img

সিনেমায় চুম্বন দৃশ্য, শুটিংয়ের তিক্ত অভিজ্ঞতা জানালেন প্রিয়া বাপাট

প্রকাশিত :  ১১:০৩, ০৭ জুন ২০২৬

সিনেমায় চুম্বন দৃশ্য, শুটিংয়ের তিক্ত অভিজ্ঞতা জানালেন প্রিয়া বাপাট

সিনেমার শুটিংয়ে প্রায়ই অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার নিয়ে কথা বলতে দেখা যায় অভিনেত্রীদের। বিষয়টি নিয়ে নির্মাতা-অভিনেতাদের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগও তোলেন অনেকে। এবার সেটে অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার কথা জানালেন অভিনেত্রী প্রিয়া বাপাট।

তিনি জানান, একটি সিনেমার শুটিংয়ে সহ-অভিনেতার আচরণ তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলেছিল।

মারাঠি, হিন্দি সিনেমাসহ ওটিটি দুনিয়ায় বেশ মুখ প্রিয়া বাপাট। ‘কাকস্পর্শ’, ‘সিটি অব ড্রিম’ ‘হ্যাপি জার্নি’ এবং ‘রাত জাওয়ান হ্যায়’-এর মত সিনেমা কাজ করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি ফিল্মফেয়ারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রিয়া জানান, ক্যারিয়ারের একেবারে শুরুর দিকে কিছু কাজ করতে গিয়ে অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। একটি সিনেমা চুম্বনের দৃশ্য ছিল, যা নিয়ে শুরু থেকেই তার আপত্তি ও প্রশ্ন ছিল। বারবার পরিচালকের কাছে তিনি জানতে চেয়েছেন, গল্পের প্রয়োজনেই কি দৃশ্যটি রাখা হয়েছে, নাকি অযথাই যুক্ত করা হয়েছে।

প্রিয়ার ভাষায়, ‘আমি বারবার জানতে চেয়েছিলাম, এখানে এই দৃশ্যের প্রয়োজন কী? বিষয়টি আমি চুম্বন দৃশ্যে অভিনয় করব কি না, তা নয়। বরং গল্পের সঙ্গে এটি কতটা মানানসই, সেটাই জানতে চেয়েছিলাম।’

তবে শেষ পর্যন্ত পেশাদারিত্বের জায়গা থেকে তিনি দৃশ্যটি করতে রাজি হন। কিন্তু শুটিং চলাকালে পরিস্থিতি তার প্রত্যাশার বাইরে চলে যায়। অভিনেত্রীর অভিযোগ, দৃশ্যের মহড়া ও পরিকল্পনার বাইরে গিয়ে তার সহ-অভিনেতা বারবার তাকে চুমু দেওয়ার চেষ্টা করেন।

প্রিয়া বলেন, ‘গানের দৃশ্যের মধ্যে অভিনেতা বারবার নিজে থেকে নতুন কিছু যোগ করছিলেন। তিনি আমাকে বারবার চুমু চেষ্টা করছিলেন। তখন আমি নিজের পক্ষে দাঁড়াতে পারিনি। কীভাবে পরিস্থিতি সামলাতে হবে, সেটাই বুঝতে পারছিলাম না।’

শুধু শুটিং সেটেই নয়, শুটিংয়ের বাইরেও ওই অভিনেতা তার প্রতি ব্যক্তিগত আগ্রহ দেখাতে থাকেন বলে জানান প্রিয়া। একাধিকবার না বলার পরও তিনি চেষ্টা চালিয়ে যান।

শুটিং সেটে আপত্তিকর অবস্থার কথা জানালেও তিনি ওই সহ-অভিনেতার নাম প্রকাশ করেননি। তবে ঘটনাটি তার কাছে অত্যন্ত অস্বস্তিকর এবং মানসিকভাবে চ্যালেঞ্জিং ছিল বলে উল্লেখ করেছেন অভিনেত্রী। সূত্র: এনডিটিভি


img

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে অংশ নিয়ে আটক অভিনেত্রী আয়েশা খান

প্রকাশিত :  ১৩:৩৭, ২৩ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৩:৪২, ২৩ জুলাই ২০২৬

ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে চলমান শিক্ষার্থী বিক্ষোভে অংশ নিতে গিয়ে মুম্বাইয়ের দাদার এলাকায় পুলিশের হাতে আটক হন অভিনেত্রী আয়েশা খান। পরে তাকে ওরলি থানায় নেওয়া হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম  এক ভিডিও বার্তায় তিনি নিজেই আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘এখন আমার হাত সত্যিই কাঁপছে। আমি শুধু শান্তভাবে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ আমাকে পুলিশের ভ্যানে তুলে আটক করা হয়েছে।’

আয়শার দাবি, তিনি বিক্ষোভ শুরু করেননি। এর আগেই তার ভাই এবং কয়েকজন পুরুষ বন্ধুকে পুলিশ আটক করে। সেসময়ে তিনি শুধু রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। 

আয়শার শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যায়, আর এক যুবক বলছেন, তার গণিতের পরীক্ষা রয়েছে। কোনো কারণ ছাড়াই তাকে আটক করা হয়েছে বলে তারও অভিযোগ। 

তিনি বলেন, যদি পরীক্ষা দিতে না পারেন, তা হলে বড় সমস্যায় পড়বেন। আর একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আয়েশা পুলিশকর্মীদের জিজ্ঞেস করছেন, তাদের কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে সেই প্রশ্নের কোনও উত্তর তিনি পাননি। চার জন মহিলা পুলিশকর্মী জোর করে আয়শাকে ভ্যানে তুলছেন, এমন একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। 

সেই ভিডিওর সঙ্গে তিনি লেখেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাকে ভ্যানে তুলতে চার জন মহিলা পুলিশকর্মী এসেছিলেন। কিন্তু আমি আবার একই প্রশ্ন করছি, কেন? আমি কি কোনও হইচই করেছি? আমি কি কোনও কথাবার্তা শুরু করেছিলাম? আমাকে কেন আটক করা হলো? শুধু রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকার জন্য? আমি তো পাঁচ জনের দলের মধ্যেও ছিলাম না।

আয়শা পুরো ঘটনায় স্তম্ভিত হয়ে যান। তাকে ওরলি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেই ভিডিওতে তিনি পুরো ঘটনার বর্ণনা দেন। আয়শা জানান, তিনি তার ভাই এবং কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে নিট পরীক্ষার্থীদের সমর্থনে দাদারে বিক্ষোভে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে পৌঁছাতেই পুলিশ জানায়, ওই জায়গায় বিক্ষোভ করা যাবে না। এরপর তার ভাই এবং অন্য পুরুষ বন্ধুদের পুলিশের ভ্যানে তুলে আটক করা হয়।

আয়শার দাবি, তিনি তখন শুধু রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভাবছিলেন, কী করবেন এবং কীভাবে তার ভাইয়ের খোঁজ পাবেন। সেই সময়ে প্রায় ১৫ জন পুলিশকর্মী এসে তাদের ভ্যানে উঠতে বলেন। তার অভিযোগ, জোর করে তাদের ভ্যানে তুলে ওরলি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

তবে ভিডিওতে আয়শা ওরলি থানার পুলিশকর্মীদের প্রশংসাও করেন। প্রত্যেকে খুবই ভাল ব্যবহার করেছেন বলে জানান। যদিও তাঁকে কেন আটক করা হলো, সেই প্রশ্নের উত্তর এখনো তাঁর কাছে স্পষ্ট নয় বলেও দাবি করেন তিনি।