img

এলপিএলে সাকিব ও তাসকিন, খেলবেন কোন দলে

প্রকাশিত :  ১০:৫২, ২৩ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১২:০৮, ২৩ মে ২০২৬

এলপিএলে সাকিব ও তাসকিন, খেলবেন কোন দলে

সাকিব আল হাসান আবারও প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরছেন । লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএল) জাফনা কিংস দলের হয়ে খেলবেন তিনি। একই দলে খেলবেন আরেক অভিজ্ঞ পেসার তাসকিন আহমেদ। শ্রীলঙ্কার এই ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে তাদের সরাসরি চুক্তিতে দলে নিয়েছে জাফনা কিংস। 

বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিশ্চিত করেছে টুর্নামেন্ট কর্তৃপক্ষ। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ বিরতির পর মাঠে ফিরছেন সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

এলপিএলের পক্ষ থেকে সাকিবের কার্ড–সংবলিত এক পোস্টে বলা হয়েছে, ‘টি-টুয়েন্টির অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান যোগ দিলেন জাফনা কিংসে। এলপিএল সামনে রেখে তাঁকে দলে নেওয়া হয়েছে। চাপের মুহূর্তে তাঁর অভিজ্ঞতা ও স্থিরতাই হয়ে ওঠে দলের বড় ভরসা।’

পৃথক পোস্টে তাসকিনকে দলে নেওয়ার কারণ ব্যাখা করে এলপিএল জানিয়েছে, 'জাফনা পেস আক্রমণ যুক্ত করল আগুন ঝরানো শক্তি।’ কলম্বো স্ট্রাইকার্সের হয়ে ২০২৪ সালে খেলেছিলেন তাসকিন। 

এর আগেও এলপিএলে খেলেছেন সাকিব। ২০২৩ সালের এলপিএলে গল টাইটানসের হয়ে ১০ ম্যাচে ব্যাট হাতে ১৩৮ রান করার পাশাপাশি বল হাতে নিয়েছেন ১১ উইকেট। এলপিএলে পাঁচ আসরের চারবারই শিরোপা জেতে জাফনা। এবার বাংলাদেশি এই দুজন ছাড়াও সরাসরি চুক্তিতে দলটি নিয়েছে ভানুকা রাজাপাকসা ও দুনিথ ওয়েলালাগেকে। 

গত দুই বছর বন্ধ থাকার পর এবার আবারও শুরু হতে যাচ্ছে এলপিএল। এবারের টুর্নামেন্ট শুরু হবে ১৭ জুলাই, চলবে ৮ আগস্ট পর্যন্ত। কলম্বোয় টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে সাকিবের জাফনা কিংস মুখোমুখি হবে গল মার্ভেলসের।

সাবিক আল হাসান সর্বশেষ স্বীকৃত টি-টুয়েন্টি খেলেছেন গত জানুয়ারিতে। তখন আইএলটি-টুয়েন্টিতে মুম্বাই এমিরেটসের হয়ে খেলেছিলেন এই অলরাউন্ডার।



img

বাংলাদেশের কোচ হয়ে আসা কে এই থমাস ডুলি?

প্রকাশিত :  ০৭:৫১, ২২ মে ২০২৬

চার দশকের বেশি সময় ধরে বিশ্ব ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া জার্মান কোচ থমাস ডুলি এবার বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। তার আগমনে নতুন স্বপ্ন দেখছে দেশের ফুটবল অঙ্গন। তার নিয়োগে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন যেমন আশাবাদী, তেমনি রোমাঞ্চিতও। কিন্তু এই থমাস ডুলি আসলে কে?

খেলোয়াড়ি জীবনে তিনি যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলের হয়ে মাঠ মাতিয়েছেন। ১৯৯৪ সালে নিজ দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে তিনি ছিলেন মার্কিন দলের অংশ। আর চার বছর পরে, ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপে তিনি বহন করেন যুক্তরাষ্ট্র দলের অধিনায়কের আর্মব্যান্ড।

মাঠ ছেড়ে কোচিংয়েও সমান দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন ডুলি। ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি কিংবদন্তি ইউর্গেন ক্লিন্সম্যানের অধীনে যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলের সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করেছেন। 

এরপর ফিলিপাইনে গিয়ে রীতিমতো ইতিহাস লিখেছেন। তার নেতৃত্বে ফিলিপাইন অপরাজিত থেকে এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা নেয় এবং দলটি নিজেদের সর্বোচ্চ বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং অর্জন করে। সবশেষ গায়ানার হেড কোচ হিসেবে তার অধীনে দলটি চারটি ম্যাচের সবকটিতেই জয় তুলে নেয়।

দল গড়ে তোলার বিশেষ দক্ষতা এবং এশিয়ার ফুটবলের বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে গভীর ধারণা নিয়েই এবার বাংলাদেশে আসছেন থমাস ডুলি। তরুণ ফুটবলারদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে জাতীয় দলকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও সফল করে তোলাই তার লক্ষ্য বলে জানিয়েছে বাফুফে।