img

জমি জালিয়াতির মারপ্যাঁচে বিপাকে সোনালি বেন্দ্রে

প্রকাশিত :  ১১:১৭, ০২ এপ্রিল ২০২৬

জমি জালিয়াতির মারপ্যাঁচে বিপাকে সোনালি বেন্দ্রে

জনপ্রিয় বলিউড অভিনেত্রী সোনালি বেন্দ্রে এবং তার স্বামী গোল্ডি বহেলের বিরুদ্ধে পুনের মাভাল এলাকায় একটি জমি কেনাবেচা নিয়ে জালিয়াতি ও নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। চন্দ্রকান্ত শিন্ডে নামে স্থানীয় এক চাষি তাদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন।

সোনালি বেন্দ্রের বিরুদ্ধে প্রায় ৩০ গুণ্ঠা জমি নিয়ে কারচুপির অভিযোগ রয়েছে। তবে এ ঘটনায় পুনের ভাদগাঁও মাভাল দেওয়ানি আদালতে একটি মামলাও হয়েছে। আর এ  মামলায় সোনালি বেন্দ্রে ও গোল্ডি বহেল ছাড়াও আরও দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে। বর্তমানে বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন।

জমিটি আসলে কার এবং কেনাবেচায় কোনো কারচুপি হয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। আগামী ২০ এপ্রিল এ মামলার শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত। দুই পক্ষের যুক্তি শোনার পর আদালত যে রায় দেন, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সবাই।

অভিযোগকারী চাষির দাবি, ১৯৫৭ সাল থেকে ওই বিতর্কিত জমির ওপর তার পরিবারের অধিকার রয়েছে। গোল্ডি বহেল অবৈধভাবে সেই অধিকার খর্ব করে জমি নিজের নামে করেছেন। প্রায় ৩২ হাজার বর্গফুট এলাকাজুড়ে থাকা ওই জমিতে জোর করে বেআইনি নির্মাণের চেষ্টাও হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকি চাষির পরিবারকে ভয় দেখানোরও অভিযোগ রয়েছে সোনালি বেন্দ্রের পরিবারের বিরুদ্ধে। পুলিশে অভিযোগ জানিয়েও লাভ না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন ওই কৃষক।

অন্যদিকে সোনালি বেন্দ্রে এবং তার আইনজীবী সব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, সরকারি কোনো নথিতে বা জমি কেনাবেচার কাগজে তার নাম নেই। এ অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে পাল্টা দাবি করেছেন সোনালি।

অভিনেত্রীর আইনজীবী জানিয়েছেন, এর আগে ওই চাষি তহশিলদার ও মহকুমা শাসকের কাছে একাধিকবার আবেদন করেছিলেন। কিন্তু প্রতিবারই আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। আগামী ২০ এপ্রিল এ মামলার শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত।


img

প্রেমিকের বিরুদ্ধে মামলার রাজসাক্ষী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ

প্রকাশিত :  ১১:৩৮, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১২:১২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

‘সখী, ভালোবাসা কারে কয়! সে কি কেবলই যাতনাময়...’, হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। প্রেমিক সুকেশ চন্দ্রশেখরের জন্য থানা-পুলিশ, আদালত অবধি করতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। প্রেমের টানে কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণা মামলায় বিতর্কে জড়িয়ে বলিউডের শক্ত পায়ের তলার মাটিও খোয়াতে বসেছেন জ্যাকুলিন!

বহুল আলোচিত ২০০ কোটি রুপির আর্থিক জালিয়াতি মামলায় জেলে আছেন সুকেশ চন্দ্রশেখর। দীর্ঘদিন ধরে চলা এ আলোচিত মামলায় এবার আদালতে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দিতে পারেন প্রেমিকা অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। এর ফলে মামলার গতিপথে বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

অথচ গ্রেফতারের পর থেকেই নানাভাবে জ্যাকুলিনের প্রতি নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করে আসছেন সুকেশ চন্দ্রশেখর। চিঠি লিখে তিনি দাবি করেছিলেন, তাদের মধ্যে সম্পর্ক ছিল এবং অভিনেত্রী তার কাছ থেকে কোনো আর্থিক সুবিধা চাননি—শুধু ভালোবাসাই চেয়েছেন।

সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের জীবন কেবল যাতনাময়, তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন তিনি। প্রেমিকের জন্য থানা-পুলিশ, আদালত অবধি দৌড়াতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। প্রেমের টানে কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণা মামলায় বিতর্কে জড়িয়ে বলিউডের শক্ত পায়ের তলার মাটিও খোয়াতে বসেছেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ!

অথচ জ্যাকুলিনের মন পেতে সুকেশ চন্দ্রশেখর ‘প্রেম যে কাঁঠালের আঠা লাগলে ছাড়ে না’- গানের মতোই আঠা হয়ে লেগে আছেন। বর্তমানে সুকেশ একাধিক জালিয়াতির মামলায় দিল্লির মান্ডোলি জেলে বন্দি রয়েছেন। জেলে বসেই প্রায় প্রতিটি বিশেষ দিনে তিনি জ্যাকুলিনকে উদ্দেশ্য করে চিঠি লিখে আসছেন। দিয়ে যাচ্ছেন হেলিকপ্টারসহ দামি উপহার। তাতেও মন গলেনি প্রেমিকার। সর্বশেষ ভালোবাসা দিবসেও তিনি নিজেদের ভালোবাসাকে রোমিও-জুলিয়েট, হির-রাঞ্জা এবং লাইলি-মজনুর মতো কালজয়ী প্রেমের সঙ্গে তুলনা করেছেন। সুকেশের দাবি—কোনো কিছুই তাদের এই বন্ধন ভাঙতে পারবে না। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসে খোলা চিঠিতে সুকেশ জ্যাকুলিনকে ‘বেবি বোম্মা’ বলেও সম্বোধন করেন।

একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চিঠিতে সুকেশ লিখেছেন— ‘লোহার গরাদ আর এই ঠান্ডা দেয়াল আমাদের আলাদা করে রেখেছে। মরুভূমিতে হারিয়ে যাওয়া কোনো মানুষের মতো আমি তোমাকে প্রতি মুহূর্তে মিস করছি। আজ আমার প্রতিটি হৃদস্পন্দন আমাদের মধ্যবর্তী দূরত্বের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।’ 

সুকেশ বলেন, জ্যাকুলিন ও তার পরিবারের জন্য দেওয়া সব উপহারই তিনি স্বেচ্ছায় দিয়েছেন। এমনকি এ মামলায় জ্যাকুলিনের নাম জড়ানোকে তিনি ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলেও উল্লেখ করেন। এবার জ্যাকুলিনের জন্য তিনি একটি বিশেষ সারপ্রাইজ উপহারের ব্যবস্থা করেছেন। সেটি হলো— একটি ‘এয়ারবাস এইচ সিরিজ’ লাক্সারি হেলিকপ্টার। 

সুকেশ এর আগে কোটি কোটি টাকার বাড়ি-গাড়ি উপহার তো দিয়েছেনই। জিজ্ঞাসাবাদে সেসব বিলাসী উপহারের কথা অভিনেত্রীও স্বীকার করেছেন। এবার সেই প্রেমিকাই তার বিরুদ্ধে মামলার রাজসাক্ষী হতে যাচ্ছেন। এখন দেখার বিষয়—আদালতে দাঁড়িয়ে সুকেশকে নিয়ে কী ধরনের বক্তব্য দেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। তার সাক্ষ্যই নির্ধারণ করতে পারে এই বহুল আলোচিত মামলার পরবর্তী দিকনির্দেশনা।

বিনোদন এর আরও খবর