img

কাকে ‘ভণ্ড হুজুর’ বললেন মারিয়া মিম

প্রকাশিত :  ০৮:১০, ১২ মে ২০২৬

কাকে ‘ভণ্ড হুজুর’ বললেন মারিয়া মিম

ছোট পর্দার পরিচিত অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমানের প্রাক্তন স্ত্রী ও মডেল মারিয়া মিমের একটি ফেসবুক পোস্ট ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ওই পোস্টে নাম উল্লেখ না করে একজনকে ‘ভণ্ড হুজুর’ বলে সম্বোধন করেন তিনি।

সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পোস্টে মারিয়া মিম লেখেন, ‘ভণ্ড হুজুর ফেসবুকটা নোংরা বানায় ফেলতেছে।’ পোস্টটি প্রকাশের পরই নেটিজেনদের মধ্যে শুরু হয় নানা জল্পনা-কল্পনা। অনেকেই ধারণা করছেন, তিনি তার প্রাক্তন স্বামী সিদ্দিকুর রহমানকেই ইঙ্গিত করেছেন।

পোস্টের মন্তব্যের ঘরেও বিষয়টি নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ সরাসরি সিদ্দিকুর রহমানের নাম উল্লেখ করেছেন। অনেকে মনে করছেন, অভিনেতার সাম্প্রতিক ধর্মীয় বেশভূষা ও বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই এই মন্তব্য করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগের পর গত ১৮ মার্চ মুক্তি পান সিদ্দিকুর রহমান। মুক্তির পর তার চেহারা ও জীবনাচরণে পরিবর্তন দেখা যায়। বর্তমানে তিনি নিয়মিত টুপি পরেন এবং দাঁড়ি রেখেছেন। একাধিক সাক্ষাৎকারে তিনি ধর্মীয় অনুশীলনে মনোযোগী হওয়ার কথাও জানিয়েছেন।

এর আগে এক সাক্ষাৎকারে মারিয়া মিমকে নিজের ‘দুর্বল জায়গা’ বলেও উল্লেখ করেছিলেন সিদ্দিকুর রহমান। ফলে সাম্প্রতিক ভাইরাল ভিডিও ও বক্তব্যের প্রেক্ষাপটেই এই পোস্ট এসেছে বলে মনে করছেন অনেকে।

এদিকে সম্প্রতি এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ব্যক্তিগত জীবন ও প্রাক্তন স্বামীকে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ক্ষোভ প্রকাশ করে আলোচনায় আসেন মারিয়া মিম। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই রহস্যময় এই পোস্ট নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

২০১২ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সিদ্দিকুর রহমান ও মারিয়া মিম। ২০১৯ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়। তাদের সংসারে আরশ হোসাইন নামে এক পুত্রসন্তান রয়েছে। তবে সর্বশেষ পোস্টে তিনি কাকে উদ্দেশ করে মন্তব্য করেছেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানাননি মারিয়া মিম।

img

জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে অভিনেতা জাহের আলভী

প্রকাশিত :  ১২:৫০, ১৮ জুন ২০২৬

ছোটপর্দার অভিনেতা নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া ওরফে জাহের আলভীকে স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরা আত্মহত্যার প্ররোচনায় অভিযোগে করা মামলায়  কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীদের মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন আলভী। শুনানি শেষে দুপুর আড়াইটার দিকে আবেদন নামঞ্জুর করে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশীদ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। 

অভিনেতার জামিন আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামি এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নন। প্রেমের বিয়ে করার কারণে বাদী শুধু ব্যক্তিগত জিদ ও প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে হয়রানিমূলকভাবে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার এজাহারে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। 

আরও বলা হয়, আসামি গুরুতর অসুস্থ। ক্রনিক অ্যাজমা ব্রঙ্কাইটিস বা গুরুতর হাঁপানি রোগে ভুগছেন। 

গত ১৩ জুন আসামি অ্যাজমা এট্যাক হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। আসামির বর্তমান শারীরিক অবস্থায় কোনোভাবেই বন্ধ জায়গায় বা জেল-হাজতে আটক রাখা সমীচীন হবে না। যা কিনা তার শ্বাসরোধ হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য জামিনে মুক্তি দিয়ে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা অনিবার্য। 

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুরের ডিওএইচএসের বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই দিন রাতেই মামলা করেন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি। 

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) আসামি পক্ষের আইনজীবী ঢাকা বারের সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূইয়াসহ অনেকেই আলভীর পক্ষে জামিন চেয়ে শুনানি করেন। বাদীপক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। 

প্রসঙ্গত, আলভী ও ইকরা ২০১০ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। এই মামলায় গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছিলেন। 

বিনোদন এর আরও খবর