img

পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম হত্যা-নির্যাতনের প্রতিবাদে বাংলাদেশ নাগরিক সংঘের প্রতিবাদ সভা

প্রকাশিত :  ১৪:৫৮, ০৯ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৯:৩৮, ০৯ মে ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম হত্যা-নির্যাতনের প্রতিবাদে বাংলাদেশ নাগরিক সংঘের প্রতিবাদ সভা

পশ্চিমবঙ্গে (ভারতে) মুসলিম হত্যা-নির্যাতনের প্রতিবাদে বাংলাদেশ নাগরিক সংঘের আহবায়ক এড. আবুল কালাম আজাদ এর সভাপতিত্বে ৭ মে বিকাল ৩টায় ঢাকাস্থ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপদেষ্টা, প্রবীণ রাজনীতিবিদ, সিনিয়র আইনজীবী এড. এএনএম আবেদ রাজা, সংগঠনের উপদেষ্টা সাহাবুদ্দিন মুন্সি, ব্যবসায়ী নেতা ইমতিয়াজুর রহমান চৌধুরী মিজান, আজহারুল ইসলাম সরকার, ইঞ্জিনিয়ার সুমন মিয়া, বাংলাদেশ কংগ্রেস এর যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম রেজা বাচ্চু, ব্যবসায়ী নেতা গোলাম মোস্তফা চৌধুরী রুবেল, শফিকুল ইসলাম পাপন প্রমুখ।

বক্তাগণ বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশে সংখ্যালঘু ও তাদের ঘর-বাড়ি এবং উপাসনালয় পাহারা দিয়ে  রাখা হয়। অথচ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের মর্মান্তিকভাবে হত্যা-নির্যাতন করা হচ্ছে, যা বর্বরচিত, জঘন্য ও অমানবিক। দ্রুত পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম হত্যা ও নির্যাতন বন্ধ এবং তাদের সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ  গ্রহণ করতে হবে।

 

বাংলাদেশ এর আরও খবর

img

পররাষ্ট্রনীতি কোনো নির্দিষ্ট দেশকেন্দ্রিক হবে না : হুমায়ুন কবির

প্রকাশিত :  ১৫:৫৭, ০৯ মে ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেছেন, “বিশ্বসম্প্রদায়ের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান, ভারসাম্য ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী বাংলাদেশ। ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির ভিত্তিতে সরকার এমন একটি পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করবে, যা হবে বহুমাত্রিক, নমনীয় এবং কোনো নির্দিষ্ট দেশকেন্দ্রিক নয়।”

শনিবার (৯ মে) রাজধানীতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ (বিআইপিএসএস) আয়োজিত ‘সবার আগে বাংলাদেশ : নতুন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির দৃষ্টিভঙ্গি’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

হুমায়ুন কবির বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে।

একক শক্তির আধিপত্যের যুগ শেষের পথে এবং বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতে নতুন বাস্তবতা তৈরি হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশকে কৌশলগতভাবে নমনীয় ও ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সব দেশের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখবে, তবে কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল হবে না। জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রেখে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণই হবে সরকারের মূল লক্ষ্য।

অর্থনৈতিক কূটনীতি নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ, বৈচিত্র্যময় বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আঞ্চলিক বাণিজ্য ও যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে সরকার কাজ করবে। বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের মধ্যে একটি অর্থনৈতিক সেতুবন্ধ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।’

তিনি আরো বলেন, ‘ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশ একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, উন্মুক্ত ও সহযোগিতামূলক অবস্থান সমর্থন করে। বাংলাদেশ কোনো পক্ষ নেবে না, তবে বাণিজ্য, সংযোগ, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে অংশ নেবে।