img

এই ঈদে আসছে শাকিব-সাবিলার ‘রকস্টার’

প্রকাশিত :  ০৯:৩৯, ২৬ মে ২০২৬

এই ঈদে আসছে শাকিব-সাবিলার ‘রকস্টার’

বহুল আলোচিত সিনেমা রকস্টার ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে মুক্তির প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে । আজমান রুশো পরিচালিত সিনেমাটি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড থেকে ইউ (U) সার্টিফিকেট পেয়েছে।

পরিচালক আজমান রুশো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সান মোশন পিকচার্স লিমিটেড প্রযোজিত সিনেমাটি নিয়ে ইতোমধ্যে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

ঈদে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির অপেক্ষায় থাকা সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের শীর্ষ নায়ক শাকিব খান। নির্মাতারা জানিয়েছেন, সিনেমাটিতে এক রকস্টারের উত্থান-পতন, তারকাখ্যাতির চাপ ও ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের গল্প তুলে ধরা হয়েছে। 

সিনেমাটির অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে থাকছেন তিন নায়িকা। সম্প্রতি প্রকাশিত টিজারে শাকিব খানের সঙ্গে দেখা গেছে সাবিলা নূর, তানজিয়া জামান মিথিলা এবং সুনিধি নায়েককে।

টিজার প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিনেমাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টদের ধারণা, ঈদে মুক্তি পাওয়া সিনেমাগুলোর মধ্যে ‘রকস্টার’ বক্স অফিসে বড় প্রতিযোগিতা তৈরি করতে পারে। 

img

সাবেক প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদকে নিয়ে মাহিয়া মাহির বিস্ফোরক অভিযোগ

প্রকাশিত :  ১৮:১৫, ১১ জুলাই ২০২৬

বহুল আলোচিত-সমালোচিত চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি ও সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের পুরোনো সেই অডিও ফাঁসের ঘটনাটি নিয়ে আবারও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে একটি দীর্ঘ ভিডিওবার্তা প্রকাশ করে মাহি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বেশ কিছু বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন।

ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই ডা. মুরাদ হাসানের দ্বারা ভুক্তভোগী বলে অভিযোগ মাহির।

এ চিত্রনায়িকা জানান, ডা. মুরাদ হাসান তাকে প্রতিনিয়ত বিরক্ত করতেন বলে তিনি প্রতিমন্ত্রীর নম্বর ব্লক করে রেখেছিলেন। ভাইরাল হওয়া অডিওতে ডা. মুরাদ নিজেই বলেছিলেন, ‘ও তো আমার ফোন ধরবে না।’ মাহি বলেন, তিনি সরাসরি ফোন ধরতেন না বলেই ডা. মুরাদ অন্য মানুষের ফোন ব্যবহার করে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন।

অডিওতে ডা. মুরাদ হাসান মাহিকে তুলে নেওয়ার জন্য র‍্যাব, পুলিশ, এনএসআই ও ডিজিএফআই পাঠানোর হুমকি দিয়েছিলেন।

মাহি প্রশ্ন তোলেন, যদি তাদের মধ্যে ভালো সম্পর্কই থাকত, তবে কেন তাকে এভাবে ভয় দেখানো হতো? মূলত ডা. মুরাদকে এড়িয়ে চলতেন বলেই তাকে দমাতে ক্ষমতার প্রভাব খাটানো হয়েছিল।

হুমকি পাওয়ার পর মাহি ইন্ডাস্ট্রির অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং সহকর্মীদের কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন। অনেকেই বিষয়টি জানতেন। কিন্তু ডা. মুরাদ মন্ত্রী হওয়ায় সবাই \"আমরা কী করব?\" বলে এড়িয়ে যান।

এমনকি কিছু সহকর্মী রাতে ফোন করে মাহিকে সতর্ক করতেন যেন রাত ১১টার পর তিনি ফোন না ধরেন, কারণ ওই সময়ে ডা. মুরাদ তাদের সামনেই থাকতেন।

মাহি বলেন, তিনি যদি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পৌঁছাতে পারতেন, তবে অবশ্যই বিষয়টি তাকে জানাতেন এবং বিশ্বাস করেন যে তিনি এর বিচার করতেন।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাওয়ার কোনো সুযোগ না থাকায় বাধ্য হয়ে পরিস্থিতি তাকে একাই ঠান্ডা মাথায় ও ভদ্রভাবে সামলাতে হয়েছিল।

অডিওতে ডা. মুরাদের গালিগালাজের বিপরীতে মাহির হেসে কথা বলা নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। এর জবাবে মাহি বলেন, \"আমি যদি তখন গালিগালাজ করতাম আর পরে আমার বড় কোনো ক্ষতি হয়ে যেত, সেই দায়িত্ব কে নিত?\"

সবশেষে মাহি দাবি করেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে ডা. মুরাদ শুধু তাকেই নয়, চলচ্চিত্র অঙ্গনের আরও অনেক নায়িকা, কণ্ঠশিল্পী এবং সংবাদ উপস্থাপিকাকে একইভাবে উত্যক্ত ও হেনস্তা করেছেন। ক্ষমতার ভয়ে তখন কেউ মুখ খুলতে পারেননি।

তিনি বলেন, ‘আমি শুনেছি আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই—নিউজ প্রেজেন্টার, সিঙ্গারসহ অসংখ্য নারী তার (ডা. মুরাদ হাসান) বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন। তাই বিষয়টা অনেকেই বুঝবেন না।’