img

থালাপতি বিজয়ের বিরুদ্ধে গর্ভপাতের অভিযোগ অভিনেত্রীর

প্রকাশিত :  ১৪:৪৬, ০১ জুন ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৪:৫৫, ০১ জুন ২০২৬

থালাপতি বিজয়ের বিরুদ্ধে গর্ভপাতের অভিযোগ অভিনেত্রীর

দক্ষিণী অভিনেতা ও তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয় এবার বিতর্কের মুখে। অভিনেত্রী জুলির অভিযোগ, এই অভিনেতার ভক্তদের পক্ষ থেকে আসা বিরতিহীন অনলাইন ট্রোলিং ও মানসিক হেনস্তা তার গর্ভপাতের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই ঘটনাটি নিয়ে বর্তমানে দক্ষিণী বিনোদন ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

সম্প্রতি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জুলি দাবি করেন, বিয়ের পর তিনি প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় ছিলেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ও তার স্বামীকে নিয়ে ধারাবাহিকভাবে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অপপ্রচার চালানো হয়, যা তাকে গভীর মানসিক সংকটে ফেলে।

তার অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে চলা এই অনলাইন হয়রানি তার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। একপর্যায়ে তিনি গর্ভপাতের শিকার হন।

জুলি বলেন, “আমার সন্তান হারানোর জন্য বিজয় আন্না দায়ী।” তবে তিনি স্পষ্ট করে জানান, থালাপতি বিজয় সরাসরি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। তার অভিযোগ, সমর্থকদের লাগামহীন আচরণ বন্ধে বিজয় কোনো পদক্ষেপ নেননি।

অভিনেত্রীর দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে লক্ষ্য করে সংগঠিতভাবে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। এমনকি অভিযোগ দায়েরের পর তার বিরুদ্ধে ‘১৫ লাখ টাকার কিডনি কেলেঙ্কারি’ সম্পর্কিত নানা তথ্যও ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যাকে তিনি পরিকল্পিত চরিত্রহননের চেষ্টা বলে উল্লেখ করেছেন।

এর আগে চলতি বছরের মার্চ মাসে এ বিষয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন জুলি। অভিযোগে আটজনের নাম উল্লেখ করা হলেও পরে তাকে জানানো হয়, বিষয়টি ফৌজদারি অপরাধের পরিবর্তে দেওয়ানি মানহানির আওতায় বিবেচিত হতে পারে।

জুলি মনে করেন, রাজনৈতিক সমর্থকদের একটি অংশ সমালোচকদের হয়রানিতে ব্যস্ত না থেকে জনস্বার্থে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে তিনি জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতাদের তাদের অনুসারীদের আচরণের বিষয়ে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান।

তবে এ অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত থালাপতি বিজয় কিংবা তার রাজনৈতিক দল টিভিকের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সূত্র: বলিউড লাইফ

img

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে অংশ নিয়ে আটক অভিনেত্রী আয়েশা খান

প্রকাশিত :  ১৩:৩৭, ২৩ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৩:৪২, ২৩ জুলাই ২০২৬

ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে চলমান শিক্ষার্থী বিক্ষোভে অংশ নিতে গিয়ে মুম্বাইয়ের দাদার এলাকায় পুলিশের হাতে আটক হন অভিনেত্রী আয়েশা খান। পরে তাকে ওরলি থানায় নেওয়া হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম  এক ভিডিও বার্তায় তিনি নিজেই আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘এখন আমার হাত সত্যিই কাঁপছে। আমি শুধু শান্তভাবে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ আমাকে পুলিশের ভ্যানে তুলে আটক করা হয়েছে।’

আয়শার দাবি, তিনি বিক্ষোভ শুরু করেননি। এর আগেই তার ভাই এবং কয়েকজন পুরুষ বন্ধুকে পুলিশ আটক করে। সেসময়ে তিনি শুধু রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। 

আয়শার শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যায়, আর এক যুবক বলছেন, তার গণিতের পরীক্ষা রয়েছে। কোনো কারণ ছাড়াই তাকে আটক করা হয়েছে বলে তারও অভিযোগ। 

তিনি বলেন, যদি পরীক্ষা দিতে না পারেন, তা হলে বড় সমস্যায় পড়বেন। আর একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আয়েশা পুলিশকর্মীদের জিজ্ঞেস করছেন, তাদের কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে সেই প্রশ্নের কোনও উত্তর তিনি পাননি। চার জন মহিলা পুলিশকর্মী জোর করে আয়শাকে ভ্যানে তুলছেন, এমন একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। 

সেই ভিডিওর সঙ্গে তিনি লেখেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাকে ভ্যানে তুলতে চার জন মহিলা পুলিশকর্মী এসেছিলেন। কিন্তু আমি আবার একই প্রশ্ন করছি, কেন? আমি কি কোনও হইচই করেছি? আমি কি কোনও কথাবার্তা শুরু করেছিলাম? আমাকে কেন আটক করা হলো? শুধু রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকার জন্য? আমি তো পাঁচ জনের দলের মধ্যেও ছিলাম না।

আয়শা পুরো ঘটনায় স্তম্ভিত হয়ে যান। তাকে ওরলি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেই ভিডিওতে তিনি পুরো ঘটনার বর্ণনা দেন। আয়শা জানান, তিনি তার ভাই এবং কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে নিট পরীক্ষার্থীদের সমর্থনে দাদারে বিক্ষোভে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে পৌঁছাতেই পুলিশ জানায়, ওই জায়গায় বিক্ষোভ করা যাবে না। এরপর তার ভাই এবং অন্য পুরুষ বন্ধুদের পুলিশের ভ্যানে তুলে আটক করা হয়।

আয়শার দাবি, তিনি তখন শুধু রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভাবছিলেন, কী করবেন এবং কীভাবে তার ভাইয়ের খোঁজ পাবেন। সেই সময়ে প্রায় ১৫ জন পুলিশকর্মী এসে তাদের ভ্যানে উঠতে বলেন। তার অভিযোগ, জোর করে তাদের ভ্যানে তুলে ওরলি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

তবে ভিডিওতে আয়শা ওরলি থানার পুলিশকর্মীদের প্রশংসাও করেন। প্রত্যেকে খুবই ভাল ব্যবহার করেছেন বলে জানান। যদিও তাঁকে কেন আটক করা হলো, সেই প্রশ্নের উত্তর এখনো তাঁর কাছে স্পষ্ট নয় বলেও দাবি করেন তিনি।