img

পার্লার উদ্বোধনে গিয়ে বিতর্কে পরীমণি

প্রকাশিত :  ১১:১২, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

পার্লার উদ্বোধনে গিয়ে বিতর্কে পরীমণি

সমালোচনা যেন নিত্যসঙ্গী ঢাকাই চিত্রনায়িকা পরীমণির। প্রায়ই নানা কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আলোচনায় থাকেন এই নায়িকা। বিশেষ করে তার ব্যক্তিজীবন প্রায়ই নানা বিতর্কের জন্ম দেয়।

সম্প্রতি নরসিংদীতে একটি বিউটি পার্লার উদ্বোধন করতে গিয়ে আবারও আলোচনায় এসেছেন এই নায়িকা। এবার আলোচনার কারণ তার খোলামেলা পোশাক।

পার্লার উদ্বোধনের এই অনুষ্ঠানটি কবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, তা অবশ্য জানা যায়নি। তবে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কিছু ভিডিও ও ছবিতে পরীমণির সেই মুহূর্তগুলো দেখা যায়।

দেখা যায়, উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে পরীমণি একটি সবুজ রঙের স্লিভলেস ওপেন গাউন পরেছেন। নায়িকার এমন খোলামেলা পোশাক ভালোভাবে নেননি নেটিজেনরা। অনেকেই পরীমণির সেই ছবি-ভিডিওগুলো শেয়ার করে তার পোশাকের রুচি নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করেন; বিশেষ করে জনসমক্ষে এমন খোলামেলা পোশাক পরা নিয়ে তৈরি হয় সমালোচনা।

তবে এমন সমালোচনা নতুন নয়। সদ্যই রাজধানীর বসুন্ধরায় একটি স্বর্ণের দোকান উদ্বোধন করতে গিয়েও আলোচনার জন্ম দেন এই নায়িকা।

এদিকে, মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে পরী অভিনীত সিনেমা ‘ডোডোর গল্প’। পাশাপাশি নতুন বছরে শুরু হতে যাচ্ছে তার নতুন রাজনৈতিক থ্রিলার সিনেমা ‘গোলাপ’-এর শুটিং। সামছুল হুদার পরিচালনায় এই সিনেমায় তার সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন নিরব হোসেন। ছোট শহরের রাজনৈতিক বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া এই সিনেমাটির চিত্রনাট্য লিখেছেন অনিক বিশ্বাস।


img

সাবেক প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদকে নিয়ে মাহিয়া মাহির বিস্ফোরক অভিযোগ

প্রকাশিত :  ১৮:১৫, ১১ জুলাই ২০২৬

বহুল আলোচিত-সমালোচিত চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি ও সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের পুরোনো সেই অডিও ফাঁসের ঘটনাটি নিয়ে আবারও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে একটি দীর্ঘ ভিডিওবার্তা প্রকাশ করে মাহি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বেশ কিছু বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন।

ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই ডা. মুরাদ হাসানের দ্বারা ভুক্তভোগী বলে অভিযোগ মাহির।

এ চিত্রনায়িকা জানান, ডা. মুরাদ হাসান তাকে প্রতিনিয়ত বিরক্ত করতেন বলে তিনি প্রতিমন্ত্রীর নম্বর ব্লক করে রেখেছিলেন। ভাইরাল হওয়া অডিওতে ডা. মুরাদ নিজেই বলেছিলেন, ‘ও তো আমার ফোন ধরবে না।’ মাহি বলেন, তিনি সরাসরি ফোন ধরতেন না বলেই ডা. মুরাদ অন্য মানুষের ফোন ব্যবহার করে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন।

অডিওতে ডা. মুরাদ হাসান মাহিকে তুলে নেওয়ার জন্য র‍্যাব, পুলিশ, এনএসআই ও ডিজিএফআই পাঠানোর হুমকি দিয়েছিলেন।

মাহি প্রশ্ন তোলেন, যদি তাদের মধ্যে ভালো সম্পর্কই থাকত, তবে কেন তাকে এভাবে ভয় দেখানো হতো? মূলত ডা. মুরাদকে এড়িয়ে চলতেন বলেই তাকে দমাতে ক্ষমতার প্রভাব খাটানো হয়েছিল।

হুমকি পাওয়ার পর মাহি ইন্ডাস্ট্রির অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং সহকর্মীদের কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন। অনেকেই বিষয়টি জানতেন। কিন্তু ডা. মুরাদ মন্ত্রী হওয়ায় সবাই \"আমরা কী করব?\" বলে এড়িয়ে যান।

এমনকি কিছু সহকর্মী রাতে ফোন করে মাহিকে সতর্ক করতেন যেন রাত ১১টার পর তিনি ফোন না ধরেন, কারণ ওই সময়ে ডা. মুরাদ তাদের সামনেই থাকতেন।

মাহি বলেন, তিনি যদি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পৌঁছাতে পারতেন, তবে অবশ্যই বিষয়টি তাকে জানাতেন এবং বিশ্বাস করেন যে তিনি এর বিচার করতেন।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাওয়ার কোনো সুযোগ না থাকায় বাধ্য হয়ে পরিস্থিতি তাকে একাই ঠান্ডা মাথায় ও ভদ্রভাবে সামলাতে হয়েছিল।

অডিওতে ডা. মুরাদের গালিগালাজের বিপরীতে মাহির হেসে কথা বলা নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। এর জবাবে মাহি বলেন, \"আমি যদি তখন গালিগালাজ করতাম আর পরে আমার বড় কোনো ক্ষতি হয়ে যেত, সেই দায়িত্ব কে নিত?\"

সবশেষে মাহি দাবি করেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে ডা. মুরাদ শুধু তাকেই নয়, চলচ্চিত্র অঙ্গনের আরও অনেক নায়িকা, কণ্ঠশিল্পী এবং সংবাদ উপস্থাপিকাকে একইভাবে উত্যক্ত ও হেনস্তা করেছেন। ক্ষমতার ভয়ে তখন কেউ মুখ খুলতে পারেননি।

তিনি বলেন, ‘আমি শুনেছি আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই—নিউজ প্রেজেন্টার, সিঙ্গারসহ অসংখ্য নারী তার (ডা. মুরাদ হাসান) বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন। তাই বিষয়টা অনেকেই বুঝবেন না।’