img

হামে মৃত্যু ৩৫২ শিশুর প্রতি পরিবারকে দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে রিট

প্রকাশিত :  ০৮:৩৮, ১০ মে ২০২৬

হামে মৃত্যু ৩৫২ শিশুর প্রতি পরিবারকে দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে রিট

হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা ৩৫২ শিশুর প্রত্যেক পরিবারকে ২ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। আজ রোববার (১০ মে) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার হুমায়ন কবীর পল্লব জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন।

;এই রিটে স্বাস্থ্য সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ৫৫ দিনে ৩৫২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সরকারি হিসাবেই গড়ে প্রতিদিন অন্তত ছয়জন করে শিশুর মৃত্যু হচ্ছে। তবে গত এক সপ্তাহে সেই সংখ্যা গিয়ে ঠেকেছে গড়ে প্রতিদিন ১০ জনে। হামে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা কমে আসার আশ্বাস দেওয়ার মধ্যেই মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দেড়গুণ হয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ঢাকা বিভাগ আর কম রংপুর। গতকাল আরও ৯ জন শিশু হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা সরকারি হিসাব সঠিক বলে ধরে নিলেও পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক। প্রতিদিনই নতুন করে আক্রান্ত ও হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণের হার বেশি হওয়ায় পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন, টিকার সংকট এবং হামে শিশুমৃত্যুর ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে সরকার। হামে কেন এতগুলো শিশুর মৃত্যু হলো, এ ক্ষেত্রে কারও কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্তে খতিয়ে দেখা হবে।

চিকিৎসকদের মতে, শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির বাইরে থাকা এবং গরমে ভাইরাসের দ্রুত বিস্তার এই প্রাদুর্ভাবের অন্যতম কারণ হতে পারে। শিশুর শরীরে জ্বর ও র‌্যাশ দেখা দিলে কালক্ষেপণ না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে। বিশেষ করে ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ এর আরও খবর

img

বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের সময় ১৩টি স্বর্ণের বারসহ একজকে আটক করলো বিজিবি

প্রকাশিত :  ১৭:০৬, ২৬ জুন ২০২৬

যশোরের বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে স্বর্ণ পাচারের প্রাক্কালে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১ কেজি ১৫৮ গ্রাম ওজনের ১৩টি স্বর্ণের বারসহ সাহাব উদ্দিন সরদার নামের এক স্বর্ণ পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

অদ্য (২৬ জুন) ভোরে যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি)-এর অধীনস্থ বেনাপোল বিওপির একটি চৌকস আভিযানিক টহলদল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের গদখালী বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে সাহাব উদ্দিন সরদার (৪৪) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। এ সময় তার কোমরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ১ কেজি ১৫৮ গ্রাম ওজনের ১৩টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে তার ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল এবং একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। আটককৃত ব্যক্তি বেনাপোলের বালুন্ডা গ্রামের ইয়াছিন সরদারের ছেলে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত ব্যক্তি জানান, তিনি ঢাকার সায়েদাবাদ এলাকার চোরাকারবারীদের কাছ থেকে স্বর্ণের বারগুলো সংগ্রহ করে যশোর হয়ে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে পুটখালী এলাকায় নিয়ে যাচ্ছিলেন। 

উদ্ধারকৃত ১৩টি স্বর্ণের বারের আনুমানিক বাজারমূল্য ২,২১,৪৬,৭৫০/- (দুই কোটি একুশ লক্ষ ছেচল্লিশ হাজার সাতশত পঞ্চাশ) টাকা।  

আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক মামলা দায়েরের মাধ্যমে তাকে ঝিকরগাছা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ বিষয়ে যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান বলেন, \"সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে স্বর্ণ পাচারের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় যশোর ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এই সফল অভিযান পরিচালনা করে স্বর্ণসহ একজন পাচারকারীকে আটক করা হয়েছে। সীমান্তে সব ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির আভিযানিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।\"