img

বন্ধুসহ রাতযাপনের পর চলে যেতে বলায় প্রেমিকার ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

প্রকাশিত :  ১৩:১৪, ২৯ জুন ২০২৬

বন্ধুসহ রাতযাপনের পর চলে যেতে বলায় প্রেমিকার ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

প্রেমিকার ছুরিকাঘাতে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে সাঈদ আবদুল্লাহ সিয়াম (২২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার (২৯ জুন) ভোর ৫টার দিকে চৌদ্দগ্রাম পৌর এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষ্মীপুর গ্রামের মুন্সী বাড়িতে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সিয়াম ওই গ্রামের মো. এনামুল হকের ছেলে।

ঘটনার পরপরই পুলিশ প্রেমিকা নাঈমা জাহান (১৫) এবং নিহত সিয়ামের বন্ধু আরিয়ান খান মাহিদকে (২২) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। নাঈমা ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার ঘোষগ্রামের বাসিন্দা মৃত আবদুল জলিল মৃধার মেয়ে। আরিয়ান চৌদ্দগ্রামের বাতিসা ইউনিয়নের চাঁন্দকরা গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সিয়াম ও নাঈমার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। নাঈমা পুলিশকে জানিয়েছে, সম্পর্কের জেরে তারা ঢাকায় বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে একাধিকবার রাত্রিযাপন করেছে। সম্প্রতি নাঈমা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে সিয়াম জোরপূর্বক তার তিন মাসের গর্ভস্থ সন্তান নষ্ট করায়। নাঈমা বিয়ের জন্য চাপ দিলে সিয়াম টালবাহানা শুরু করে। এরই মধ্যে সিয়াম ২০ হাজার টাকা নিয়ে তাকে লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাড়িতে আসার জন্য চাপ দেয়।

রোববার রাতে নাঈমা সিয়ামের লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে একটি কক্ষে সিয়াম, নাঈমা ও সিয়ামের বন্ধু আরিয়ান রাত্রিযাপন করে। সোমবার ভোরে সিয়াম নাঈমাকে ঘর থেকে দ্রুত ও গোপনে চলে যাওয়ার জন্য বললে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ঘরে থাকা ছুরি দিয়ে সিয়ামের পেটে আঘাত করে নাঈমা। সিয়ামের চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে নাঈমা ও আরিয়ানকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়।

চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি জব্দ করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নাঈমা তার প্রেমিক সিয়ামকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। ঘটনাটি গুরুত্বসহ তদন্ত করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে বিস্তারিত আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


img

ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে ‘কাট’ বলার পরও থামেননি কঙ্গনা

প্রকাশিত :  ০৯:৫০, ২৯ জুন ২০২৬

বলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপির সংসদ সদস্য কঙ্গনা রনৌত এবং অভিনেতা-কমেডিয়ান বীর দাস অভিনীত ২০১৪ সালের ‘রিভলবার রানি’ চলচ্চিত্রের একটি চুম্বনের দৃশ্যকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মুক্তির প্রায় এক যুগ পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক সাংবাদিকের বিস্ফোরক দাবি ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

সম্প্রতি সিদ্ধার্থ কান্নানের পডকাস্টে সাংবাদিক সিমি চান্দোক দাবি করেন, সিনেমাটির একটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের শুটিংয়ে ‘কাট’ বলার পরও কঙ্গনা নাকি বীর দাসকে চুমু খেতে থাকেন। তার ভাষ্য, এতে বীর দাসের ঠোঁটে আঘাত লাগে এবং রক্ত বের হয়।

পডকাস্টে তিনি বলেন, ‘বীর দাসকে একদিন আমার পডকাস্টে আনতে হবে। ওই সময়ের কথা মনে করলে হয়তো কেঁদেই ফেলবে। “রিভলবার রানি” সিনেমার একটি দৃশ্যে কঙ্গনার তাকে গভীরভাবে চুমু খাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দৃশ্য শেষ হয়ে যাওয়ার পরও তিনি থামেননি। বেচারার ঠোঁট কামড়ে রক্ত বের করে দিয়েছিলেন।’

তবে এই বক্তব্যের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য কোনো প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি। কঙ্গনা রনৌত বা বীর দাস—দুজনের কেউই এ বিষয়ে নতুন করে কোনো মন্তব্য করেননি।

এর আগে ২০২৩ সালেও একই ধরনের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল। তখন কঙ্গনা ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ব্যঙ্গাত্মক প্রতিক্রিয়া জানিয়ে লিখেছিলেন, ‘হৃতিক রোশনের পর এবার নাকি বেচারা বীর দাসেরও মানহানি করলাম? এটা আবার কবে হলো?’ সঙ্গে তিনি হাসি, জিভ বের করা ও ফেসপাম ইমোজিও ব্যবহার করেন। তার ওই প্রতিক্রিয়া থেকে অভিযোগটি তিনি গুরুত্ব দেননি বলেই ধারণা করা হয়।

কঙ্গনাকে সর্বশেষ দেখা গেছে ‘ভারত ভাগ্যবিধাত’ সিনেমায়। ১২ জুন মুক্তি পাওয়া ছবিটি ২০০৮ সালের মুম্বাইয়ের ২৬/১১ সন্ত্রাসী হামলার সময় কামা অ্যান্ড অ্যালব্লেস হাসপাতালের কর্মীদের সাহসিকতার সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত।

অন্যদিকে, বীর দাস সম্প্রতি ‘হ্যাপি প্যাটেল: খতরনাক জাসুস’ সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালক হিসেবেও কাজ করেছেন।