img

‘বিয়ে না করলেও সমস্যা নেই’, মেয়েকে নিয়ে কিয়ারার স্পষ্ট বার্তা

প্রকাশিত :  ১৬:৫৫, ১৭ মে ২০২৬

‘বিয়ে না করলেও সমস্যা নেই’, মেয়েকে নিয়ে কিয়ারার স্পষ্ট বার্তা

মেয়ে সারায়াহর ভবিষ্যৎ এবং সম্পর্ক নিয়ে নিজের খোলামেলা দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেছেনব লিউড অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি। 

সম্প্রতি রাজ শামানীর পডকাস্টে অংশ নিয়ে এই অভিনেত্রী জানান, বড় হয়ে তার মেয়ে কেমন জীবন বেছে নেবে, তা সম্পূর্ণ মেয়ের ইচ্ছার ওপরই নির্ভর করবে। কিয়ারা চান না তার মেয়ে কোনো সামাজিক বা মানসিক বাধ্যবাধকতার মধ্যে বড় হোক। বর্তমানে এই অভিনেত্রীর মেয়ের বয়স ১০ মাস। 

পডকাস্টে কিয়ারা জানান, তিনি কখনোই চান না তার মেয়ে মনে করুক যে তাকে কেবল একজন মানুষের সঙ্গেই প্রেম করতে হবে এবং তাকেই বিয়ে করতে হবে। তিনি তার মেয়েকে একটি স্বাধীন ও পরিপূর্ণ জীবন দিতে চান। এমনকি সারায়াহ যদি ভবিষ্যতে বিয়ে করতে না-ও চায়, মা হিসেবে কিয়ারা তাতে সম্পূর্ণ সমর্থন জানাবেন। 

সাক্ষাৎকারে কিয়ারা বলেন, ‘আমি চাই ও একটি পরিপূর্ণ জীবন দেখুক। আমি চাই না ও ভাবুক যে তাকে কেবল একজন মানুষের সঙ্গেই ডেট করতে হবে... এখানে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। ও যদি বিয়ে করতে চায়, করবে; আর যদি না করতে চায়, তবে করবে না।’ 

নিজের অতীত অভিজ্ঞতা শেয়ার করে কিয়ারা স্বীকার করেন যে, তরুণ বয়সে তিনি যার সঙ্গেই সম্পর্কে জড়িয়েছেন, তাকেই বিয়ে করবেন বলে ভাবতেন। তবে জীবন সব সময় মনের মতো চলে না। 

বর্তমান জীবনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘জীবন আসলে ওভাবে চলে না। আর সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ যে জীবন ওভাবে চলেনি, কারণ ঈশ্বর আমার জীবনের চূড়ান্ত সঙ্গী হিসেবে যাকে (সিদ্ধার্থ মালহোত্রা) বেছে নিয়েছেন, তাকে নিয়ে আমি অত্যন্ত সুখী। 

তবে বড় হওয়ার দিনগুলোতে আপনি যেসব সম্পর্কের মধ্য দিয়ে যান, সেগুলো আপনাকে কিছু না কিছু শেখায়। অবশেষে সেগুলোই আপনাকে একজন পরিপক্ক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে।’ 

সূত্র: নিউজ১৮ 

img

যদি ভালো না লাগে তাহলে গুলি করব, ঠিক আছে?’

প্রকাশিত :  ১৫:৪১, ১৭ জুন ২০২৬

ইরানের সঙ্গে ঘোষিত সমঝোতা স্মারককে চূড়ান্ত চুক্তি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, এটি মূলত পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আলোচনার ভিত্তি তৈরির একটি সমঝোতা। বুধবার মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

জি৭ সম্মেলনের ফাঁকে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমার যদি এটি (চুক্তি) ভালো না লাগে, তাহলে আমরা আবার তাদের ওপর গুলি চালাব। তাদের মাথার ওপর বোমা ফেলব। তারা যদি আচরণ ঠিক না করে, তাহলে মাথার ঠিক মাঝখানে বোমা ফেলতে শুরু করব। ঠিক আছে?’

ঘোষিত সমঝোতার মধ্যে ইরানের জন্য তাৎক্ষণিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কোনো ব্যবস্থা নেই। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও উল্লেখ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে ডোনাল্ড ট্রাম্প ছাড়াও শিল্পোন্নত ও আমন্ত্রিত কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। এক বিবৃতিতে জি৭ নেতারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া প্রাথমিক শান্তি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা চুক্তি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমাতে জ্বালানি সরবরাহের বিকল্প পথ গড়ে তোলারও চেষ্টা করবেন।

বিবৃতিতে বলা হয়ছে, ইউক্রেনের প্রতি ঐক্যবদ্ধ সমর্থন অব্যাহত রাখা হবে। এর মধ্যে দেশটির ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত। একইসঙ্গে নেতারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরও জোরদার করতে সম্মত হয়েছেন।

বুধবার সম্মেলনের তৃতীয় দিনের মূল আনুষ্ঠানিকতা শেষে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ভারসাম্যহীনতা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, এই আলোচনায় খনিজ সরবরাহের ক্ষেত্রে চীনের ওপর নির্ভরতা কমানোর বিষয়টি গুরুত্ব পেতে পারে

বিনোদন এর আরও খবর