img

সিলেট বিভাগে ১৯ আসনের ১৮ টিতেই জয়ের পথে বিএনপি

প্রকাশিত :  ১৭:৩২, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৭:৪২, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 সিলেট বিভাগে ১৯ আসনের ১৮ টিতেই জয়ের পথে বিএনপি

সিলেট বিভাগের ১৯টি আসনের মধ্যে ১৮টিতেই জয় পেতে চলেছেন বিএনপির প্রার্থীরা। ভোট গণনার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, অধিকাংশ আসনেই বিএনপি প্রার্থীরা শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। ইতোমধ্যে সিলেট-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী তাহসীনা রুশদীর লুনা, সিলেট-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৫ আসনের বিএনপির প্রার্থী কলিম উদ্দিন মিলনের জয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেছে।

তবে রাত ১১ টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে একটি আসনের ফলাফলও ঘোষণা করা হয়নি।

প্রার্থীদের নির্বাচনী কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত ফলাফল সূত্রে জানা গেছে, বিভাগের ১৯টি আসনের মধ্যে কোথাও জয়ের মতো অবস্থানে নেই জামায়াতের প্রার্থীরা। তবে সিলেট-৫ আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধিক ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিস নেতা মুফতি আবুল হাসানের জয় অনেকটা নিশ্চিত বলে জানা গেছে।

প্রার্থীদের এজেন্টদের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য মতে, সিলেট ১ আসনে খন্দকার খন্দকার মুক্তাদির (বিএনপি), সিলেট ২ আসনে তাহসিনা রুশদির লুনা (বিএনপি), সিলেট ৩ আসনে এম এ মালেক (বিএনপি), সিলেট ৪ আসনে আরিফুল হক চৌধুরী (বিএনপি) সিলেট ৫ আসনে আবুল হাসান (মজলিস) এবং সিলেট ৬ আসনে এমরান আহমদ চৌধুরী (বিএনপি) জিততে চলছেন।

সুনামগঞ্জ ১ আসনে কামরুজ্জামান কামরুল (বিএনপি), সুনামগঞ্জ ২ আসনে নাসির উদ্দীন চৌধুরী (বিএনপি), সুনামগঞ্জ ৩ আসনে কয়সর আহমেদ (বিএনপি),

সুনামগঞ্জ ৪ আসনে নুরুল ইসলাম নুরুল (বিএনপি), সুনামগঞ্জ ৫ আসনে কলিম উদ্দিন মিলন (বিএনপি) জয় পেতে যাচ্ছেন।

মৌলভীবাজার ১ আসনে নাসির উদ্দিন মিঠু (বিএনপি), মৌলভীবাজার ২ আসনে শওকতুল ইসলাম শকু (বিএনপি), মৌলভীবাজার ৩ আসনে এম নাসের রহমান (বিএনপি), মৌলভীবাজার ৪ আসনে হাজী মুজিবুর রহমান চৌধুরী (বিএনপি)।

হবিগঞ্জ ১ আসনে ড.রেজা কিবরিয়া (বিএনপি), হবিগঞ্জ ২ আসনে ডা.সাখাওত হাসান জীবন (বিএনপি), হবিগঞ্জ ৩ আসনে জি কে গউছ (বিএনপি), হবিগঞ্জ ৪ আসনে এস এম ফয়সল (বিএনপি) জয় পেতে যাচ্ছেন।


সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

জগন্নাথপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শৌচাগারে ঝুলছে তালা, ভোগান্তিতে রোগীরা

প্রকাশিত :  ১০:৪৪, ০৫ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১১:৪২, ০৫ মার্চ ২০২৬

সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। হাসপাতালের বাইরে নির্মিত একমাত্র শৌচাগারটি ঘটা করে উদ্বোধনের কয়েক মাস পরই তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছে। ফলে রোগী ও স্বজনরা এটি ব্যবহার করতে পারছেন না।

এদিকে হাসপাতালের ভেতরের শৌচাগারগুলোর অবস্থাও অত্যন্ত নাজুক। অনেকগুলোর দরজা ভাঙা, পরিবেশ নোংরা এবং তীব্র পানি সংকট রয়েছে। এসব কারণে রোগী ও তাদের স্বজনরা শৌচাগার ব্যবহার করতে গিয়ে মারাত্মক ভোগান্তির মুখে পড়ছেন।

সরেজমিনে বুধবার (৪ মার্চ) হাসপাতাল এলাকা ঘুরে দেখা যায়, হাসপাতালের বাইরে নির্মিত শৌচাগারটি দীর্ঘ দিন ধরে তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে আছে। ফলে জরুরি প্রয়োজনে রোগী নিয়ে আসা লোকজনের যাওয়ার কোনো জায়গা নেই। হাসপাতালের ভেতরে থাকা অধিকাংশ শৌচাগারই ব্যবহারের অনুপযোগী। নারী রোগীদের জন্য নির্ধারিত শৌচাগারগুলোর অবস্থা সবচেয়ে বেশি নাজুক। অধিকাংশের দরজা

ভাঙা থাকায় এক রোগীকে অন্যজনের সহায়তা নিয়ে অথবা বাইরে লোক দাঁড় করিয়ে ভেতরে যেতে হচ্ছে। এমনকি ভিআইপি কেবিনের বাথরুমগুলোর অবস্থাও বেহাল। দীর্ঘ দিন ধরে এই অবস্থা চললেও কোনো সংস্কারের উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ উঠেছে।

হাসপাতালে সেবা নিতে আসা সুমন মিয়া ও নুরুল হক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাহিরের শৌচাগারটি উদ্বোধনের পর কয়েক দিন খোলা ছিল, এখন বন্ধ। ভেতরের টয়লেটে যাওয়া মানে এক ধরনের মানসিক যন্ত্রণা ভোগ করা। অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ আর তীব্র দুর্গন্ধে সেখানে টেকা দায়। পানিও সব সময় পাওয়া যায় না। দরজার অবস্থা এতই খারাপ যে কেউ ওপাশে না দাঁড়ালে ইজ্জত থাকে না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের এক পরিচ্ছন্নতাকর্মী জানান, বর্তমানে হাসপাতালে রোগীর প্রচুর চাপ। পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় পুরো হাসপাতাল এলাকা নিয়মিত পরিষ্কার রাখা সম্ভব হচ্ছে না। এক পাশ পরিষ্কার করলেই অন্য পাশ নোংরা হয়ে যায়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, অপব্যবহার রোধে বাহিরের শৌচাগার তালাবদ্ধ রাখা হয়। কর্মকর্তারা যখন মনে করেন প্রয়োজন, তখনই কেবল এটি খোলা হয়। তবে সাধারণ রোগীদের জন্য কেন এটি সবসময় উন্মুক্ত নয়, সে প্রশ্নের কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কূপেশ রঞ্জন রায় বলেন, বাহিরের শৌচাগারগুলো প্রয়োজন সাপেক্ষে খুলে দেওয়া হয়।সবসময় খোলা রাখলে এগুলো দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে। চাহিদা বাড়লে আমরা এগুলো খোলার ব্যবস্থা করি। আর ভেতরের শৌচাগারগুলো নিয়মিত। রক্ষণাবেক্ষণের চেষ্টা করা হয়, তবে জনবল সংকটের কারণে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে।আমরা দ্রুত এসব সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি।

রক্ষণাবেক্ষণের অজুহাতে সরকারি বরাদ্দে নির্মিত শৌচাগারে তালা ঝুলিয়ে রাখা এবং জনবলের অজুহাত দেখিয়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ জিইয়ে রাখায় স্থানীয় সচেতন মহল ও রোগীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে। দ্রুত এই সংকট নিরসনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।

সিলেটের খবর এর আরও খবর