img

অভিনেতার সঙ্গে চুম্বন দৃশ্যে রাজি হতে বাধ্য করা হয়েছিল ফারহাকে?

প্রকাশিত :  ০৯:০৩, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

অভিনেতার সঙ্গে চুম্বন দৃশ্যে রাজি হতে বাধ্য করা হয়েছিল ফারহাকে?

বলিউড পরিচালক ও কোরিওগ্রাফার ফারহা খান জানালেন, নিজের প্রথম দিকের ক্যারিয়ারে এক অভিনেতার সঙ্গে চুম্বন দৃশ্যে বাধ্য হয়েই অভিনয় করতে হয়েছিল তাকে।

প্রস্তুত ছিলেন না। এক অভিনেতার সঙ্গে চুম্বন দৃশ্যে একরকম বাধ্য হয়েই রাজি হতে হয়েছিল ফারহা খানকে। সম্প্রতি নিজের ভ্লগে জানিয়েছেন পরিচালক তথা প্রযোজক।

বিভিন্ন তারকাদের বাড়িতে গিয়ে আড্ডা দেন ফারহা। সেটাই নিজের ভ্লগে তুলে ধরেন। সম্প্রতি গিয়েছিলেন গায়ক শানের বাড়িতে। সেখানে শানের সঙ্গে ১৯৯২ সালের ছবি ‘যো জিতা ওহি সিকন্দর’ নিয়ে আলোচনা করছিলেন ফারহা। সেই ছবিতে জুনিয়র নৃত্যশিল্পী হিসেবে ছিলেন ফারহা। কিন্তু প্রথমে সহ-পরিচালক হিসেবে এই ছবিতে যোগ দিয়েছিলেন।

ফারহা বলেন, “আমি আসলে সহ-পরিচালক হিসেবে যোগ দিই। তার পরে দেখা যায়, নৃত্যশিল্পীর অভাব রয়েছে। তখন আমি কোরিয়োগ্রাফিতে সাহায্য করতে শুরু করি। যখনই কোনও নৃত্যশিল্পী অনুপস্থিত থাকতেন, সেই জায়গায় আমাকে ঠেলে দেওয়া হত।”

এই ভাবেই অভিনেতা দীপক তিজোরির সঙ্গে একটি চুম্বন দৃশ্যে সম্মত হতে বাধ্য হন ফারহা। তিনি বলেন, “একটা দৃশ্য ছিল ছবিতে, যেখানে দীপক তিজোরি আমার গালে চুমু খাবেন। আসলে ওই দৃশ্যে যে মেয়েটির থাকার কথা ছিল, তিনি রাজি হননি। তাই আমাকে করতে হয়েছিল ওই দৃশ্যটি।”

এই শুনে হেসে ওঠেন শান। পারিশ্রমিক নিয়েও আলোচনা হয় তাঁদের মধ্যে। শান বলেন, সেই ছবির জন্য প্রতিদিন ১৫০ টাকা করে পেতেন। অন্যেরা পেতেন ৭৫ টাকা করে। এই শুনে চমকে ওঠেন ফারহা খান। তিনি বলেন, “আরে, তুমি পারিশ্রমিক পেয়েছিলে? আমি তো কোনও পারিশ্রমিকই পাইনি। কিন্তু ওই ছবিটা আমাকে যা যা দিয়েছে তা কোনও চেক দিতে পারত না। ওই ছবিটা আমার জীবন বদলে দিয়েছিল।”

বিনোদন এর আরও খবর

img

বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকার আর নেই

প্রকাশিত :  ০৫:১৮, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম শক্তিশালী অভিনেতা ও নির্মাতা নানা পাটেকার আর নেই। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি গোয়ায় নিজের বাসভবনে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।

আজ বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) হাসপাতাল সূত্র জানায়, সকালে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা সেখানে প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে সিপিআর দিয়ে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং সকাল ৫টা ২০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

দীর্ঘ অভিনয় জীবনে নিখুঁত অভিনয়শৈলী ও দাপুটে সংলাপের জন্য দর্শকদের হৃদয়ে আলাদা জায়গা করে নিয়েছিলেন নানা পাটেকার। তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া এই কিংবদন্তি নটসম্রাট, ওয়াজুদ, পরিন্দা, আব তাক ছাপ্পান আর যশোবন্ত-এর মতো অসংখ্য সফল ছবিতে অভিনয় করে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছেন।

১৯৭৮ সালে ‘গমন’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন তিনি। এরপর ২০০০-এর দশকের শুরুতে শক্তি: দ্য পাওয়ার (২০০২), আব তাক ছাপ্পান (২০০৪), অপহরণ (২০০৫) এবং ট্যাক্সি নম্বর ৯২১১ (২০০৬) ছবিতে তার অভিনয় ব্যাপক প্রশংসা পায়।

বাণিজ্যিক ধারার কমেডি ছবি ‘ওয়েলকাম’ (২০০৭) এবং এর সিক্যুয়েল ‘ওয়েলকাম ব্যাক’ (২০১৫)-এ গ্যাংস্টার উদয় শেট্টির চরিত্রে অভিনয় করে সিনেপ্রেমীদের মনে আলোড়ন তুলেছিলেন তিনি। জনপ্রিয় রাজনৈতিক থ্রিলার ‘রাজনীতি’ (২০১০) ছবিতে দুর্দান্ত পার্শ্ব চরিত্রের জন্য পঞ্চমবারের মতো ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডে সেরা পার্শ্ব অভিনেতার মনোনয়ন পান। পরে ২০১৬ সালে মারাঠি ছবি নটসম্রাট-এ অসাধারণ অভিনয়ের জন্য ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেতার পুরস্কার জেতেন। সম্প্রতি ‘হাউসফুল ৫’ ছবিতেও পার্শ্ব চরিত্রে দেখা গিয়েছিল তাকে।

অভিনয়ের পাশাপাশি সংগীতজগতেও নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন এই বহুমুখী শিল্পী। ১৯৯৭ সালে \'যশোবন্ত\', ১৯৯৮ সালে \'ওয়াজুদ\' এবং ২০০৩ সালে \'আঁচ\' চলচ্চিত্রে নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী হিসেবে গান গেয়ে দর্শক ও সমালোচক উভয় মহলেই প্রশংসা কুড়ান তিনি।