img

এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের মুনাফা বেড়েছে প্রায় ৩ গুণ

প্রকাশিত :  ১৮:৫৫, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ২০:৫৯, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের মুনাফা বেড়েছে প্রায় ৩ গুণ

দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। কোম্পানিটি জানিয়েছে, ব্যবসা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে নতুন বিপণন এলাকা স্থাপন ও নতুন অঞ্চলে বিক্রয় কার্যক্রম জোরদার করায় বিক্রয় আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে মুনাফায় ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

এর আগে শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়।

চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৩৪ পয়সা। গত বছর একই সময়ে  ৭২ পয়সা আয় হয়েছিল।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিক মিলিয়ে তথা ৬ মাসে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২ টাকা ৫৮ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে আয় ছিলো ৯৬ পয়সা।

গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে কোম্পানির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৫৬ টাকা ৭ পয়সা।



img

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত নয়, প্রয়োজনে সংশোধন : বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত :  ০৬:৫৬, ০৪ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তি অপরিবর্তনীয় নয়; প্রয়োজনে এতে সংশোধন, সংযোজন বা বিয়োজনের সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। 

তিনি বলেন, চুক্তিতে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা ভবিষ্যতে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে সহায়ক হতে পারে।

বুধবার (৪ মার্চ) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৮ বিলিয়ন ডলার।

এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি প্রায় পৌনে তিন বিলিয়ন ডলার। একক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক অংশীদার। ফলে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের সঙ্গে ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ, ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জড়িত।

সম্প্রতি ৯ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে দেশে যে সমালোচনা হয়েছে—এ বিষয়ে তিনি বলেন, যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তিতেই উভয় পক্ষের স্বার্থ থাকে।

কিছু ধারা এক পক্ষের জন্য সুবিধাজনক হয়, আবার কিছু ধারা অন্য পক্ষের অনুকূলে থাকে। আলোচনার মাধ্যমে উভয় পক্ষের জন্য ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য।

তিনি বলেন, চুক্তিটিকে এখনই সম্পূর্ণ ইতিবাচক বা সম্পূর্ণ নেতিবাচক হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি একটি রাষ্ট্রীয় চুক্তি এবং বাস্তবতার অংশ।

তবে কোনো চুক্তিই স্থায়ী নয়; প্রয়োজনে ভবিষ্যতে আলোচনার মাধ্যমে পরিবর্তন আনা যেতে পারে।

মার্কিন আদালতে জরুরি ক্ষমতার আওতায় আরোপিত শুল্ক সংক্রান্ত রায়ের বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, পরিস্থিতি এখনো বিকাশমান এবং সরকার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে।

ভিসা বন্ড ইস্যুতে ব্যবসায়ীদের উদ্বেগের বিষয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখছে। তবে সরকার চায় দুই দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা যেন নির্বিঘ্নে যাতায়াত ও বিনিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন এবং এ ক্ষেত্রে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরো জানান, যুক্তরাষ্ট্র নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।