img

বিয়ানী বাজার ক্যান্সার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল এর জন্য বৃটেনের কার্ডিফে ফান্ড রাইজিং গালা ডিনারপার্টি সফলভাবে সম্পন্ন

প্রকাশিত :  ১৪:৩১, ০৩ মার্চ ২০২৬

বিয়ানী বাজার ক্যান্সার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল এর জন্য বৃটেনের কার্ডিফে ফান্ড রাইজিং গালা ডিনারপার্টি সফলভাবে সম্পন্ন

বাংলাদেশের বিয়ানী বাজার ক্যান্সার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল  ইউকে ভিত্তিক একটি দাতব্য সংস্থা যা বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত ক্যান্সার রোগীদের  চিকিৎসা  করার লক্ষ্যে নিষ্ঠা ও নিরলসভাবে কাজ করে চলছে। 

বিগত ১০ বছরে প্রায় তিন লক্ষ রুগীদের সেবা প্রদান করতে সক্ষম হয়েছে। ভবিষ্যতে সিলেটের ৪ টি জেলায় আর ও ইউনিট খোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন। 

বৃটেনের কার্ডিফ বাংলাদেশ সেন্টারে  কমিউনিটি লিডার শেখ মোহাম্মদ তাহির উল্লাহ সভাপতিত্বে এবং  বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী আনা মিয়া,ও সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ মকিস মনসুর, এবং কমিউনিটি সংগঠক আলহাজ্ব আলী আকবর জেপির যৌথ পরিচালনায় 

অতিসম্প্রতি রোববার রাত্রে অনুষ্ঠিত ফান্ড রাইজিং গালা ডিনারপার্টিতে প্রধান অতিথি হিসেবে  হাসপাতালের চেয়ারম্যান সুহেল আহমদ খান, ও বিশেষ অতিথি হিসেবে ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সি ই ও শাহাব উদ্দিন, মাকেটিং ডিরেক্টর ফরহাদ হোসেন টিপু, 

ডেপুটি সিইও আল মামুনুর রশীদ হেলারী,ও  ফান্ডরেইজিং ডিরেক্টর আজিজুর রহমান ও ইউকে কো অর্ডিনেটর আজাদ হোসেন উপস্থিত থেকে 

গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন।

সভায়  কার্ডিফ জালালিয়া মসজিদের ঈমাম ও খতীব মাওলানা আব্দুল মোক্তাদির সাহেব বিয়ানী বাজার ক্যান্সার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল এর ফাউন্ডার্স চেয়ার আলহাজ্ব শামসুদ্দিন খান সহ সকল অসুস্থ রুগীদের সুস্থতা কামনা সহ সমগ্র মুসলিম উম্মার সূখ শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য দোয়া পরিচালনা করেন।

এই মানবিক ও মহতি পোগ্রামে  স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে কাউন্সিলার সালেহ আহমেদ, সাংবাদিক মোহাম্মদ মকিস মনসুর, সাংবাদিক মোস্তফা সালেহ লিটন, কমিউনিটি সংগঠক এম এ মালিক, ব্যাবসায়ী শাহ জাহান, মহিলা প্রতিনিধি শামিমা নাসরিন মিলি, গোলাম মর্তুজা,আহমেদ আলী, মুহিবুর ইসলাম মায়া, দিলাবর মিয়া, আলহাজ্ব আসাদ মিয়া, আব্দুল মতলিব হুমায়ুন, হাবিবুর রহমান, জালাল মিয়া,ও  ওলিউর রহমান আলো সহ কার্ডিফ, নিউপোট, সোয়ানসী, বৃস্টল থেকে আগত কমিউনিটি নানা শেণি পেশার  বিশিষ্টজনরা ও বক্তব্য রাখেন।

উল্লেখ্য গালা ডিনারে উপস্থিত সবাই  টেবিল বুকিং এর মাধ্যমে অনুদান প্রদান ও  এছাড়াও ১৬ জন লাইফ মেম্বার হওয়ার ঘোষনা দিয়ে বিয়ানী বাজার ক্যান্সার হাসপাতালের মানবিক ও মহতি প্রজেক্টের সাথে সম্পৃক্ত হওয়ায়  দানশীল ব্যাক্তিদেরকে  আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রতিষ্ঠান এর আগামী দিনের পথচলায় সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন। 

জাতীয় এর আরও খবর

img

ইরান-কুর্দিস্তান উত্তেজনা তৈরিতে মার্কিন গোয়েন্দা তৎপরতা, সিএনএন-এর বিস্ফোরক রিপোর্ট

প্রকাশিত :  ১১:৪৮, ০৫ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১২:৫৬, ০৫ মার্চ ২০২৬

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনে দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ ইরানের ভেতরে গণঅভ্যুত্থান ঘটানোর লক্ষ্যে কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত করার উদ্যোগ নিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বর্তমান সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার উদ্দেশ্যে ট্রাম্প প্রশাসন ইরাকে অবস্থানরত কুর্দি নেতাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

এই পদক্ষেপটি মূলত ইরানের পশ্চিমাঞ্চলে কুর্দি অধ্যুষিত এলাকায় একটি বড় ধরনের অস্থিতিশীলতা তৈরির প্রচেষ্টার অংশ। তবে কুর্দিস্তানের বেশিরভাগ নেতা বলছেন, পূর্বের অভিজ্ঞতা সুখকর নয় এবং বর্তমানে আমাদেরকে কী টার্গেট নিয়ে আগাতে হবে তা একদমই পরিষ্কার নয়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিদিনই বিভিন্ন ধরনের কথা বলেন; একদিন বলেন কুর্দি জনগণের মুক্তি, আরেকদিন ইরানে ক্ষমতার পালাবদল, বিধ্বংসী অস্ত্র ধ্বংসের কথা, আবার আরেক দিন ইসরায়েলের পক্ষ নিয়ে যুদ্ধ করছে তাঁর বাহিনী! এর ভিত্তিতে কোনো পদক্ষেপ নিতে তারা রীতিমতো শংকিত। অন্যদিকে ইরান যেকোনো পদক্ষেপের বিরুদ্ধে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে কুর্দিদের যে, তারা সর্বোচ্চ কঠোর ব্যবস্থা নেবে যদি তারা ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।

ইরান ও কুর্দি জনগণের মধ্যে দ্বন্দ্বের ইতিহাস অত্যন্ত দীর্ঘ এবং জটিল। কুর্দিরা বিশ্বের বৃহত্তম জাতিগোষ্ঠী যাদের নিজস্ব কোনো স্বাধীন রাষ্ট্র নেই। তারা ইরান, ইরাক, তুরস্ক এবং সিরিয়ার বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে আছে।

১. ১৯৭৯ সালের বিপ্লব ও স্বায়ত্তশাসন: ১৯৭৯ সালে ইরানি বিপ্লবের পর কুর্দিরা আশা করেছিল যে নতুন ইসলামী প্রজাতন্ত্র তাদের আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন প্রদান করবে। কিন্তু তৎকালীন সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ খোমেনি এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেন, যার ফলে সশস্ত্র সংঘাত শুরু হয়।

২. সাদ্দাম হোসেন ও কুর্দিরা: ১৯৯০-এর দশকে ইরাক-ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে কুর্দিরা অনেক সময় বিভিন্ন শক্তির হয়ে লড়াই করেছে। তবে তারা বারবার বড় শক্তিগুলোর (যেমন যুক্তরাষ্ট্র) রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং পরে পরিত্যক্ত হয়েছে।

৩. মাহসা আমিনি ও সাম্প্রতিক গণজাগরণ: ২০২২ সালে কুর্দি বংশোদ্ভূত তরুণী মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর ইরানে যে "নারী, জীবন, স্বাধীনতা" (Woman, Life, Freedom) আন্দোলন শুরু হয়, তার কেন্দ্রবিন্দু ছিল কুর্দি অঞ্চলগুলো। ইরান সরকার এই বিক্ষোভকে বিদেশের মদদপুষ্ট 'বিচ্ছিন্নতাবাদী' আন্দোলন হিসেবে আখ্যা দেয় এবং কুর্দি অঞ্চলগুলোতে কঠোর সামরিক অভিযান চালায়।

বর্তমান পরিস্থিতি সিএনএন-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, সিআইএ এখন ইরানের ভেতরে একটি ছায়া যুদ্ধ বা প্রক্সি ওয়ার শুরু করতে চাচ্ছে। কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র দেওয়ার মাধ্যমে তারা ইরানের পশ্চিম সীমান্তে একটি 'বাফার জোন' তৈরি করতে চায়, যা ইরান সরকারকে চাপে ফেলবে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, এই ধরনের পদক্ষেপ পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে আরও বড় যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

তথ্যসূত্র: নাতাশা বারট্রান্ড (Natasha Bertrand), অ্যালাইনা ট্রিন (Alayna Treene), এবং ক্লারিসা ওয়ার্ড (Clarissa Ward) [সিএনএন-এর মূল রিপোর্ট থেকে সংগৃহীত]।