img

প্রথমবার পর্দায় অক্ষয়-রানি, আসছে ‘ওএমজি ৩’

প্রকাশিত :  ১৩:২০, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬

প্রথমবার পর্দায় অক্ষয়-রানি, আসছে ‘ওএমজি ৩’

প্রায় দুই যুগের বেশি সময় ধরে দুজনেই কাজ করছেন বলিউডে, কিন্তু কেন জানি একসঙ্গে দেখা যায়নি এই দুই মেগাস্টার নায়ক-নায়িকাকে। অবশেষে জনপ্রিয় ‘ওহ মাই গড’ ফ্র্যাঞ্চাইজির মাধ্যমে একসঙ্গে পর্দায় আসতে চলেছেন বলিউড অভিনেত্রী রানি মুখার্জি ও অভিনেতা অক্ষয় কুমার।

জল্পনা সত্যি হলে খিলাড়িখ্যাত অভিনেতার সঙ্গে এটিই রানি মুখার্জির প্রথম সিনেমা হতে চলেছে। নব্বইয়ের দশকের দুই তারকাকে প্রথমবার বড়পর্দায় একসঙ্গে দেখা যাবে।

জানা গেছে, জনপ্রিয় ‘ওহ মাই গড’ ফ্র্যাঞ্চাইজির তৃতীয় কিস্তির প্রি-প্রোডাকশনের কাজ চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে নিঃসন্দেহে এই কাস্টিং অন্যতম বড় হতে চলেছে। চলতি বছরের মাঝামাঝি শুটিংও শুরু হয়ে যাবে। পরিচালক অমিত রাই এমন এক গল্প নিয়ে আসছেন, যা আরও বড়, আরও সমসাময়িক ও আগের থেকেও বেশি করে মানুষের মনে গেঁথে যাবে।

যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা এখনো দেওয়া হয়নি। ফেব্রুয়ারিতে ‘মরদানি ৩’ নিয়ে বড়পর্দায় ফিরছেন রানি মুখার্জি। অন্যদিকে ‘ওহ মাই গড’-এর প্রথম সিনেমা মুক্তি পায় ২০১২ সালে। ২০২৩ সালে মুক্তি পায় ‘ওহ মাই গড-২’। দুটি সিনেমাই বেশ প্রশংসিত হয়েছিল দর্শকমহলে। তবে এবার ভক্ত-অনুরাগীরা অপেক্ষায় ‘ওহ মাই গড-৩’ সিনেমার।


img

সাবেক প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদকে নিয়ে মাহিয়া মাহির বিস্ফোরক অভিযোগ

প্রকাশিত :  ১৮:১৫, ১১ জুলাই ২০২৬

বহুল আলোচিত-সমালোচিত চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি ও সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের পুরোনো সেই অডিও ফাঁসের ঘটনাটি নিয়ে আবারও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে একটি দীর্ঘ ভিডিওবার্তা প্রকাশ করে মাহি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বেশ কিছু বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন।

ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই ডা. মুরাদ হাসানের দ্বারা ভুক্তভোগী বলে অভিযোগ মাহির।

এ চিত্রনায়িকা জানান, ডা. মুরাদ হাসান তাকে প্রতিনিয়ত বিরক্ত করতেন বলে তিনি প্রতিমন্ত্রীর নম্বর ব্লক করে রেখেছিলেন। ভাইরাল হওয়া অডিওতে ডা. মুরাদ নিজেই বলেছিলেন, ‘ও তো আমার ফোন ধরবে না।’ মাহি বলেন, তিনি সরাসরি ফোন ধরতেন না বলেই ডা. মুরাদ অন্য মানুষের ফোন ব্যবহার করে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন।

অডিওতে ডা. মুরাদ হাসান মাহিকে তুলে নেওয়ার জন্য র‍্যাব, পুলিশ, এনএসআই ও ডিজিএফআই পাঠানোর হুমকি দিয়েছিলেন।

মাহি প্রশ্ন তোলেন, যদি তাদের মধ্যে ভালো সম্পর্কই থাকত, তবে কেন তাকে এভাবে ভয় দেখানো হতো? মূলত ডা. মুরাদকে এড়িয়ে চলতেন বলেই তাকে দমাতে ক্ষমতার প্রভাব খাটানো হয়েছিল।

হুমকি পাওয়ার পর মাহি ইন্ডাস্ট্রির অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং সহকর্মীদের কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন। অনেকেই বিষয়টি জানতেন। কিন্তু ডা. মুরাদ মন্ত্রী হওয়ায় সবাই \"আমরা কী করব?\" বলে এড়িয়ে যান।

এমনকি কিছু সহকর্মী রাতে ফোন করে মাহিকে সতর্ক করতেন যেন রাত ১১টার পর তিনি ফোন না ধরেন, কারণ ওই সময়ে ডা. মুরাদ তাদের সামনেই থাকতেন।

মাহি বলেন, তিনি যদি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পৌঁছাতে পারতেন, তবে অবশ্যই বিষয়টি তাকে জানাতেন এবং বিশ্বাস করেন যে তিনি এর বিচার করতেন।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাওয়ার কোনো সুযোগ না থাকায় বাধ্য হয়ে পরিস্থিতি তাকে একাই ঠান্ডা মাথায় ও ভদ্রভাবে সামলাতে হয়েছিল।

অডিওতে ডা. মুরাদের গালিগালাজের বিপরীতে মাহির হেসে কথা বলা নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। এর জবাবে মাহি বলেন, \"আমি যদি তখন গালিগালাজ করতাম আর পরে আমার বড় কোনো ক্ষতি হয়ে যেত, সেই দায়িত্ব কে নিত?\"

সবশেষে মাহি দাবি করেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে ডা. মুরাদ শুধু তাকেই নয়, চলচ্চিত্র অঙ্গনের আরও অনেক নায়িকা, কণ্ঠশিল্পী এবং সংবাদ উপস্থাপিকাকে একইভাবে উত্যক্ত ও হেনস্তা করেছেন। ক্ষমতার ভয়ে তখন কেউ মুখ খুলতে পারেননি।

তিনি বলেন, ‘আমি শুনেছি আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই—নিউজ প্রেজেন্টার, সিঙ্গারসহ অসংখ্য নারী তার (ডা. মুরাদ হাসান) বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন। তাই বিষয়টা অনেকেই বুঝবেন না।’