img

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় রোববার

প্রকাশিত :  ০৮:৪৫, ০৪ জুন ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১২:০০, ০৪ জুন ২০২৬

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় রোববার

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গলা কেটে হত্যা মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে আদালত শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সালেকীন আগামী ৭ জুন এই মামলার রায় ঘোষণার দিন-তারিখ নির্ধারণ করেছেন।

জানা যায়, ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে এদিন ধার্য করেন। 

এছাড়াও আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রীর মৃত্যুদন্ড চেয়েছে রাস্ট্রপক্ষ বলে জানা গেছে। 

এর আগে, মঙ্গলবার টানা ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল। ওই দিন ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা ও মা পারভীন আক্তারসহ সাক্ষীদের জবানবন্দিতে ঘটনার লোমহর্ষক তথ্য উঠে আসে।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২৪ মে আদালত পুলিশের দাখিল করা অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ১ জুন অভিযোগ গঠন শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন। তদন্তে ডিএনএ রিপোর্ট, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং ফরেনসিক আলামতের ভিত্তিতে অভিযোগপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল রামিসা। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে রুমের ভেতরে নেয়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা।

এক পর্যায়ে আসামির ঘরের সামনে শিশুটির একটি স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং আশপাশের ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। এরপর দেখতে পান সোহেল রানার শোবার ঘরের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ। আর তার মাথা পড়ে রয়েছে বাথরুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে।

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহ উদ্ধারের পর স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ ঘটনায় রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। গত ২০ মে আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয় গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা।

 


জাতীয় এর আরও খবর

img

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রাঘাতে পাঁচজনের মৃত্যু

প্রকাশিত :  ১৫:৩৪, ০৪ জুন ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৫:৫৮, ০৪ জুন ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিন উপজেলায় বজ্রাঘাতে তিন নারীসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে (৪ জুন) বৃষ্টির সময় বজ্রপাত হলে তাদের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় আরো একজন আহত হয়েছেন।

নিহতরা হলো সদরের আতাহার গ্রামের মো. রাব্বিলের ছেলে আবদুল্লাহ (১৭), শিবগঞ্জের চককীর্তি ইউনিয়নের চকনরেন্দ্র গ্রামের দুবাইপ্রবাসী আব্দুর রবের স্ত্রী মাহমুদা বেগম (১৯), একই ইউনিয়নের রানীবাড়ী বাজারপাড়া গ্রামের মো. কাশেমের মেয়ে সাদিয়া (১৬), শিবগঞ্জের মোবারকপুর ইউনিয়নের শিকারপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামের মো. ফিটুর ছেলে মেসবাহুল ওরফে মেসবাবুল (১৪) এবং নাচোল উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের লাহাবাড়ী গ্রামের আব্দুর রাকিবের স্ত্রী সুমিয়ারা বেগম (৪০)।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন নাচোলের লাহাবাড়ী গ্রামের জিয়াউর রহমান (৩৬)। তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে হঠাৎ বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হলে বিভিন্ন এলাকায় কৃষিকাজ ও দৈনন্দিন কাজে বাইরে থাকা মানুষজন বজ্রাঘাতে আক্রান্ত হয়।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন জানান, বিকেলে বাড়ির পাশের মাঠে গরু আনতে গিয়ে বজ্রাঘাতে আহত হন আবদুল্লাহ। পরে তাকে উদ্ধার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান বলেন, বিকেলে আমবাগানে কাজ করার সময় মাহমুদা বেগম এবং একই সময়ে সাদিয়া বজ্রাঘাতে নিহত হন।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অন্যদিকে মোবারকপুর ইউনিয়নের শিকারপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে বজ্রাঘাতে কিশোর মেসবাবুল নিহত হয় বলে জানান স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

নাচোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ জানান, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মাঠ থেকে ঘাস কেটে ফেরার পথে বজ্রাঘাতে সুমিয়ারা বেগম নিহত হন এবং জিয়াউর রহমান আহত হন। স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশ ঘটনাটি নিশ্চিত করেছে।


জাতীয় এর আরও খবর