img

হানিয়া-আসিমের ভাইরাল ভিডিও নিয়ে নেটিজেনদের জল্পনা

প্রকাশিত :  ১০:৪০, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

হানিয়া-আসিমের ভাইরাল ভিডিও নিয়ে নেটিজেনদের জল্পনা

সফল তারকা জুটি হিসেবে বেশ পরিচিত অভিনেত্রী হানিয়া আমির ও অভিনেতা আসিম আজহার। ২০১৮ সালের দিকে এ তারকা জুটির ঘনিষ্ঠতা প্রথম সামাজিক মাধ্যমে আলোচনায় আসে। একটা সময় তাদের প্রেম ছিল খোলামেলা। এরপর তিক্ত বিচ্ছেদ তাদের আলাদা করে দেয়। 

দীর্ঘ নীরবতার পর সম্প্রতি তাদের ঘনিষ্ঠতা আবারও নজর কেড়েছে নেটিজেনদের মাঝে। যুক্তরাষ্ট্রের আসিম আজহারের কনসার্টে হঠাৎ করেই দেখা মেলে হানিয়া আমিরের। আর তারপরই ভাইরাল একটি ভিডিও ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা— বন্ধুত্ব নাকি পুরনো সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু। 

পরে তাদের সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়েছে বলে খবর প্রকাশ পায়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে আবারও তাদের একসঙ্গে ঘনিষ্ঠতা সম্পর্কে নতুন করে গুঞ্জন তৈরি করেছে। সেই সঙ্গে আলোচনায় আসে আসিম আজহারের আগের বাগদান ভেঙে যাওয়ার বিষয়টিও।

সম্প্রতি একটি কনসার্টে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন অভিনেতা আসিম আজহার। সেখানেই দর্শকদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী হানিয়া আমির। তাকে দেখতে পেয়েই ভক্ত-অনুরাগীদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। কনসার্ট চলাকালীন হঠাৎই মঞ্চে ঘটে যায় এক চমকপ্রদ মুহূর্ত।  কিছু সময়ের জন্য হানিয়া আমিরের হাত ধরে রাখেন আসিম। সেই দৃশ্যই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে পড়ে। ভিডিওতে দুজনকে হাসিখুশি ও স্বাভাবিক ভঙ্গিতে দেখা যায়, যা ভক্ত-অনুরাগীদের কৌতূহল আরও বাড়িয়ে দিয়েছে, যা পুরো ঘটনাকে আরও আলোচিত করে তোলে।

সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, দর্শকরা চিৎকার করে \'হানিয়া, হানিয়া\' বলে ডাকছেন। আবার আসিম গান গাওয়ার সময় তার কয়েকজন ভক্তের হাত ধরেন। আর প্রথম সারিতেই ছিলেন হানিয়া। আসিমও সেই মুহূর্তে হাসিমুখে সাড়া দেন, আর হানিয়ার দিকে হাত বাড়িয়ে দেন। এ ঘটনায় তাদের প্রেম নিয়ে নতুন আলোচনার সূত্রপাত।  

তবে কনসার্টে নিজেকে আড়ালে রাখতে চেয়েছিলেন হানিয়া আমির। অভিনেত্রী মুখ ঢেকেছিলেন যে রুমাল দিয়ে, তাতে বড় বড় অক্ষরে লেখা ছিল ‘আসিম আলি’। ভিড়ের মধ্যে নিজেকে লুকিয়ে রাখতে চাইলেও ভক্তরা  ঠিকই তাকে চিনে ফেলেন। সামাজিক মাধ্যমে একাধিক ছবি আর ভিডিও সামনে আসে সেই কনসার্টে হানিয়া আমিরের। 

ভাইরাল সেই ভিডিও ঘিরে নেটদুনিয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। কেউ বলছেন, এটি কেবল বন্ধুত্ব। আবার কারও কারও মতে, এটা পুরোনো সম্পর্ক নতুন করে জোড়া লাগার ইঙ্গিত। তবে এত জল্পনা-কল্পনার মাঝেও এখন পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেননি আসিম আজহার বা হানিয়া আমির। তাই প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে।


বিনোদন এর আরও খবর

img

তাহলে কি ভেঙে যাচ্ছে সাবিলার ৭ বছরের সংসার?

প্রকাশিত :  ০৬:৪৮, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৬:৫২, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

শোবিজ অঙ্গনে একের পর এক তারকার দাম্পত্য টানাপড়েন ও বিচ্ছেদ সংবাদের মাঝে এবার আলোচনায় এসেছে ছোট ও বড় পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূরের নাম। স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের টানাপড়েন এবং আলাদা থাকার গুঞ্জন নিয়ে বিনোদনপাড়ায় তুমুল চর্চা চলছে। সাত বছরের প্রেমের পর ২০১৯ সালে পারিবারিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া এই তারকা জুটির বিচ্ছেদ এখন কেবলই সময়ের ব্যাপার বলে বাতাসে খবর ভাসছে।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সাবিলা নূরের দাম্পত্য কলহের পেছনে রয়েছে শোবিজপাড়ারই একজন ডিরেক্টর অব ফটোগ্রাফি (ডিওপি) আবদুল মামুনের সঙ্গে নতুন সম্পর্কের সূচনা। ‘রকস্টার’ সিনেমার দৃশ্যধারণের সময় কাজের সূত্রে দুজনের পরিচয় ঘটে, যা পরবর্তীতে ব্যক্তিগত সম্পর্কে রূপ নেয়। কাজের সেটে তাদের এই ঘনিষ্ঠতা পুরো টিমের কাছে ‘ওপেন সিক্রেট’ ছিল বলেও সংশ্লিষ্ট ইউনিট সূত্রে দাবি করা হচ্ছে। এমনকি এতে কাজের ব্যাঘাত ঘটায় প্রযোজনা পক্ষ তাকে পরিবর্তনের কথাও ভেবেছিল, তবে শেষ পর্যন্ত কাজ সম্পন্ন করার স্বার্থেই বিষয়টি চেপে রাখা হয়।

এদিকে অভিনেত্রীর এই নতুন সম্পর্কের প্রভাব কেবল তার নিজের সংসারেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; এর ফলে তিশা নামের এক তরুণীর দীর্ঘ সাত বছরের ভালোবাসার সম্পর্ক ও প্রায় চূড়ান্ত হয়ে যাওয়া বিয়ে ভেঙে গেছে বলে জোরালো অভিযোগ উঠেছে। সহকারী পরিচালক থেকে প্রযোজনা জগতে আসা তিশা জানান, ‘রকস্টার’ সিনেমার কাজ শেষ হওয়ার পরপরই মে মাসের ১৫ তারিখে ডিওপি আবদুল মামুনের সঙ্গে তার সামাজিক বিয়ের দিনক্ষণ চূড়ান্ত ছিল।

গণমাধ্যমে ক্ষোভ ও কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিশা অভিযোগ করেন, সাবিলা নূরের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে বিয়ের মাত্র ১০ দিন আগে মামুন হঠাৎ করেই তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেও তার মন ঘোরানো সম্ভব হয়নি।

তিশার ভাষ্য, ‘সাবিলা নূর আমাদের দীর্ঘ প্রেমের সম্পর্কের কথা পুরোপুরি জানতেন। একজন নারী হয়েও তিনি আরেকজন নারীর ক্ষতির কথা ভাবেননি। মামুন একজন বড় তারকাকে পেয়ে আমার সাত বছরের ভালোবাসা ও আত্মত্যাগের কোনো মূল্য দিল না।’ তিশা আরও জানান, মামুনের ক্যারিয়ারের কথা বিবেচনা করেই তিনি নিজে উদ্যোগ নিয়ে পূর্বনির্ধারিত বিয়ের তারিখ পিছিয়ে দিয়েছিলেন, যা পরবর্তীতে তার ব্যক্তিগত জীবনের জন্য কাল হয়ে দাঁড়াল। পরিবার আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবলেও মামুনের প্রতি আবেগ থেকে তিনি তাতে সম্মতি দেননি।

উল্লেখ্য, সাবিলা নূরের দাম্পত্য দূরত্বের খবর প্রকাশ্যে আসার শুরুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহশিল্পী শাকিব খানের সঙ্গে তার নাম জড়িয়ে কিছু জল্পনাকল্পনা ছড়ানো হয়েছিল। তবে অনুসন্ধানে জানা যায়, শাকিব খানের বিষয়টি পুরোপুরি ভিত্তিহীন ও নিছক গুঞ্জন ছিল। পুরো পরিস্থিতির কেন্দ্রবিন্দুতে মূলত সংশ্লিষ্ট ডিওপির সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্কই প্রধান কারণ হিসেবে আলোচিত হচ্ছে।

চলমান এই বিতর্ক, দাম্পত্য কলহ এবং নতুন সম্পর্কের গুঞ্জন নিয়ে গণমাধ্যম থেকে চলচ্চিত্রটির পরিচালক আজমান রুশোর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিক মন্তব্য এড়িয়ে যান এবং পরবর্তীতে কথা বলবেন বলে জানান।

অন্যদিকে ব্যাপক আলোচনা ও অভিযোগের মুখেও অভিনেত্রী সাবিলা নূর কিংবা তার স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা স্পষ্টীকরণ আসেনি।