img

কোন বোর্ডে পাশের হার কত?

প্রকাশিত :  ০৫:৫৩, ১০ আগষ্ট ২০২৬

কোন বোর্ডে পাশের হার কত?

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে সোমবার (১০ আগস্ট)। এবারের পরীক্ষায় গড় পাসের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশে। গত বছর এই হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। গত বছর জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। অর্থাৎ, পাসের হারের পাশাপাশি এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে।

৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের গড় পাশের হার এবার ৬৪.০৫ শতাংশ, গত বছরের ৬৮.০৪ শতাংশের তুলনায় প্রায় ৪ শতাংশ পয়েন্ট কম।

এবার সর্বোচ্চ পাশের হার ঢাকা বোর্ডে এবং সর্বনিম্ন মাদরাসা বোর্ডে। ঢাকায় শতকরা ৭১.৬৩ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাশ করেছেন। এরপরই আছে যশোর বোর্ড, সেখানে পাশের হার ৬৬.২৭%। তৃতীয় স্থানে থাকা কুমিল্লা বোর্ডে পাশের হার ৬৫.৪২%।

বাকি আট স্থানে আছে যথাক্রমে রাজশাহী (৬৩.৬৭%), বরিশাল (৬০.৩৫%), চট্টগ্রাম (৫৯.৪৮%), সিলেট (৫৮.৩৩%), দিনাজপুর (৫৮.০৫%), ময়মনসিংহ (৫৭.৩৯%), কারিগরি বোর্ড (৫৮.২০%), মাদরাসা বোর্ড (৫৫.৪৯%)।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এবার মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিতে ফরম পূরণ করেছিল—এর মধ্যে সাধারণ বোর্ডে এসএসসিতে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদ্রাসা বোর্ডের দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি বোর্ডের এসএসসি (ভোকেশনাল)-এ ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী ছিল।

ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য ১১ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে।

img

মন খুলে গান গাওয়া যায়, পরীক্ষায় নম্বর দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত :  ০৮:২২, ১০ আগষ্ট ২০২৬

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। গতবারের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে প্রায় ৬ শতাংশ। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

ফলাফলের এই নিম্নমুখী প্রবণতা নিয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমে যাওয়ার পেছনে পরীক্ষার মান, মূল্যায়ন পদ্ধতি কিংবা শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির ঘাটতি—কোন বিষয়গুলো বেশি প্রভাব ফেলেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ফলাফল ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সেখানে উঠে আসে এই তথ্য।

পরীক্ষায় পাসের হার কমে যাওয়া নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘মন খুলে গান গাওয়া যায়, পরীক্ষায় নম্বর দেওয়া যায় না।’

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই মন্তব্য করেন।

শিক্ষকরা খাতা মূল্যায়ন ও নম্বর প্রদানে এবার কঠোর অবস্থান নিয়েছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, মন খুলে গান গাওয়া গেলেও নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে তেমন উদারতা দেখানোর সুযোগ নেই।

এ বছর গড় পাসের হার আগের বছরের তুলনায় নিম্নমুখী। পরিসংখ্যান বলছে, শূন্য শতাংশ পাসের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এবার শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠান দাঁড়িয়েছে ৫৭টিতে, গত বছর যা ছিল ৪৮টি। 

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে এ সংখ্যা এবার ২২৬টি, যেখানে ২০২৫ সালে ছিল মাত্র ৮৬টি। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে গত বছর কোনো প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাসের হার না থাকলেও এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯টিতে।

শিক্ষা এর আরও খবর