের উস্তাদ Abu Taw Haa Muhammad Adnan প্রেমে মজেছেন জারিন জেবিন নামক তার ১৫ বছর আগের কলেজ লাইফের প্রিয়তমা বর্তমান এয়ার হোস্টেসের। তখন উস্তাদ ডেসপারেটলি তাকে চেয়েছিলেন নাকি, তখন তার টাকা নেই বলে পরিবার দেয়নি। এখন আবার জারিন জাবিন নামক ভদ্রমহিলা ডেসপারেটলি আপনাদের উস্তাদকে চাচ্ছেন।

পুরোনো প্রেম নতুন রূপে, একটু বেশিই ফিলিংসে ডুবেছেন। তারা নিয়মিত চ্যাট বক্সে ফিলিংস আদান-প্রদানসহ ঘণ্টার পর ঘণ্টা তার যিন্নুরাঈন সেন্টারে বসে বসে ফোনে কথা বলছেন। আবার সে তার সাথে লং ড্রাইভে যাওয়ার ইচ্ছে পোষণ করেন + সেন্টারে এসে অফিসরুমে সাক্ষাৎ করেন।

আসলে আপনাদের দেওয়া টাকায় গড়া তার প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন আয়োজন ও ক্লাসের নামে যে কোনো নারীর সাথে একান্তে মিট করার কারখানা। নারী-পুরুষ একসাথে ক্লাস নেওয়া। যে কো-এডুকেশন শিক্ষার বিরোধিতা তার জবানে অথচ তারই প্রতিষ্ঠানগুলোতে নারী-পুরুষ অবাধ মেলামেশার বিশাল আয়োজন। বিভিন্ন কোর্সের ক্লাসের নামে চলে মেয়েদের সাথে সরাসরি বসা আর আলোচনা করা, বেটার থেকে বেস্ট কাউকে খুঁজে নেওয়া।

(এগুলো থেকে খুব তাকে বিরত রাখতে চেয়ে অস্থির হতাম, বিধায় আমাকে তার আশপাশের সবার নিকট সবচেয়ে জঘন্য বানিয়েছে, নিজেই চিৎকার করে আমাকে দোষী সাব্যস্ত করে, নানা তোহমত চাপিয়ে দেয়)

সাবিকুন নাহার সারাহ বলেন, যাই হোক— তিনি যা-ই করেন, তা আবার গোপনের ধার ধারেন না। কারণ তিনিই সবচেয়ে বড়।

ত্বহাপত্নী বলেন, এদিকে এয়ার হোস্টেস জারিন জেবিনের সঙ্গে এনগেজ হওয়ার আগে রংপুরের আরেক মেয়ে যে কিনা তাদের কোনো এক ওমরাহ প্রতিযোগিতার স্টুডেন্ট ছিল, আবার আলেমাও। আপনাদের উস্তাদ সে মেয়েকে ইফতা পড়াবে, তাকে নিয়ে দ্বীনের কাজ করবে, বিয়ে করবে ইত্যাদি কথা দিয়ে তার বাবা-ভাইয়ের সঙ্গেও কথা বলেছে। পরে যখন এই এয়ার হোস্টেসকে পেল, তখন আবার সেই আলেমা মেয়েকে নানা অজুহাত দেখিয়ে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেছে— আপনি বিয়ে করে নিন ভালো পাত্র পেলে। তখন সেই মহীয়সী নারী আবার উস্তাদের প্রেমে পাগল হয়ে ইন্তেজারের পথ বেছে নিয়েছেন। উস্তাদও কথা দিয়েছে বিয়ে করলে তাকেই করবে।

img

সাবেক প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদকে নিয়ে মাহিয়া মাহির বিস্ফোরক অভিযোগ

প্রকাশিত :  ১৮:১৫, ১১ জুলাই ২০২৬

বহুল আলোচিত-সমালোচিত চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি ও সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের পুরোনো সেই অডিও ফাঁসের ঘটনাটি নিয়ে আবারও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে একটি দীর্ঘ ভিডিওবার্তা প্রকাশ করে মাহি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বেশ কিছু বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন।

ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই ডা. মুরাদ হাসানের দ্বারা ভুক্তভোগী বলে অভিযোগ মাহির।

এ চিত্রনায়িকা জানান, ডা. মুরাদ হাসান তাকে প্রতিনিয়ত বিরক্ত করতেন বলে তিনি প্রতিমন্ত্রীর নম্বর ব্লক করে রেখেছিলেন। ভাইরাল হওয়া অডিওতে ডা. মুরাদ নিজেই বলেছিলেন, ‘ও তো আমার ফোন ধরবে না।’ মাহি বলেন, তিনি সরাসরি ফোন ধরতেন না বলেই ডা. মুরাদ অন্য মানুষের ফোন ব্যবহার করে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন।

অডিওতে ডা. মুরাদ হাসান মাহিকে তুলে নেওয়ার জন্য র‍্যাব, পুলিশ, এনএসআই ও ডিজিএফআই পাঠানোর হুমকি দিয়েছিলেন।

মাহি প্রশ্ন তোলেন, যদি তাদের মধ্যে ভালো সম্পর্কই থাকত, তবে কেন তাকে এভাবে ভয় দেখানো হতো? মূলত ডা. মুরাদকে এড়িয়ে চলতেন বলেই তাকে দমাতে ক্ষমতার প্রভাব খাটানো হয়েছিল।

হুমকি পাওয়ার পর মাহি ইন্ডাস্ট্রির অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং সহকর্মীদের কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন। অনেকেই বিষয়টি জানতেন। কিন্তু ডা. মুরাদ মন্ত্রী হওয়ায় সবাই \"আমরা কী করব?\" বলে এড়িয়ে যান।

এমনকি কিছু সহকর্মী রাতে ফোন করে মাহিকে সতর্ক করতেন যেন রাত ১১টার পর তিনি ফোন না ধরেন, কারণ ওই সময়ে ডা. মুরাদ তাদের সামনেই থাকতেন।

মাহি বলেন, তিনি যদি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পৌঁছাতে পারতেন, তবে অবশ্যই বিষয়টি তাকে জানাতেন এবং বিশ্বাস করেন যে তিনি এর বিচার করতেন।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাওয়ার কোনো সুযোগ না থাকায় বাধ্য হয়ে পরিস্থিতি তাকে একাই ঠান্ডা মাথায় ও ভদ্রভাবে সামলাতে হয়েছিল।

অডিওতে ডা. মুরাদের গালিগালাজের বিপরীতে মাহির হেসে কথা বলা নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। এর জবাবে মাহি বলেন, \"আমি যদি তখন গালিগালাজ করতাম আর পরে আমার বড় কোনো ক্ষতি হয়ে যেত, সেই দায়িত্ব কে নিত?\"

সবশেষে মাহি দাবি করেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে ডা. মুরাদ শুধু তাকেই নয়, চলচ্চিত্র অঙ্গনের আরও অনেক নায়িকা, কণ্ঠশিল্পী এবং সংবাদ উপস্থাপিকাকে একইভাবে উত্যক্ত ও হেনস্তা করেছেন। ক্ষমতার ভয়ে তখন কেউ মুখ খুলতে পারেননি।

তিনি বলেন, ‘আমি শুনেছি আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই—নিউজ প্রেজেন্টার, সিঙ্গারসহ অসংখ্য নারী তার (ডা. মুরাদ হাসান) বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন। তাই বিষয়টা অনেকেই বুঝবেন না।’