img

আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন তাসনিম জারা

প্রকাশিত :  ০৬:৪৮, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন তাসনিম জারা

ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারার মনোনয়নপত্রকে বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এছাড়া কক্সবাজার-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী এবং দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।

আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি) ইসির আপিল শুনানিতে  মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।

আপিল শুনানিতে কমিশনের এই সিদ্ধান্তে তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথে থাকা আইনি বাধা দূর হলো।

শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল আবেদনের শুনানি শেষে কমিশন এই রায় দেয়। এর মাধ্যমে মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে করা আপিলে সফল হন উভয় প্রার্থী।

শনিবার থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা আপিল শুনানি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনের অডিটোরিয়ামে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই শুনানি চলবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ কমিশনের সব সদস্য এ শুনানি গ্রহণ করছেন।

ইসি সূত্র জানায়, শুনানির প্রথম দিনেই ১ থেকে ৭০ নম্বর আপিল আবেদনের ওপর সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যেই তাসনিম জারা ও হামিদুর রহমান আযাদের আপিল নিষ্পত্তি করা হয় এবং তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।

নির্বাচন কমিশনের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে আপিল শুনানি চলবে। সূচি অনুযায়ী—

অবশিষ্ট আপিলগুলোর শুনানির তারিখ পরে জানানো হবে বলে তিনি জানান।

এর আগে গত ৪ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের শেষ দিনে দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনে দাখিল করা ২ হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ১ হাজার ৮৪২টি বৈধ এবং ৭২৬টি বাতিল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এসব সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে মোট ৬৪৫টি আপিল আবেদন জমা পড়ে। চলমান এই শুনানির মধ্য দিয়ে আগামী কয়েক দিনে আরও অনেক প্রার্থীর রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারিত হতে যাচ্ছে।


বাংলাদেশ এর আরও খবর

img

খুলনা সিটি মেডিকেলে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১২ ইউনিট

প্রকাশিত :  ১৮:৪২, ১১ জুন ২০২৬

খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। 

খবর পেয়ে ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে ফায়ার সার্ভিসের ১২ ইউনিট।

এদিকে আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে থাকা রোগী ও তাদের স্বজনরা আতঙ্কিত হয়ে বাইরে ছুটে আসছেন। অনেকে এখনো হাসপাতালের মধ্যে আটকে আছেন। ফায়ার সার্ভিসের সদস্য আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

হাসপাতালের একটি সূত্র জানিয়েছে, জেনারেটর থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। পরে আগুন হাসপাতালের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, রাত ৯টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিটি মেডিকেলের নিচতলায় আগুনের খবর পাওয়া যায়। এর ৫ মিনিটের মাথায় ঘটনাস্থলে যায় ফায়ার সার্ভিস। বর্তমানে ১২টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল ইসলাম বলেন, আমাদের ১২টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। তবে আগুনের ঘটনায় রাত ১১টা পর্যন্ত হতাহতের বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া, আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে আগুনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছে ফায়ার সার্ভিস। তাদের সঙ্গে পুলিশ ও স্থানীয়রা আগুন নেভানোর কাজে অংশ নিচ্ছেন। হাসপাতালে থাকা রোগী ও তাদের স্বজনরা আগুন লাগার পর আতঙ্কিত হয়ে বাইরে ছুটে এসেছেন।


বাংলাদেশ এর আরও খবর