img

বিয়ের পর বড় সিদ্ধান্ত নিলেন বিজয়-রাশমিকা

প্রকাশিত :  ১২:৫৪, ১৫ জুন ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৩:১১, ১৫ জুন ২০২৬

বিয়ের পর বড় সিদ্ধান্ত নিলেন বিজয়-রাশমিকা

বিজয় দেবেরাকোন্ডা-রাশমিকা মান্দানা দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার জনপ্রিয় তারকা জুটি । উদয়পুরের রাজকীয় বিয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার একটি বড় সিদ্ধান্ত নিলেন তারা।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেলেঙ্গানার শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে এক অনন্য উদ্যোগ নিয়েছেন এই তারকা দম্পতি। 

রাশমিকাকে সঙ্গে নিয়ে তেলেঙ্গানার আচামপেট মণ্ডলের ঘুম্মানপেটা গ্রাম পরিদর্শনে যান বিজয়। 

মূলত এই গ্রামটি বিজয়ের বাবার জন্মস্থান। নিজের ক্যারিয়ারে ভক্তদের কাছ থেকে পাওয়া ভালোবাসা ও সমর্থনের প্রতিদান দিতেই এই প্রত্যন্ত গ্রামের মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। 

এ বিষয়ে ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে শিক্ষার্থীদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা। যেখানে বৃত্তি প্রদানের জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নাম রয়েছে।

পোস্টের ক্যাপশনে আবেগঘন কণ্ঠে বিজয় লেখেন, ‘আমরা ঘুম্মানপেটা যাচ্ছি। এটি একটি ছোট গ্রাম, যেখানে আমার বাবার জন্ম হয়েছিল। 

গত ফেব্রুয়ারিতে রাশমিকা এবং আমি ঘোষণা করেছিলাম যে, আমরা একটি ছোট স্বপ্ন পূরণ করতে যাচ্ছি। আমরা নবম এবং দশম শ্রেণীর কঠোর পরিশ্রমী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করব। এখানে সেই ১৮০ জন শিক্ষার্থীর তালিকা দেওয়া হলো, যারা তাদের বাবা-মাকে গর্বিত করেছে।’

গ্রামের এক অনুষ্ঠানে শিশুদের পরিবারের উদ্দেশে বিজয় আরও বলেন, ‘আমরা হয়তো একটি ছোট বৃত্তি দিতে যাচ্ছি, কিন্তু এটি আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি আপনাদের জীবনের অংশ হতে চাই। নিজেদের গ্রাম থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে এই আন্দোলনকে আমি আরও অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। এটাই আমার স্বপ্ন। আমি মূলত শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলাকে উদযাপন করতে এবং এর ওপর মনোযোগ দিতে চাই।’

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন রাশমিকা মান্দানাও। 

নিজেকে নতুন পরিচয়ে হাজির করে তিনি বলেন, ‘আমি আমার কথা রাখব। আজ আমরা ‘দ্য দেবেরাকোন্ডা ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে একটি ইতিবাচক সূচনা করছি। আমরা আমার শ্বশুরমশাইয়ের গ্রাম থেকেই এই যাত্রা শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আজ আমি আপনাদের সামনে রাশমিকা মান্দানা দেবেরাকোন্ডা হিসেবে দাঁড়িয়েছি। আমি সত্যিই ভীষণ উচ্ছ্বসিত।’

এই জুটিকে রূপালি পর্দায়ও খুব শিগগিরিই একসঙ্গে দেখা যাবে। ‘রানাবলি’ নামের একটি নতুন চলচ্চিত্রে জুটি বাঁধবেন তারা। এর আগে ২০১৮ সালে ‘গীতা গোবিন্দম’ এবং ২০১৯ সালে ‘ডিয়ার কমরেড’ সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করে দর্শকহৃদয় জয় করেছিলেন বিজয়-রাশমিকা।

img

সাবেক প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদকে নিয়ে মাহিয়া মাহির বিস্ফোরক অভিযোগ

প্রকাশিত :  ১৮:১৫, ১১ জুলাই ২০২৬

বহুল আলোচিত-সমালোচিত চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি ও সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের পুরোনো সেই অডিও ফাঁসের ঘটনাটি নিয়ে আবারও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে একটি দীর্ঘ ভিডিওবার্তা প্রকাশ করে মাহি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বেশ কিছু বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন।

ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই ডা. মুরাদ হাসানের দ্বারা ভুক্তভোগী বলে অভিযোগ মাহির।

এ চিত্রনায়িকা জানান, ডা. মুরাদ হাসান তাকে প্রতিনিয়ত বিরক্ত করতেন বলে তিনি প্রতিমন্ত্রীর নম্বর ব্লক করে রেখেছিলেন। ভাইরাল হওয়া অডিওতে ডা. মুরাদ নিজেই বলেছিলেন, ‘ও তো আমার ফোন ধরবে না।’ মাহি বলেন, তিনি সরাসরি ফোন ধরতেন না বলেই ডা. মুরাদ অন্য মানুষের ফোন ব্যবহার করে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন।

অডিওতে ডা. মুরাদ হাসান মাহিকে তুলে নেওয়ার জন্য র‍্যাব, পুলিশ, এনএসআই ও ডিজিএফআই পাঠানোর হুমকি দিয়েছিলেন।

মাহি প্রশ্ন তোলেন, যদি তাদের মধ্যে ভালো সম্পর্কই থাকত, তবে কেন তাকে এভাবে ভয় দেখানো হতো? মূলত ডা. মুরাদকে এড়িয়ে চলতেন বলেই তাকে দমাতে ক্ষমতার প্রভাব খাটানো হয়েছিল।

হুমকি পাওয়ার পর মাহি ইন্ডাস্ট্রির অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং সহকর্মীদের কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন। অনেকেই বিষয়টি জানতেন। কিন্তু ডা. মুরাদ মন্ত্রী হওয়ায় সবাই \"আমরা কী করব?\" বলে এড়িয়ে যান।

এমনকি কিছু সহকর্মী রাতে ফোন করে মাহিকে সতর্ক করতেন যেন রাত ১১টার পর তিনি ফোন না ধরেন, কারণ ওই সময়ে ডা. মুরাদ তাদের সামনেই থাকতেন।

মাহি বলেন, তিনি যদি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পৌঁছাতে পারতেন, তবে অবশ্যই বিষয়টি তাকে জানাতেন এবং বিশ্বাস করেন যে তিনি এর বিচার করতেন।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাওয়ার কোনো সুযোগ না থাকায় বাধ্য হয়ে পরিস্থিতি তাকে একাই ঠান্ডা মাথায় ও ভদ্রভাবে সামলাতে হয়েছিল।

অডিওতে ডা. মুরাদের গালিগালাজের বিপরীতে মাহির হেসে কথা বলা নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। এর জবাবে মাহি বলেন, \"আমি যদি তখন গালিগালাজ করতাম আর পরে আমার বড় কোনো ক্ষতি হয়ে যেত, সেই দায়িত্ব কে নিত?\"

সবশেষে মাহি দাবি করেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে ডা. মুরাদ শুধু তাকেই নয়, চলচ্চিত্র অঙ্গনের আরও অনেক নায়িকা, কণ্ঠশিল্পী এবং সংবাদ উপস্থাপিকাকে একইভাবে উত্যক্ত ও হেনস্তা করেছেন। ক্ষমতার ভয়ে তখন কেউ মুখ খুলতে পারেননি।

তিনি বলেন, ‘আমি শুনেছি আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই—নিউজ প্রেজেন্টার, সিঙ্গারসহ অসংখ্য নারী তার (ডা. মুরাদ হাসান) বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন। তাই বিষয়টা অনেকেই বুঝবেন না।’