নিহতদের বেশিরভাগই শিশু

img

নাইজেরিয়ায় নৌকাডুবিতে অন্তত ৪৬ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত :  ০৫:৩২, ২১ আগষ্ট ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৬:৩৪, ২১ আগষ্ট ২০২৬

নাইজেরিয়ায় নৌকাডুবিতে অন্তত ৪৬ জনের মৃত্যু

নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় সোকোতো রাজ্যে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই একটি নৌকা ডুবে অন্তত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। নৌকাটিতে ৭০ জনের বেশি যাত্রী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যাদের বড় একটি অংশ ছিল শিশু। দুর্ঘটনার পর উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান এখনো চলছে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ খবর জানা যায়। 

গতকাল বৃহস্পতিবার দেশটির পুলিশের মুখপাত্র আহমদ রুফাই বিবিসিকে জানান, গোরোনির গোরাউয়ের কাছে ৪৬টি মৃতদেহ পাওয়া গেছে। ১৬ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে এবং ১৫ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

রুফাই আরো বলেন, এলাকাটিতে পৌঁছানো কঠিন এবং নিরাপত্তা সংস্থা ও জরুরি পরিষেবাগুলো ঘটনাস্থলের দিকে যাচ্ছে।

এদিকে একজন প্রত্যক্ষদর্শীর বরাতে রয়টার্স জানায়, নৌকায় থাকা শিশুরা খামারের মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে ভ্রমণ করছিল, যারা ধান কাটার কাজে যাচ্ছিলেন।

আরেক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, তিনি একটি কমিউনিটি মসজিদের সামনে দাফনের জন্য রাখা ৫০টি মৃতদেহ দেখেছেন, যার মধ্যে অনেকগুলো মাদুর ও কাপড়ে মোড়ানো ছিল।

নাইজেরিয়ার জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থা (নেমা)-র মুখপাত্র ইজেকিয়েল মানজো বিবিসিকে বলেছেন, ‘গোরাউ একটি অত্যন্ত দুর্গম স্থান।

নাইজেরিয়ায় নৌকা দুর্ঘটনা একটি সাধারণ ঘটনা, এবং এই মৃত্যুর জন্য প্রায়শই অতিরিক্ত যাত্রী, দুর্বলভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা নৌকা এবং নিরাপত্তা বিধি প্রয়োগে শিথিলতাকে দায়ী করা হয়। গত মাসে জিগাওয়া রাজ্যে একটি নৌকা উল্টে গিয়ে অন্তত পাঁচজন ডুবে মারা যান।

এর আগে গত জানুয়ারিতে জিগাওয়া থেকে ইয়োবে রাজ্যে কৃষক ও জেলেদের বহনকারী একটি নৌকা উল্টে গিয়ে অন্তত ২৬ জন ডুবে মারা যান।

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ২০০ জনেরও বেশি যাত্রী বহনকারী একটি নৌকা উল্টে যাওয়ার পর নাইজার নদী থেকে ৫৪ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

তথ্যসূত্র : বিবিসি 

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

নেতানিয়াহুর ‘ফাঁদে পা দেবে না’ তুরস্ক

প্রকাশিত :  ০৭:৩৬, ২১ আগষ্ট ২০২৬

সিরিয়ায় ইসরায়েলি হামলার পর তুরস্ক সতর্ক করে জানিয়েছে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর তৈরি কোনো ‘ফাঁদে’ তারা পা দেবে না। উত্তর সিরিয়ার আবু আল-দুহুর বিমানঘাঁটিতে ইসরায়েলি হামলার পর আঙ্কারা এ প্রতিক্রিয়া জানায়। তুরস্কের অভিযোগ, ইসরায়েল তাদের কর্মকাণ্ডের পক্ষে যুক্তি দাঁড় করাতে ভিত্তিহীন দাবি করছে। 

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের যোগাযোগবিষয়ক পরিচালক বুরহানেত্তিন দুরান বলেন, ‘আমরা যথেষ্ট অভিজ্ঞ, তাই নেতানিয়াহুর মতো ব্যক্তিদের ফাঁদে পড়ব না, যারা আমাদের অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চায়।’

সম্প্রতি তুরস্কের একটি সামরিক প্রতিনিধিদল ওই বিমানঘাঁটি পরিদর্শন করেছে বলে দাবি করেছিল ইসরায়েল। তবে তুরস্ক প্রথমে সেখানে কোনো সামরিক সফরের কথা অস্বীকার করে।

এর মধ্যে সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি স্বীকার করেন, তুরস্কের সামরিক কর্মকর্তারা সম্প্রতি ওই বিমানঘাঁটি পরিদর্শন করেছেন। তবে সিরিয়ায় তুরস্কের সামরিক বাহিনী মোতায়েনের কোনো পরিকল্পনা রয়েছে, এমন দাবি তিনি নাকচ করে দেন।

উত্তর সিরিয়ায় তুরস্কের সামরিক তৎপরতা নিয়ে ইসরায়েলের সঙ্গে আঙ্কারার উত্তেজনা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তুরস্ক অবশ্য বলছে, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করে এমন কোনো কাজ তারা করবে না; বরং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি চায় তুরস্ক।

সূত্র: দ্য টাইমস অব ইসরায়েল


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর