img

এবার জেমস বন্ড সাজলেন ট্রাম্প

প্রকাশিত :  ০৬:২০, ০৪ জুন ২০২৬

এবার জেমস বন্ড সাজলেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার নিজেকে জেমস বন্ড হিসেবে দাবি করেছেন ।  নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ব্রিটিশ গোয়েন্দা চরিত্র জেমস বন্ড হিসেবে দেখানো একটি ছবি পোস্ট তিনি। 

নিজের সঙ্গে বিখ্যাত ব্যক্তিত্বদের প্রশংসাসূচক তুলনা করার দীর্ঘ ইতিহাস আছে ট্রাম্পের। এর আগে তিনি নিজেকে এলভিস প্রেসলি, স্যার উইনস্টন চার্চিল ও মাদার তেরেসার সঙ্গে তুলনা করেছেন। অতি সম্প্রতি এবং বিতর্কিতভাবে ট্রাম্প নিজেকে যিশু খ্রিস্টের সঙ্গেও তুলনা করেন।

সবশেষ পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজের তরুণ বয়সের একটি আর্কাইভ ছবি ব্যবহার করেছেন, যেখানে তাকে একটি প্যানেলযুক্ত আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। ছবিটির ক্যাপশন ছিল, ‘ট্রাম্প ০০৭’। 

অ্যামাজন এমজিএম–যার মালিক ট্রাম্পের বন্ধু জেফ বেজোস, যিনি বর্তমানে নতুন জেমস বন্ডের জন্য আনুষ্ঠানিক কাস্টিং প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন। স্টুডিওটি ড্যানিয়েল ক্রেইগের উত্তরসূরি খুঁজছে। এরই মধ্যে হোয়াইট হাউস রসিকতার ছলে ট্রাম্পকে এই চরিত্রের জন্য মনোনীত করেছে।

গত ১৬ মে হোয়াইট হাউসের অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট থেকে আরও একটি মিম পোস্ট করা হয়েছিল। সেখানে ট্রাম্পকে টাক্সেডো পরা অবস্থায় এবং হাতে সাইলেন্সারযুক্ত পিস্তল নিয়ে ছায়ামূর্তির মতো দেখানো হয়। 

ছবিটির নিচের ডান কোণে সোনালি সামরিক ধাঁচের ফন্টে তার স্লোগান ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ লেখা ছিল।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২ জুন) ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরও একটি ছবি পোস্ট করেন, যেখানে তাকে একটি জনসমাবেশের সামনে দেখা যায়। সেখানে তিনি নিজেকে ‘সর্বশ্রেষ্ঠ আকর্ষণ’ বলে দাবি করেন।

img

সাবেক প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদকে নিয়ে মাহিয়া মাহির বিস্ফোরক অভিযোগ

প্রকাশিত :  ১৮:১৫, ১১ জুলাই ২০২৬

বহুল আলোচিত-সমালোচিত চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি ও সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের পুরোনো সেই অডিও ফাঁসের ঘটনাটি নিয়ে আবারও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে একটি দীর্ঘ ভিডিওবার্তা প্রকাশ করে মাহি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বেশ কিছু বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন।

ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই ডা. মুরাদ হাসানের দ্বারা ভুক্তভোগী বলে অভিযোগ মাহির।

এ চিত্রনায়িকা জানান, ডা. মুরাদ হাসান তাকে প্রতিনিয়ত বিরক্ত করতেন বলে তিনি প্রতিমন্ত্রীর নম্বর ব্লক করে রেখেছিলেন। ভাইরাল হওয়া অডিওতে ডা. মুরাদ নিজেই বলেছিলেন, ‘ও তো আমার ফোন ধরবে না।’ মাহি বলেন, তিনি সরাসরি ফোন ধরতেন না বলেই ডা. মুরাদ অন্য মানুষের ফোন ব্যবহার করে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন।

অডিওতে ডা. মুরাদ হাসান মাহিকে তুলে নেওয়ার জন্য র‍্যাব, পুলিশ, এনএসআই ও ডিজিএফআই পাঠানোর হুমকি দিয়েছিলেন।

মাহি প্রশ্ন তোলেন, যদি তাদের মধ্যে ভালো সম্পর্কই থাকত, তবে কেন তাকে এভাবে ভয় দেখানো হতো? মূলত ডা. মুরাদকে এড়িয়ে চলতেন বলেই তাকে দমাতে ক্ষমতার প্রভাব খাটানো হয়েছিল।

হুমকি পাওয়ার পর মাহি ইন্ডাস্ট্রির অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং সহকর্মীদের কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন। অনেকেই বিষয়টি জানতেন। কিন্তু ডা. মুরাদ মন্ত্রী হওয়ায় সবাই \"আমরা কী করব?\" বলে এড়িয়ে যান।

এমনকি কিছু সহকর্মী রাতে ফোন করে মাহিকে সতর্ক করতেন যেন রাত ১১টার পর তিনি ফোন না ধরেন, কারণ ওই সময়ে ডা. মুরাদ তাদের সামনেই থাকতেন।

মাহি বলেন, তিনি যদি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পৌঁছাতে পারতেন, তবে অবশ্যই বিষয়টি তাকে জানাতেন এবং বিশ্বাস করেন যে তিনি এর বিচার করতেন।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাওয়ার কোনো সুযোগ না থাকায় বাধ্য হয়ে পরিস্থিতি তাকে একাই ঠান্ডা মাথায় ও ভদ্রভাবে সামলাতে হয়েছিল।

অডিওতে ডা. মুরাদের গালিগালাজের বিপরীতে মাহির হেসে কথা বলা নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। এর জবাবে মাহি বলেন, \"আমি যদি তখন গালিগালাজ করতাম আর পরে আমার বড় কোনো ক্ষতি হয়ে যেত, সেই দায়িত্ব কে নিত?\"

সবশেষে মাহি দাবি করেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে ডা. মুরাদ শুধু তাকেই নয়, চলচ্চিত্র অঙ্গনের আরও অনেক নায়িকা, কণ্ঠশিল্পী এবং সংবাদ উপস্থাপিকাকে একইভাবে উত্যক্ত ও হেনস্তা করেছেন। ক্ষমতার ভয়ে তখন কেউ মুখ খুলতে পারেননি।

তিনি বলেন, ‘আমি শুনেছি আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই—নিউজ প্রেজেন্টার, সিঙ্গারসহ অসংখ্য নারী তার (ডা. মুরাদ হাসান) বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন। তাই বিষয়টা অনেকেই বুঝবেন না।’